প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
তিনি বলেছেন, "প্রয়োজনে রাজনৈতিক ঐকমত্য তৈরি করে জামায়াত-শিবিরের মতো সংগঠনকে নিষিদ্ধ করতে হবে।"
গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক এমন মন্তব্য করেন গত বৃহস্পতিবার দুপুরে, কুষ্টিয়ায় জামায়াত-শিবিরের সংঘর্ষে আহত ছাত্র অধিকার পরিষদের নেতা সোহানুর রহমানকে দেখতে গিয়ে। তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গিয়েছিলেন। হাসপাতালের সামনে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি এ কথাগুলো বলেন।
নুরুল হক উল্লেখ করেন যে, বিগত আওয়ামী লীগ সরকার জামায়াত-শিবিরকে নিষিদ্ধ করেছিল এবং পরে অন্তর্বর্তী সরকার সেই নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়। তিনি বলেছেন, "বিষয়টি নিয়ে এখন নির্বাচিত সরকারকে গুরুত্বের সঙ্গে ভাবতে হবে। প্রয়োজনে সব রাজনৈতিক দলের ঐকমত্যের ভিত্তিতে এই উগ্রবাদী সংগঠনটিকে নিষিদ্ধ করা প্রয়োজন।"
নুরুল হক আরও বলেন, জামায়াত সুযোগ পেলে আ.লীগের চেয়েও বড় ফ্যাসিস্ট হবে। ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানে গণহত্যার দায়ে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, "১৯৭১ সালে এর চেয়েও ভয়াবহ গণহত্যা, লুটপাট ও গণধর্ষণ সংঘটিত হয়েছিল।"
তিনি যুক্ত করেন যে, ওই ইতিহাস ও কর্মকাণ্ডের বিচারে জামায়াত-শিবিরকেও নিষিদ্ধ করা দরকার। নাহলে দেশে উগ্রবাদ মাথাচাড়া দিতে পারে এবং বৈশ্বিকভাবে দেশের ভাবমূর্তি সংকটে পড়তে পারে।
গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি অভিযোগ করেন, অতীতে মজলুমের ভূমিকায় থাকলেও বিগত কয়েক মাসে জামায়াত-শিবির জালেম সংগঠনে পরিণত হয়েছে। তারা দেশে ফ্যাসিবাদী আচরণের মাধ্যমে রগকাটা, দখলদারিত্ব ও তাণ্ডবের পুরোনো ইতিহাস ফিরিয়ে আনছে।
এছাড়া নুরুল হক বলেন, ইসলামী ব্যাংকসহ বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও ক্ষমতার ভাগ-বাঁটোয়ারা দখলের চেষ্টায় জামায়াত বর্তমান সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টি করছে।
তিনি ওয়াজ ও জুমার খুতবায় বিতর্কিত বক্তব্যের জন্য মাওলানা আমির হামজারের সমালোচনা করে বলেন, "এই ধরনের বিদ্বেষমূলক বক্তব্যের সমর্থনে জামায়াতের বিবৃতি তাদের নৈতিক অধঃপতনকে স্পষ্ট করে।" তিনি রাজনৈতিক স্বার্থে ধর্মের ব্যবহারের সমালোচনা করেন এবং দলটির নাম থেকে ‘ইসলাম’ শব্দটি বাদ দেওয়ার আহ্বান জানান।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন