প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
আটক সাকিবকে সন্ত্রাসী বিরোধী আইনসহ দুই মামলায় গ্রেফতার
লক্ষ্ণীপুরে দীপ্ত টিভির জেলা প্রতিনিধি জাহাঙ্গীর আলমকে হত্যার চেষ্টার ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ জানায়, আটক সাকিবকে হত্যা চেষ্টার ঘটনা এবং সন্ত্রাসী বিরোধী আইনসহ দুই মামলায় বুধবার বিকালে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে এবং আদালতের মাধ্যমে জেল-হাজতে পাঠানো হয়েছে। অন্যদিকে সাংবাদিক জাহাঙ্গীর আলমকে হত্যা চেষ্টার মামলায় অন্যান্য আসামীদের গ্রেফতারের জন্য অভিযান চলছে।
বুধবার সকালে, সাংবাদিক জাহাঙ্গীর আলম সদর থানায় সন্ত্রাসী সাকিবসহ ৬ জনকে আসামী করে মামলা দায়ের করেন। এ বিষয়ে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওয়াহিদ পারভেজ নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, এসব মামলার পাশাপাশি সাকিবের বিরুদ্ধে বৈষম্যবিরোধী শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন থানায় হত্যা, মাদকসহ বেশ কয়েকটি মামলা রয়েছে। মামলার বিবরণে জানা যায়, মঙ্গলবার দুপুরে লক্ষ্ণীপুর শহরের স্কুল থেকে মোটরসাইকেলে বাড়ির দিকে যাওয়ার সময় সদর উপজেলার আটিয়াতলী এলাকায় পৌঁছালে সাকিব বাহিনী প্রধান ও তার কয়েকজন সহযোগীসহ জাহাঙ্গীরের পথরোধ করে তাকে মারধর করে হত্যার চেষ্টা চালায়।
এ সময় সাংবাদিককে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয়। সন্ত্রাসী সাকিব প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যার হুমকি দেয়। ঘটনাস্থল থেকে পালানোর চেষ্টা করার সময় স্থানীয়রা সাকিবকে ঘেরাও করে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে দেয়।
মাদক ব্যবসা এবং সাকিবের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ করায় এই ঘটনা ঘটতে পারে বলে ধারণা করছে স্থানীয়রা। পুলিশ এবং স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, সন্ত্রাসী সাকিব হোসেন সদর উপজেলার আটিয়াতলী এলাকার সেলিম ড্রাইভারের ছেলে। সে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের উপজেলা পর্যায়ের নেতা। সাকিবের একটি সন্ত্রাসী বাহিনী রয়েছে এবং সে নিজেই বাহিনীর প্রধান। সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি এলাকায় মাদক ব্যবসার সাথেও জড়িত সে। বৈষম্যবিরোধী চার শিক্ষার্থী হত্যা মামলার অন্যতম আসামী ছিল সাকিব। কিছুদিন আগে শিক্ষার্থী হত্যা ও মাদক আইনের মামলায় দীর্ঘদিন কারাভোগ করে সম্প্রতি জামিনে বের হয়ে এসে আবারও এলাকায় মাদক ব্যবসা ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ে। ইতিমধ্যে সাকিব এবং তার সন্ত্রাসী বাহিনীর গ্রেফতার ও বিচারের দাবিতে ব্যবসায়ী এবং স্থানীয়রা বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেছে। সাংবাদিক জাহাঙ্গীর আলম শিক্ষকতার পেশার সাথেও জড়িত।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন