প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রথম ভাষণে জলবায়ু পরিবর্তনের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরবেন বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। তিনি জানান, বাংলাদেশ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মঞ্চকে কাজে লাগাবে, যাতে বিশ্বমঞ্চে জলবায়ু ন্যায়বিচারের দাবি জোরালো করা এবং পরিবেশবান্ধব পাটজাত পণ্যের সুফল তুলে ধরা যায়। আগামী নভেম্বরে অনুষ্ঠেয় জাতিসংঘের জলবায়ু সম্মেলন (কপ-৩১) এর মধ্যে রয়েছে।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাজধানীতে ‘পারসুয়িং ক্লাইমেট জাস্টিস থ্রু ক্লাইমেট ডিপ্লোমেসি’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় বক্তৃতাকালে তিনি এসব কথা বলেন।
শামা ওবায়েদ বলেন, জলবায়ু কূটনীতি জোরদার করা এবং এ বিষয়ে আন্তর্জাতিক যোগসূত্র বাড়াতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে প্রথমবারের মতো একটি পৃথক ‘জলবায়ু পরিবর্তন অনুবিভাগ’ খোলা হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত বিষয়গুলোতে তারা পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করছেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় সরকারের অঙ্গীকার প্রতিফলিত হবে এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সামনে বাংলাদেশের অবস্থান ও অগ্রাধিকার তুলে ধরা হবে।
তিনি জানান, আসন্ন জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামী ২১ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করবেন। তিনি ২৪ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘে ভাষণ দেবেন এবং ২৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করবেন। এ ছাড়া আগামী নভেম্বরে বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলনেও (কপ-৩১) প্রধানমন্ত্রীর অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।
শামা ওবায়েদ বলেন, নারী ও শিশুরা প্রাকৃতিক দুর্যোগ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের অন্যান্য পরিণতির কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে রয়েছে। তাই বৈশ্বিক জলবায়ু আলোচনায় তাদের ঝুঁকি ও সুরক্ষার প্রয়োজনীয়তাকে গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরার ওপর জোর দেন তিনি।
প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে নারী ও শিশুরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বৈশ্বিক জলবায়ু আলোচনায় তাদের সুরক্ষা ও ঝুঁকির বিষয়টি জোরালোভাবে তুলে ধরা প্রয়োজন। তিনি বলেন, ‘আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আমরা স্পষ্ট জানাব যে, এদের সুরক্ষায় কী কী পদক্ষেপ নেওয়া দরকার। পাশাপাশি জলবায়ু সংকট মোকাবেলায় পাটজাত পণ্যের ব্যবহার ও সুবিধার কথাও তুলে ধরব।’
তিনি বলেন, বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী ও পরিবেশবান্ধব পাটজাত পণ্য প্লাস্টিকসহ অন্যান্য দূষণকারী উপকরণের ওপর নির্ভরতা কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। সরকারের বৃক্ষরোপণ ও খাল খনন কর্মসূচির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ ধরনের উদ্যোগ জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব কমানোর পাশাপাশি পরিবেশগত সুরক্ষা জোরদারে ভূমিকা রাখবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন