প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
শ্রীলঙ্কায় টানা ভারী বর্ষণে যেটি ভূমিধস এবং আকস্মিক বন্যা সৃষ্টি করেছে, তাতে অন্তত সাতজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও কয়েকজন। পরিস্থিতির অবনতি ঘটার কারণে দেশের মধ্যাঞ্চলের পার্বত্য এলাকার সব স্কুল কর্তৃপক্ষ সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছে।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) এ তথ্যটি আল জাজিরা প্রকাশ করেছে। আল জাজিরার প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, দেশের চা উৎপাদনকারী পার্বত্য অঞ্চলে ভারী বৃষ্টির কারণে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। অঞ্চলটি এখনো গত নভেম্বরে আঘাত হানা ঘূর্ণিঝড় দিতওয়াহের ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে চেষ্টা করে যাচ্ছে। প্রসঙ্গত, ওই দুর্যোগে প্রায় ৬৪০ জন নিহত হন এবং আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ ছিল প্রায় ৪ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলার।
সরকারের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্রের মুখপাত্র প্রদীপ কোডিপ্পিলি জানিয়েছেন, মধ্যাঞ্চলে ভূমিধসে দুটি বাড়ি চাপা পড়ে পাঁচ জন মারা গেছেন। এছাড়া বন্যার পানির কারণে ডুবে পড়া আরো দুজনের মৃত্যু হয়েছে। তিনি বলেন, ভারী বৃষ্টির ফলস্বরূপ এবং বন্যার কারণে অন্তত ১২৯টি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং প্রায় সাড়ে তিন হাজার মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
বন্যাকবলিত এলাকার আটকে থাকা বাসিন্দাদের উদ্ধার করতে নৌবাহিনী ও স্থলবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম হিরু টিভির প্রকাশিত ফুটেজে দেখা যাচ্ছে, পানিতে তলিয়ে যাওয়া সড়ক পার হয়ে সেনাসদস্যরা ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে উদ্ধার করছেন।
শ্রীলঙ্কার নুয়ারা এলিয়া ও বাদুল্লা জেলা উচ্চ পাহাড়ি ভূখণ্ডে অবস্থিত। টানা বর্ষণের ফলে এসব এলাকায় প্রায়ই ভূমিধসের ঘটনা ঘটে। বিশেষজ্ঞদের মতে, অতিবৃষ্টির কারণে পাহাড়ের স্যাঁতসেঁতে ঢাল ধসে পড়লে ঝুঁকি আরও বেড়ে যায়।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কবে খুলবে, সে বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নেয়া হয়নি। আবহাওয়ার পরিস্থিতি বিবেচনা করে পরবর্তী সময় ঘোষণা দেওয়া হবে।
সূত্র : আল জাজিরা।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন