প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
পবিত্র হজ পালন শেষে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত সৌদি আরব থেকে মোট ১৮০টি ফিরতি ফ্লাইটে ৬৬ হাজার ১৭৪ জন বাংলাদেশি হাজি দেশে ফিরেছেন।
এই ফিরতি হাজিদের মধ্যে ৪ হাজার ৪৫৯ জন সরকারি ব্যবস্থাপনায় এবং ৬১ হাজার ৭১৫ জন বেসরকারি ট্রাভেল এজেন্সির মাধ্যমে দেশে ফিরেছেন।
এ বছর হজ করতে গিয়ে মোট ৫৫ জন বাংলাদেশি মারা গেছেন। তাদের মধ্যে ৩৭ জন মক্কায়, ১৭ জন মদিনায় এবং ১ জন জেদ্দায় মৃত্যুবরণ করেন। তবে মিনা বা মুজদালিফায় কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি।
শুক্রবার (২৬ জুন) প্রকাশিত হজ বুলেটিনের তথ্য অনুযায়ী, বিমানের মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস ৯৭টি, সৌদিয়া এয়ারলাইনস ৬১টি এবং ফ্লাইনাস এয়ারলাইনস ২২টি ফ্লাইট পরিচালনা করেছে।
এয়ারলাইনস ভিত্তিক তথ্য অনুযায়ী, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ৯৭টি ফ্লাইটে ৩০ হাজার ৫৭৩ জন হাজি সফর করেন, সৌদিয়া এয়ারলাইনসের ৬১টি ফ্লাইটে ২২ হাজার ৭২৯ জন হাজি ফিরেছেন, ফ্লাইনাসের ২২টি ফ্লাইটে ৮ হাজার ৬৭২ জন এবং অন্যান্য এয়ারলাইনসের মাধ্যমে ৪ হাজার ২০০ জন হাজি দেশে ফিরেছেন।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বাকি হাজিরা নির্ধারিত এয়ারলাইনসের মাধ্যমে পর্যায়ক্রমে দেশে ফিরবেন।
হজ বুলেটিনের তথ্যমতে, ৪১৫ জন বাংলাদেশি হাজি সৌদি আরবের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন এবং ১০ জন হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। সৌদি মেডিক্যাল সেন্টারগুলো ৬৭ হাজার ৩৬ জন হাজিকে স্বাস্থ্যসেবা দিয়েছে এবং মক্কা ও মদিনার আইটি হেল্প ডেস্ক ২৮ হাজার ৩৮৩ জন হাজিকে বিভিন্ন তথ্য ও সেবা দিয়ে সহায়তা করেছে।
গত ১৮ এপ্রিল প্রথম বহির্গামী ফ্লাইটের মাধ্যমে চলতি বছরের হজ পরিবহন কার্যক্রম শুরু হয় এবং ২১ মে প্রাক-হজ ফ্লাইট সম্পন্ন হয়। চলতি বছরের ২৬ মে পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হয়। হজের আনুষ্ঠানিকতা শেষে ৩০ মে থেকে ফিরতি ফ্লাইট শুরু হয় এবং তা আগামী ১ জুলাই পর্যন্ত চলবে।
হজ অফিসের তথ্যমতে, এবার সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪ হাজার ৫৬৫ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৭৩ হাজার ৯৩৫ জনসহ মোট ৭৮ হাজার ৫০০ জন হজযাত্রীর কোটা বরাদ্দ ছিল।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন