প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
দেশের ১৫টি সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজে এখন দ্বিতীয় শিফটে কোনো শিক্ষার্থী নেই, এই কারণে সরকার ব্যাখ্যা তলব করেছে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর।
রাষ্ট্রীয় সম্পদ ও জনবলের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর অধ্যক্ষদের কাছে শিক্ষার্থী শূন্য থাকার কারণ ব্যাখ্যা করার জন্য এবং শিক্ষক-কর্মচারীদের কাজের তথ্য চাওয়া হয়েছে।
কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের এক চিঠিতে এসব নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, অনলাইনে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ১৫টি সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজে বর্তমানে দ্বিতীয় শিফটে কোনো শিক্ষার্থী অধ্যয়নরত নেই। দ্বিতীয় শিফটে শিক্ষার্থী না থাকার কারণ উদঘাটন করে সেই সম্পর্কিত সমাধান এবং জনবলসহ সম্পদের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
এই পরিস্থিতির সমাধান এবং সার্বিক অবস্থা মূল্যায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট অধ্যক্ষদের তিনটি ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট তথ্য প্রদানের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে-
এক. দ্বিতীয় শিফটে শিক্ষার্থী ভর্তি না হওয়ার কারণ এবং এর সমাধানের জন্য সুনির্দিষ্ট প্রস্তাবনা।
দুই. শিক্ষার্থী ভর্তির জন্য প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ এ পর্যন্ত কী কী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে তার বিস্তারিত প্রমাণসহ তথ্য।
তিন. দ্বিতীয় শিফটে কর্মরত শিক্ষক ও কর্মচারীরা বর্তমানে কী ধরনের দায়িত্ব পালন করছেন তার প্রমাণকসহ বিবরণ।
চিঠি পাওয়ার ৩ কার্যদিবসের মধ্যে এসব বিষয়ে মতামত ও প্রয়োজনীয় তথ্যাদি কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরে পাঠাতে বলা হয়েছে।
তলব করা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে- মাদারীপুর সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ, গোপালগঞ্জ সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ, শরীয়তপুর সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ, বান্দরবান সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ, পিরোজপুর সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ, ঝালকাঠি সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ, ভোলা সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ, পটুয়াখালী সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ, বরগুনা সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ, বাগেরহাট সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ, সাতক্ষীরা সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ, নড়াইল সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ, নওগাঁ সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ, নাটোর সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ এবং জয়পুরহাট সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন