প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
রাঙ্গামাটির সাজেকে আটকা পরা পর্যটকদের মধ্যে ৫৬১ জনের মধ্যে ১৫০ পর্যটক সেনা সহায়তায় সাজেক ছেড়ে গেছেন। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) বিকেলে তারা সাজেক ত্যাগ করেন।
বাঘাইহাট সেনা জোন ক্রমেই জানিয়েছে, ভারী বর্ষণজনিত কারণে সড়ক ডুবে যাওয়ার ফলে ৫৬১ জন পর্যটক সাজেকে আটকা পড়ে। তাদের মধ্যে থেকে ১৫০ পর্যটক সেনাবাহিনীর সহায়তায় সাজেক থেকে চলে গেছেন। তাঁদের সড়কের বিভিন্ন স্থান থেকে নৌকা দিয়ে পার করা হয়। এর মধ্যে ১০০ পুরুষ, ৪০ নারী এবং ১০ জন শিশু ছিলো। বাকি যারা রয়েছেন, তাদের বিষয়ে পরবর্তীতে ব্যবস্থা নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
সাজেক রিসোর্ট মালিক সমিতির সভাপতি সুপর্ণ দেব বর্মন মন্তব্য করেছেন, যাদের জরুরি কাজ ছিলো, তারা অনেকেই সেনাবাহিনীর সহযোগিতায় সাজেক ছেড়ে গেছেন। বাকিরা তখনো সেখানে অবস্থান করছেন। সড়ক থেকে পানি সরে গেলে বাকিরা ফিরবেন, এটাই প্রত্যাশা।
রাঙ্গামাটির জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী জানিয়েছেন, পানি কিছুটা কমে আসায় এবং যাদের জরুরি কাজ ছিলো, তাদের মধ্যে ১৫০ পর্যটক সেনাবাহিনীর সহায়তায় সাজেক ছেড়েছেন। আমরা রিসোর্ট মালিকদের সাথে আলোচনা করে প্রথম দিনে রুম সার্ভিস বিনামূল্যে দিয়ে থাকার ব্যবস্থা করেছি। পরে সাজেক রিসোর্ট মালিক সমিতির সঙ্গে কথা বলে তাদের থাকা-খাওয়া বিনামূল্যে করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
কয়েক দিনের টানা বর্ষণের ফলস্বরূপ খাগড়াছড়ি-সাজেক সড়কের কিছু স্থান ডুবে যায়, যার কারণে পর্যটকরা সাজেকে আটকা পড়েন। অতি ভারী বর্ষণের কারণে পর্যটকদের নিরাপত্তার স্বার্থে জেলা প্রশাসন ৭ জুলাই-এর সন্ধ্যা থেকে সাজেক ভ্রমণে অনির্দিষ্টকালের জন্য নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। তবে আটকা পড়া পর্যটকরা তার আগেই সাজেক পৌঁছেছিলেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন