প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন যে, আগামী সপ্তাহে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু যুক্তরাষ্ট্র সফর করবেন। শুক্রবারের প্রাসঙ্গিক বক্তব্যে তিনি হোয়াইট হাউস করেসপন্ডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের নৈশভোজে এ তথ্য প্রকাশ করেন।
এই একই নৈশভোজে বক্তৃতা করার সময় ট্রাম্প বিরোধী ডেমোক্র্যাট নেতা ও মার্কিন সিনেটর চাক শুমারকে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যও করেছেন। তিনি বলেন, ‘আগামী সপ্তাহে নেতানিয়াহু ওয়াশিংটনে আসলে আমি শুমারকে একটি সুন্দর ফিলিস্তিনি পোশাক পাঠাব, যাতে সে নেতানিয়াহুকে স্বাগত জানাতে পারে।’
ট্রাম্প এর পর বলেন, ‘আমি আগামীকাল তাকে (চাক শুমারকে) একটি সুন্দর ফিলিস্তিনি পোশাক পাঠাব। যাতে আগামী সপ্তাহে বিবি নেতানিয়াহু শহরে আসলে সে তাকে স্বাগত জানাতে পারে।’ এরপর ট্রাম্প আরও বলেন, ‘সে ফিলিস্তিনি হয়ে গেছে।’ এছাড়াও তিনি বলেন, শরিয়া আইন এখন শুমারের ‘নতুন ভিত্তি’।
ট্রাম্পের এ মন্তব্য নতুন বিতর্কের সুত্রপাত ঘটিয়েছে, কারণ এর আগেও তিনি একাধিকবার চাক শুমারকে ‘ফিলিস্তিনি’ উল্লেখ করেছেন। সে সময় যুক্তরাষ্ট্রের মুসলিম ও ইহুদি অধিকারবিষয়ক বিভিন্ন সংগঠন তার সমালোচনা করেছিল।
অধিকারবিষয়ক সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে যে, ট্রাম্প ‘ফিলিস্তিনি’ শব্দটি অপমান ও গালির আকারে ব্যবহার করেন। তাদের মতে, এ ধরনের মন্তব্য ফিলিস্তিনিদের প্রতি অসম্মানজনক এবং বিভাজনমূলক।
এদিকে, নেতানিয়াহুর কার্যালয় জানিয়েছে, তিনি সোমবার ওয়াশিংটন সফরে যাবেন। সফরের দ্বিতীয় দিন, মঙ্গলবার, তিনি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠক করবেন। নেতানিয়াহুর অফিস এটিও জানিয়েছে যে, যুক্তরাষ্ট্র সফরের সময় তিনি প্রয়াত মার্কিন সিনেটর লিন্ডসি গ্রাহামের শেষকৃত্যেও অংশ নেবেন। ট্রাম্প এবং নেতানিয়াহুর বৈঠক এমন সময় অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে, যখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধ পাঁচ মাসে পৌঁছেছে। এ প্রেক্ষাপটে দুই নেতার বৈঠকে আঞ্চলিক নিরাপত্তা, যুদ্ধ পরিস্থিতি এবং মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক ইস্যুগুলোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হতে পারে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন