প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়কমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান জানিয়েছেন, ন্যায়বিচারের প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করা তথা মানবাধিকারের বিষয়টি নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। তিনি উল্লেখ করেছেন, প্রত্যেক মানুষের কিছু অবিচ্ছেদ্য, সহজাত এবং সর্বজনীন অধিকার রয়েছে। নাগরিকদের যাতে এসব অধিকার প্রয়োগ করার সুযোগ থাকে, তা নিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্ব।
শনিবার সকালে গাজীপুরের রাজেন্দ্রপুরে ব্র্যাক-সিডিএম-এর আয়োজনে বিচারক, লিগ্যাল এইড কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের অংশগ্রহণে ‘এক্সিলারেটিং ডিজিটাল লিগ্যাল এইড সার্ভিস ইন বাংলাদেশ’ প্রকল্পের দুই দিনব্যাপী সমন্বয় সভার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
আইনমন্ত্রী আরও বলেছেন, ন্যায়বিচারের প্রবেশাধিকার কোনো বিরোধ নিষ্পত্তি কিংবা মধ্যস্থতার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং তার মূল লক্ষ্য হলো প্রত্যেক নাগরিকের মানবাধিকার সুরক্ষা এবং সংরক্ষণ নিশ্চিত করা। এমনকি গুরুতর অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তিরও আত্মপক্ষ সমর্থনের অধিকার রয়েছে, এবং রাষ্ট্রকে সেই অধিকার নিশ্চিত করতে হবে।
তিনি বলেন, বিচারককে আইনের কালো অক্ষরের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা উচিত নয়। মামলার বাস্তবতা, সামাজিক প্রেক্ষাপট এবং ন্যায়বিচারের উদ্দেশ্য মাথায় রেখে আইনকে ব্যাখ্যা করা উচিত। বিচারিক কর্মকর্তাদের মূলত জনগণের সেবা করতে হবে।
আইনমন্ত্রী আরও জানান, বর্তমানে দেশে ৪৫ লাখেরও বেশি বিচারাধীন মামলা রয়েছে। আগামী এক বছরের মধ্যে এই মামলা সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমানোর লক্ষ্য রয়েছে। এই লক্ষ্যে লিগ্যাল এইড, মধ্যস্থতা, ডিজিটাল প্রযুক্তি ও বিচারিক কার্যক্রমের সমন্বিত ব্যবহার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
সভাটিতে বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. মঞ্জুরুল হোসাইন সভাপতিত্ব করেন। সভায় ইউএনডিপি বাংলাদেশের সিনিয়র রুল অব ল, জাস্টিস অ্যান্ড সিকিউরিটি অ্যাডভাইজার রোমানা শোয়েগার, বাংলাদেশে ইউরোপীয় ইউনিয়নের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স বাইবা জারিনা এবং আইন ও বিচার বিভাগের সচিব লিয়াকত আলী মোল্লা ও অন্যান্যরা বক্তব্য রাখেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন