প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ফিফার সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর বিতর্কিত বেসরকারি বিনিয়োগ পরিকল্পনার প্রকাশ্য সমালোচনা করার পর কেভিন লামোর চাকরি হারালেন, যিনি ফিফার চিফ অপারেটিং অফিসার (সিওও) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। এ তথ্য সোমবার এক ফিফা কর্মকর্তার মাধ্যমে জানানো হয়েছে বিবিসিতে।
বিবৃতিতে ফিফার মুখপাত্র জানিয়েছেন, ‘ফিফা এবং প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা কেভিন লামোরের মধ্যে পেশাগত সম্পর্কের অবসান ঘটেছে ১৭ আগস্ট ২০২৬ তারিখে। ফিফা কেভিনের দুই বছরের সেবার জন্য ধন্যবাদ জানাচ্ছে এবং তাঁর ভবিষ্যৎ জীবনের জন্য সর্বাঙ্গীন মঙ্গল কামনা করছে।’
ইনফান্তিনোর প্রস্তাবিত ফিফা ফরোয়ার্ড এন্টারপ্রাইজ (এফএফই) পরিকল্পনা প্রকাশ হওয়ার পর কেভিন লামোর কঠোর সমালোচনা করেছিলেন। তাঁর অভিযোগ ছিল, ফিফার প্রশাসনকে এই পরিকল্পনা সম্পর্কে প্রতারণার শিকার করা হয়েছে।
তিনি আরও উল্লেখ করেছিলেন, ইনফান্তিনো মনে করেন, ‘তিনি নিজেই ফিফার প্রতিচ্ছবি, অথচ তাঁর কাজ ফিফার সেবায় থাকা।’
লামোর বলেছিলেন, এই অবস্থানের কারণে চাকরি হারানোর ঝুঁকি থাকলেও তিনি পিছু হটবেন না। ‘যদি এর অর্থ হয় আমি চাকরি হারাব, তাহলে তাই হোক। আমি সেই সিদ্ধান্ত বুঝব এবং সম্মান করব। অন্তত রাতে শান্তিতে ঘুমাতে পারব।’
লামোর ২০০৭ সালে ইউরোপীয় ফুটবল নিয়ন্ত্রক সংস্থা ইউয়েফায় যোগদান করেছিলেন। সর্বশেষ ইউয়েফার উপ-মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালনের পর ২০২৪ সালের নভেম্বর মাসে ফিফায় যোগ দেন।
ইনফান্তিনোর ঠিক দুই স্তর নিচে ছিল লামোরের পদমর্যাদা। চলতি মাসের শুরুতে মরক্কোয় ইনফান্তিনো শীর্ষ নির্বাহীদের সমর্থন পেলেও, বিবিসি স্পোর্টের তথ্য অনুযায়ী সেই বৈঠকে লামোরকে ন্যূনতম আমন্ত্রণ জানানো হয়নি।
লামোরকে বরখাস্তের নির্দিষ্ট কারণ ফিফা প্রকাশ করেনি। তবে, ফিফার মহাসচিব ম্যাথিয়াস গ্রাফস্ট্রম কর্মীদের কাছে পাঠানো এক ই-মেইলে জানান, লামোর সংস্থাটি ছাড়ছেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন