প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর নাটকীয় ম্যাচে আর্জেন্টিনার কাছে হারের পর মিশরের প্রধান কোচ হোসাম হাসান বড় ধরনের শাস্তির মুখে পড়তে যাচ্ছেন। ম্যাচের পর আর্জেন্টিনার সমর্থকদের সঙ্গে তার উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় হয় এবং তাদের দিকে থুতু ছিটানোর অভিযোগে ফিফা তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে পারে।
ম্যাচের প্রথম ভাগে মিশর দীর্ঘ সময় এগিয়ে ছিল। ইয়াসের ইব্রাহিম ও মোস্তফা জিকোর গোলে তারা ৭৯ মিনিট পর্যন্ত ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে ছিল। কিন্তু শেষ ১৪ মিনিটে ক্রিস্তিয়ান রোমেরো, লিওনেল মেসি ও এনজো ফার্নান্দেজের গোলে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা ৩-২ ব্যবধানে অবিশ্বাস্য জয় লাভ করে।
ম্যাচজুড়ে মিশর বেশ কয়েকটি বিতর্কিত রেফারিং সিদ্ধান্ত নিয়ে ক্ষুব্ধ ছিল। বিশেষ করে পেনাল্টির জন্য তাদের দুটি আবেদন নাকচ হওয়ায় খেলোয়াড় ও কোচিং স্টাফের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দেয়। পরে এক ভিএআর বিশেষজ্ঞ মন্তব্য করেন যে অন্তত একটি ঘটনায় মিশরের পেনাল্টি পাওয়ার সুযোগ ছিল।
ম্যাচ চলাকালীন ডাগআউটে আচরণের কারণে হলুদ কার্ড দেখে হোসাম হাসান। এরপর শেষ বাঁশি বাজার পর ঢাকা ড্রেসিংরুমে ফেরার পথে তিনি আর্জেন্টিনার সমর্থকদের সঙ্গে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় করেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, উত্তেজনার একপর্যায়ে তিনি সমর্থকদের দিকে থুতু ছিটান। এই ঘটনার নিয়ে ইতোমধ্যে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে।
ফিফার শৃঙ্খলাবিধি অনুযায়ী, কারও দিকে থুতু ছিটানো গুরুতর অসদাচরণ এবং এটি শারীরিক আক্রমণের পর্যায়ে বিবেচিত হয়। এই ধরনের অপরাধের জন্য অন্তত তিন ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা ছাড়াও আরও কঠোর শাস্তির বিধান রয়েছে।
ম্যাচ-পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে রেফারিং বিষয়ক প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে হোসাম হাসান সরাসরি কথা বলতে অস্বীকৃতি জানান। তিনি ফিলিস্তিন প্রসঙ্গে মানবিক অবস্থানের কথাও উল্লেখ করেন এবং বলেন, ‘আমরা চাই ফুটবল মানবতার বার্তা বহন করুক।’
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন