০২:২১ পি.এম
ফিফা থেকে ১৫ ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা পেয়েছেন বাংলাদেশের জাতীয় দলের স্ট্রাইকার আল আমিন। এছাড়া, মিরাজুলকেও নতুন করে শাস্তির আওতায় আনা হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেন বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক ইমরান হোসেন তুষার।
জুন মাসে মালদ্বীপে চার জাতির টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণ করেছিল বাংলাদেশ। ওই টুর্নামেন্টে বাংলাদেশ এবং স্বাগতিক মালদ্বীপের মধ্যে একটি ম্যাচের এক পর্যায়ে উভয় দলের খেলোয়াড়রা মারামারিতে জড়িয়ে পড়ে। মালদ্বীপের কয়েকজন ফুটবলার মারমুখী আচরণ করেন এবং বাংলাদেশি খেলোয়াড়দের ওপর শারীরিক আঘাতও করেন।
রেফারিং ছিল প্রশ্নবিদ্ধ। টুর্নামেন্ট শেষ হওয়ার এক সপ্তাহ পর ফিফা বাংলাদেশের ম্যানেজার ও ফুটবলার মিরাজুলকে এক দফা শাস্তি দেওয়ার মাধ্যমে আর্থিক জরিমানা করে। আল আমিনের বিষয়টি নজরদারিতে রেখে, ফিফা ১৫ ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ করেছেন।
আরও পড়ুন: নেসেটে ১৯ আসন পেয়েও সংশয়: নেতানিয়াহুকে ক্ষমতাচ্যুত করতে পারবে তো আরব দলগুলো?
নতুন নিয়মে প্রথম শাস্তি পেলেন নেইমার। মালদ্বীপ ফুটবলের ৭৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে 'ডায়মন্ড জুবিলি ফুটবল টুর্নামেন্টে' আয়োজন করেছে দেশটি। গত ৭ জুন রাতে, স্বাগতিক মালদ্বীপের বিপক্ষে বাংলাদেশ অলিম্পিক দলের একটি বাঁচা–মরার ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়, যা যেন রণক্ষেত্রে পরিণত হয়।
রেফারির একের পর এক বিতর্কিত সিদ্ধান্ত উত্থাপন করায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়, যা পরে হাতাহাতি এবং মারামারিতে গড়ায়। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছে যে, বাংলাদেশের আল-আমিন এবং মিরাজুল ইসলাম লাল কার্ড দেখেন। মাঠে উত্তাপ ছড়িয়ে পড়ে গ্যালারিতেও।
ঘটনাটি ঘটেছিল যোগ করা সময়ে। বল দখলের লড়াইয়ে বাংলাদেশের পিয়াস আহমেদের সঙ্গে সংঘর্ষের ফলে মালদ্বীপের হাসান ইনাজ মাঠে পড়ে যান। রেফারি সেকারান সেন্থিলনাথন সঙ্গে সঙ্গেই মালদ্বীপের পক্ষে ফ্রি-কিকের সিদ্ধান্ত দেন, এতে বাংলাদেশি খেলোয়াড়েরা ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন।
সাইড বেঞ্চ থেকে উঠে এসে প্রতিবাদ করায় প্রথমে লাল কার্ড দেখেন মিরাজুল ইসলাম। পরবর্তীতে মাঠের ভিডিও রেফারির সিদ্ধান্তের তীব্র বিরোধিতা করায় আল-আমিনও লাল কার্ড পান। লাল কার্ড দেখার পর তিনি নিজের মেজাজ নিয়ন্ত্রণে রাখতে না পেরে রেফারিকে ধাক্কা দেন।
আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রী চার দিনের জাপান সফর শেষে আজ দেশে ফিরছেন
হট্টগোলে খেলা বন্ধ থাকার পর আবার শুরু হলেও মাঠের পরিস্থিতি ছিল চরম উত্তপ্ত। কিছুক্ষণ পর বাংলাদেশের অর্ধে বল দখলের লড়াইয়ে মালদ্বীপের ইব্রাহিম নাসির এবং বাংলাদেশের মনজুরুর রহমান বাদানুবাদে জড়িয়ে পড়েন। মুহূর্তের মধ্যে দুই দলের খেলোয়াড়েরা সেখানে জড়ো হয়ে একে অপরের ওপর চড়াও হন।
শুরু হয় তুমুল হাতাহাতি ও মারামারি। মাঠের এই পরিস্থিতি দেখে গ্যালারিতে থাকা বাংলাদেশি সমর্থকদের মধ্যেও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। শেষে, দুই দলের কোচিং স্টাফ ও কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপের মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। শেষ অব্দি ১-১ গোলের সমতা নিয়েই মাঠ ছাড়ে দুই দল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন