প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ইউক্রেনের হামলায় সেভাস্তোপোল, যা ক্রিমিয়ার বৃহত্তম শহর, বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যাহত হয়েছে। উভয় পক্ষ বিষয়টি বুধবার নিশ্চিত করেছে। ২০১৪ সালে রাশিয়ার সঙ্গে যুক্ত হওয়া এই উপদ্বীপকে বিচ্ছিন্ন করার প্রচেষ্টা কিয়েভের তরফ থেকে আরো জোরদার করা হয়েছে। এই প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে ইউক্রেন ক্রিমিয়ায় হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। মস্কো থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এই খবরটি জানিয়েছে। রাশিয়ার নিয়ন্ত্রিত ক্রিমিয়ায় জনসাধারণের কাছে জ্বালানি বিক্রি সাময়িকভাবে বন্ধ করা হয়েছে। কারণ ইউক্রেনীয় বাহিনী ওই অঞ্চলে রাশিয়ার সরবরাহ ব্যবস্থাকে লক্ষ্য করে হামলা চালাচ্ছে। পাশাপাশি রাশিয়ার দক্ষিণে বেশ কয়েকটি তেল শোধনাগার ও মজুতকেন্দ্রেও হামলা হয়েছে, যেগুলো ক্রিমিয়ায় জ্বালানি সরবরাহ করে। সেভাস্তোপোলের গভর্নর মিখাইল রাজভোজায়েভ মস্কোর নিয়োগপ্রাপ্ত, তিনি বাসিন্দাদের দুর্বল ও অসহায় প্রতিবেশীদের সহায়তার জন্য এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন। একইসাথে তিনি জরুরি যোগাযোগের জন্য মোবাইল ফোনের ব্যাটারি সংরক্ষণ ও বিদ্যুৎ ব্যবস্থার ওপর অতিরিক্ত চাপ না দেওয়ার অনুরোধ করেছেন। মিখাইল রাজভোজায়েভ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লেখেন, ‘শত্রু আবারও বিশ্বাসঘাতকতার সঙ্গে হামলা চালাচ্ছে। তারা আমাদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত করতে ও আতঙ্ক ছড়ানোর চেষ্টা করছে।’ তিনি জানিয়েছেন, শহরের কিছু এলাকায়—যেখানে তাপমাত্রা প্রায় ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াস—সে সব এলাকায় বুধবার সন্ধ্যা পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ থাকবে না। এদিকে, স্থানীয় গভর্নররা জানান, রাশিয়ার নিঝনি নভগোরোদ অঞ্চলে ইউক্রেনের পৃথক ড্রোন হামলায় দুইজন এবং সীমান্তবর্তী বেলগোরোদ অঞ্চলে একজন নিহত হয়েছেন। অন্যদিকে, রুশ ড্রোন হামলায় ইউক্রেনের সীমান্তবর্তী খারকিভ অঞ্চলে ৫৬ বছর বয়সী এক নারী নিহত হয়েছেন বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, গত রাতে ইউক্রেন থেকে ছোড়া ৩ শতাধিক ড্রোন ধ্বংস করেছে সে দেশের বাহিনী। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে দুই দেশের হামলা-পাল্টা হামলা বেড়ে গেছে। ইউক্রেনের বিমান বাহিনী জানায়, বুধবার রাতে রাশিয়া ইউক্রেনে ১০১টি ড্রোন ছুড়েছে, এর মধ্যে ৯৫টি ধ্বংস করা হয়েছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপের সবচেয়ে ভয়াবহ এ সংঘাত বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন আলোচনা কার্যত স্থবির হয়ে আছে। ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে ইরানে হামলা শুরুর পর ওয়াশিংটনের মনোযোগ মধ্যপ্রাচ্যের দিকে চলে গেছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন