প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি ও ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলার প্রতিটি গ্রাম, ইউনিয়ন, ওয়ার্ড ও অলিগলিতে সন্ত্রাস ও মাদকবিরোধী জনসচেতনতামূলক প্রচারণা চালানোর ঘোষণা দিয়েছেন চট্টগ্রাম-২ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) সরোয়ার আলমগীর। একই সঙ্গে আগামী প্রজন্মকে মাদক ও সন্ত্রাস থেকে রক্ষা করতে এ কর্মসূচিকে ধারাবাহিক সামাজিক আন্দোলনে রূপ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে তিনি।
শুক্রবার (২৮ আগস্ট) ফটিকছড়ি উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত মাদকবিরোধী র্যালি ও সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সরোয়ার আলমগীর বলেন, ‘আজ থেকে চট্টগ্রাম-২ নির্বাচনী এলাকার ফটিকছড়ি ও ফটিকছড়ি উত্তর- এই দুই উপজেলায় আমাদের সন্ত্রাস ও মাদকবিরোধী প্রচারণা চলবে। প্রতিটি গ্রাম, প্রতিটি ইউনিয়ন, প্রতিটি ওয়ার্ড ও প্রতিটি অলিগলিতে এই জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে, ইনশাআল্লাহ।’
মাদকাসক্ত ব্যক্তিদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে পরিবার ও সন্তানের ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, পরিবারের সদস্যদের সচেতনতা ও অনুপ্রেরণায় একজন মাদকাসক্ত ব্যক্তি স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে পারেন।
সন্তানদের বাবাকে মাদক ছেড়ে স্বাভাবিক ও কর্মমুখী জীবনে ফিরে আসার জন্য উৎসাহিত করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবারের সদস্যদের সচেতন ভূমিকা একজন মাদকাসক্ত ব্যক্তিকে পরিবর্তনের পথে এগিয়ে নিতে সহায়তা করতে পারে।
অভিভাবকদের প্রতি সরোয়ার আলমগীর বলেন, মাগরিবের পর সন্তানরা যেন অপ্রয়োজনে ঘরের বাইরে না থাকে, সেদিকে বাবা-মাকে নজর রাখতে হবে। সন্তান কার সঙ্গে মিশছে, কোথায় যাচ্ছে এবং কার সঙ্গে সময় কাটাচ্ছে, এসব বিষয়ে অভিভাবকদের নিয়মিত খোঁজখবর রাখতে হবে।
তিনি বলেন, আগামী প্রজন্মকে মাদক ও সন্ত্রাস থেকে দূরে রাখতে পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, প্রশাসন ও সমাজের সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।
এর আগে উপজেলার নাজিরহাট ঝংকার মোড় থেকে মাদকবিরোধী র্যালিটি শুরু হয়। র্যালিটি চট্টগ্রাম-খাগড়াছড়ি আঞ্চলিক মহাসড়ক প্রদক্ষিণ করে বিবিরহাট বাজারের মুক্তিযোদ্ধা চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাঈদ মোহাম্মদ ইব্রাহীমের সভাপতিত্বে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
র্যালিতে উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের প্রধান ও কর্মকর্তা-কর্মচারী, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী, শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা অংশ নেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন