জাকির হোসেন পাটোয়ারী রাজবাড়ী প্রতিনিধি
০৯:১৬ পি.এম
রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলায় একটি মর্মান্তিক ঘটনার মধ্যে দিয়ে জুনায়েদ নামে দুই বছরের এক শিশুর পানিতে ডুবে মৃত্যু ঘটে।
এই দুর্ঘটনা রবিবার (৯ আগস্ট) বিকেল আনুমানিক ৫টার দিকে উপজেলার নবাবপুর ইউনিয়নের বনগ্রাম চরের মাঠ এলাকায় ঘটে।
নিহত শিশু জুনায়েদ ছিল জিল্লু মণ্ডলের দুই বছরের ছেলে, এবং স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বাড়ির পাশে টিউবওয়েল পানি নিষ্কাশন করার জন্য খোঁড়া একটি হাউজে অসাবধানতাবশত সে পড়ে যায়।
পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি টের পেয়ে শিশুটিকে দ্রুত উদ্ধার করে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসার চেষ্টা করেছিল।
কিন্তু, শেষ পর্যন্ত শিশুটিকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি।
শিশুটির অকাল মৃত্যুতে পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
এ ছাড়া, স্থানীয়দের মধ্যেও এ ঘটনায় গভীর শোক ও সমবেদনা বিরাজ করছে।
এ ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে দয়া করে বাড়ির আশপাশে খোলা গর্ত, হাউজ ও পানির স্থানগুলো নিরাপদভাবে ঢেকে রাখার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) সভাপতি তাবিথ আউয়াল ফিফার প্রস্তাবিত ‘ফিফা ফরোয়ার্ড এন্টারপ্রাইজ’-এর বিষয়টি স্পষ্ট করেছেন। তিনি জানান, বাংলাদেশ এই প্রকল্পটিতে কোনো আগাম সমর্থন দেয়নি। বরং, বাফুফের নির্বাহী কমিটি আলোচনা করার আগেই ফিফা প্রস্তাবটি বাতিল করে দেয়।
সম্প্রতি একটি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর এই প্রকল্পে বাংলাদেশ সমর্থন জানিয়েছিল। সেই দাবির প্রেক্ষিতে তাবিথ তাদের অবস্থান পরিষ্কার করেন। তিনি গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে বলেন, “আমরা কোনো অগ্রিম সমর্থন বা নিশ্চিতকরণ দিইনি। কোনো ব্যক্তির জন্যও দিইনি, কোনো প্রতিষ্ঠানের পক্ষেও দিইনি। ‘ফিফা ফরোয়ার্ড এন্টারপ্রাইজ’ নামের যে প্রোগ্রাম নিয়ে সদস্য অ্যাসোসিয়েশনগুলোর মতামত চাওয়া হয়েছিল, আমাদের নির্বাহী কমিটি সেটি বিবেচনা করার আগেই ফিফা তা বাতিল ঘোষণা করেছে।”
এই প্রস্তাব কার্যত বিশ্বকাপের বাণিজ্যিক কাঠামোয় বড় ধরনের পরিবর্তনের উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছিল। পরিকল্পনা অনুসারে, বিশ্বকাপের প্রায় ২০ শতাংশ মালিকানা একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কাছে দেওয়ার কথা ছিল। এর বিনিময়ে ফিফার সদস্য অ্যাসোসিয়েশনগুলো ভবিষ্যতে সর্বোচ্চ ৪০ মিলিয়ন ডলার পর্যন্ত আর্থিক সুবিধা পেতে পারে। বর্তমানে সদস্য অ্যাসোসিয়েশনগুলোর জন্য এই সুবিধার পরিমাণ প্রায় ১০ মিলিয়ন ডলার। যদি প্রস্তাবটি বাস্তবায়িত হত, তাহলে বিশ্বজুড়ে ফিফার সদস্য দেশগুলোর জন্য আর্থিক সুবিধা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যেত। তবে বিশ্বকাপের মালিকানা ও ব্যবস্থাপনায় বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণ নিয়ে প্রশ্নও উঠছিল। ফিফা এবং উয়েফার অবস্থানের পার্থক্য আন্তর্জাতিক ফুটবল প্রশাসনে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।
তাবিথ আউয়ালের মতে, উয়েফার শক্ত অবস্থানের কারণে বিষয়টি এখন শুধু ফুটবল প্রশাসনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই; বরং এর সঙ্গে ভূরাজনৈতিক বিষয়ও যুক্ত হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, ‘ইস্যুটা উয়েফার একটি শক্ত ভূমিকার কারণে ভূরাজনৈতিক রূপ নিচ্ছে। এ কারণে আমি মনে করি, নির্বাহী কমিটির পাশাপাশি আমাদের ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গেও কথা বলতে হবে। সার্বিক বিষয় নিয়ে আলোচনা করেই আমরা ভবিষ্যতে আমাদের অবস্থান জানাব।’
বাফুফে সভাপতির বক্তব্যে এটি পরিষ্কার যে, আন্তর্জাতিক ফুটবলের গুরুত্বপূর্ণ কোনো বিষয় নিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে অবস্থান নিতে চায় বাংলাদেশ। তাবিথের বক্তব্য অনুযায়ী, কোনো আন্তর্জাতিক প্রস্তাবের ক্ষেত্রে বাফুফের নির্বাহী কমিটিতে আলোচনা ও সিদ্ধান্তের পরই আনুষ্ঠানিক অবস্থান জানানো হয়। তাই কমিটির সিদ্ধান্তের আগে বাংলাদেশের সমর্থনের খবরকে বাফুফের আনুষ্ঠানিক অবস্থান হিসেবে দেখা যাবে না।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেড় বছর ধরে আলোচনার পর, সিরিয়ায় অবস্থিত রাশিয়ার দুটি সামরিক ঘাঁটির ভবিষ্যৎ নিয়ে একটি সমঝোতা চুক্তিতে পৌঁছেছে উভয় দেশ।
রবিবার (৯ আগস্ট) সিরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, হমেইমিম বিমানবন্দর ও তারতুস বন্দরের বাণিজ্যিক জেটিসহ বেসামরিক স্থাপনাগুলোর পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করবে।
এতে উল্লেখ করা হয়, সেগুলোকে পর্যায়ক্রমে দেশের বেসামরিক প্রশাসনের আওতাভুক্ত করা যাবে।
দেশটিতে চলা গৃহযুদ্ধের সময়, ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদকে সহায়তা করার কাজে এই ঘাঁটিগুলো ব্যবহৃত হয়েছিল।
এতে আরও বলা হয়, সামরিক স্থাপনাগুলোকে উভয় পক্ষের স্বার্থ রক্ষাকারী নতুন ব্যবস্থার অধীনে যৌথ প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়ন কেন্দ্র হিসেবে রূপান্তর করা হবে।
এই রূপান্তর প্রক্রিয়া তিন মাসের মধ্যে সম্পন্ন হবে।
ভূমধ্যসাগরীয় ও মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে মস্কোর প্রধান সামরিক ঘাঁটি হিসেবে তারতুসের নৌ-স্থাপনা ও হমেইমিম বিমানঘাঁটি দীর্ঘকাল ধরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।
২০২৪ সালের ডিসেম্বরে সাবেক প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদ ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর থেকেই সিরিয়ার নতুন নেতৃত্বের সঙ্গে এগুলোর ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা চলছিল।
আলাদা এক বিবৃতিতে সিরিয়ার ‘জেনারেল অথরিটি ফর পোর্টস অ্যান্ড কাস্টমস’ জানিয়েছে, তারতুস বন্দরে আগে রাশিয়ার পরিচালনায় থাকা বাণিজ্যিক এলাকাগুলোর মধ্যে ৪ নম্বর জেটি এবং এর সংলগ্ন গুদাম ও অন্যান্য স্থাপনা অন্তর্ভুক্ত, দায়িত্ব সিরিয়া গ্রহণ করবে।
গত মাসে রয়টার্স জানিয়েছিল, মস্কো তারতুস বন্দরে ৪ নম্বর জেটি ব্যবহার করে একটি বাণিজ্যিক লজিস্টিকস হাব বা কেন্দ্র গড়ে তোলার চেষ্টা করছে।
এটি নৌ-ঘাঁটির বাইরে অবস্থিত একটি সংরক্ষিত এলাকা।
ওই সময় উভয় পক্ষ জানিয়েছিল যে, এই কেন্দ্রটি সিরিয়ার নিয়ন্ত্রণেই থাকবে এবং এর যাবতীয় কার্যক্রম সিরিয়ার ‘জেনারেল অথরিটি ফর পোর্টস অ্যান্ড কাস্টমস’-এর অনুমোদনের সাপেক্ষে পরিচালিত হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জুলাই মাসে বাংলাদেশের পারচেজিং ম্যানেজারস ইনডেক্স (পিএমআই) আগের মাসের তুলনায় ৪ দশমিক ৯ পয়েন্ট বেড়ে ৫৭ দশমিক ৮-এ উন্নীত হয়েছে। এটি দেশের অর্থনৈতিক কার্যক্রমে সম্প্রসারণের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এমসিসিআই), ঢাকা এবং পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশ (পিইবি) আজ যৌথভাবে প্রকাশিত ২০২৬ সালের জুলাই মাসের পিএমআই প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উৎপাদন খাতের শক্তিশালী পুনরুদ্ধার জুলাই মাসের পিএমআই বৃদ্ধির প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করেছে। চারটি প্রধান খাতের মধ্যে তিনটিতেই সম্প্রসারণ রেকর্ড করা হয়েছে। এর মধ্যে উৎপাদন খাতের পিএমআই ৬৫ দশমিক ৪, পরিষেবা খাতের ৫৬ দশমিক ০ এবং কৃষি খাতের ৫৫ দশমিক ২ সূচকে উন্নীত হয়েছে। তবে নির্মাণ খাত সামান্য সংকোচনের মধ্যে রয়েছে।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, কৃষি খাত টানা ১১তম মাসের মতো সম্প্রসারণ অব্যাহত রেখেছে। তবে সম্প্রসারণের গতি আগের তুলনায় কিছুটা কমেছে। এ খাতে নতুন ব্যবসা ও ব্যবসায়িক কার্যক্রম সম্প্রসারণের মধ্যে থাকলেও কর্মসংস্থান সূচক সামান্য সংকোচনে ফিরেছে। একই সঙ্গে উপকরণ ব্যয়ের বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে এবং অসমাপ্ত অর্ডারের সূচক সংকোচনের মধ্যে রয়েছে।
উৎপাদন খাত জুলাই মাসে সবচেয়ে শক্তিশালী পুনরুদ্ধার করেছে। এ খাতের পিএমআই ১৬ দশমিক ৬ পয়েন্ট বেড়ে ৬৫ দশমিক ৪-এ পৌঁছেছে। নতুন অর্ডার, নতুন রপ্তানি অর্ডার, উৎপাদন, উপকরণ ক্রয়, আমদানি, কর্মসংস্থান এবং সরবরাহকারীদের পণ্য সরবরাহ সব সূচকেই সম্প্রসারণ দেখা গেছে। তবে উপকরণের দাম বৃদ্ধি এবং অসমাপ্ত অর্ডারের সূচক সংকোচনের মধ্যে রয়েছে।
নির্মাণ খাতের পিএমআই জুলাইয়ে ৪৯ দশমিক ৩-এ দাঁড়িয়েছে, যা সামান্য সংকোচনের ইঙ্গিত দেয়। তবে জুনের তুলনায় এ খাতের সূচক ৯ দশমিক ১ পয়েন্ট উন্নতি করেছে। নতুন ব্যবসা, নির্মাণ কার্যক্রম ও কর্মসংস্থানে সংকোচনের হার কমেছে। অন্যদিকে উপকরণ ব্যয় ও অসমাপ্ত অর্ডারের সূচকে সম্প্রসারণ অব্যাহত রয়েছে।
সেবাখাত টানা ২২তম মাসের মতো সম্প্রসারণ ধরে রেখেছে। জুলাইয়ে এ খাতের পিএমআই ১ দশমিক ৪ পয়েন্ট বেড়ে ৫৬ দশমিক ০-এ উন্নীত হয়েছে। নতুন ব্যবসা, কর্মসংস্থান এবং উপকরণ ব্যয় সূচকে দ্রুততর সম্প্রসারণ দেখা গেছে। একই সঙ্গে অসমাপ্ত অর্ডারের সংকোচনের হার কমেছে এবং ব্যবসায়িক কার্যক্রম সম্প্রসারণের মধ্যে রয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভবিষ্যৎ ব্যবসায় ইনডেক্সে সব খাতেই শক্তিশালী সম্প্রসারণের চিত্র পাওয়া গেছে, যা আগামী মাসগুলোতে ব্যবসায়িক পরিস্থিতি নিয়ে উচ্চ আশাবাদের প্রতিফলন।
পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশের চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ড. এম. মাসরুর রিয়াজ মন্তব্য করেছেন, জুলাইয়ের পিএমআই বাংলাদেশের অর্থনীতিতে ব্যাপক ভিত্তিতে শক্তিশালী হওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে। এর নেতৃত্বে রয়েছে উৎপাদন খাতের তীব্র পুনরুদ্ধার এবং কৃষি ও পরিষেবা খাতের অব্যাহত সম্প্রসারণ।
তিনি বলেছেন, উৎপাদন খাতের এই পুনরুদ্ধারের সঙ্গে গত ১২ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ মাসিক রপ্তানি আয় অর্জনের বিষয়টিও সামঞ্জস্যপূর্ণ।
ড. রিয়াজ জানান, পরিস্থিতির উন্নতি হলেও নির্মাণ খাত এখনো সামান্য সংকোচনের মধ্যে রয়েছে। তবে সব খাতে উচ্চ আশাবাদ ব্যবসায়িক আস্থার উন্নতি, বৈদেশিক বাণিজ্য খাতের সম্ভাবনা বৃদ্ধি, বৈদেশিক মুদ্রার পরিস্থিতির উন্নতি এবং ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের বাজেটের পর আরও সহায়ক ব্যবসায়িক পরিবেশের প্রত্যাশাকে নির্দেশ করছে।
পিএমআই একটি অগ্রণী উদ্যোগ, যা দেশের অর্থনীতির সামগ্রিক অবস্থার সম্পর্কে সময়োপযোগী ও নির্ভরযোগ্য ধারণা প্রদান করে। এর মাধ্যমে ব্যবসায়ী, বিনিয়োগকারী ও নীতিনির্ধারকেরা তথ্যভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়তা পান।
এ সূচকটি এমসিসিআই ও পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশের উদ্যোগে যুক্তরাজ্য সরকারের সহায়তায় এবং সিঙ্গাপুর ইনস্টিটিউট অব পারচেজিং অ্যান্ড ম্যাটেরিয়ালস ম্যানেজমেন্টের কারিগরি সহায়তায় প্রণীত।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ৯ আগস্ট, ২০২৬ : বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনের পরিচালনা পর্ষদের ৩৪তম সভায় প্রাতিষ্ঠানিক ও অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতে কর্মরত ২ হাজার ১৯৯ জন শ্রমিক ও তাদের পরিবারকে ১২ কোটি ৯৮ লাখ ৬৫ হাজার টাকা আর্থিক অনুদান দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের জন্য ৬৮ কোটি ৫০ লাখ ১০ হাজার টাকার বাজেট অনুমোদন করা হয়েছে।
আজ দুপুরে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনের পরিচালনা পর্ষদের ৩৪তম সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী।
সভাপতির বক্তব্যে মন্ত্রী বলেন, শ্রমিক সমাজের কল্যাণ নিশ্চিত করা, দুর্যোগ-দুর্দিনে তাদের পাশে দাঁড়ানো এবং সামাজিক নিরাপত্তা বলয় জোরদার করা বর্তমান সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকারমূলক লক্ষ্য। তিনি এ বিষয়ে বলেন, ‘জাতীয় অর্থনীতিকে গতিশীল রাখতে এবং উৎপাদন ব্যবস্থার চাকা সচল রাখতে দেশের প্রাতিষ্ঠানিক ও অপ্রাতিষ্ঠানিক উভয় খাতের শ্রমজীবী ভাই-বোনেরা দিনরাত নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। শ্রমিকদের অক্লান্ত পরিশ্রম ও ঘামের ওপর ভর করেই দেশের উন্নয়ন পথপরিক্রমা ত্বরান্বিত হচ্ছে।’
মন্ত্রী আরও বলেন, ‘কোনও শ্রমজীবী মানুষ যেন বিপদে নিঃসঙ্গ বোধ না করেন, সেটাই আমাদের লক্ষ্য। শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন সর্বদা শ্রমিকদের অধিকার ও জীবনের নিরাপত্তা রক্ষায় প্রতিশ্রুতির মধ্যে রয়েছে।’
মন্ত্রী তিনি আরও বলেন, সরকারি কর্মকর্তা, মালিকপক্ষ ও শ্রমিক সংগঠনগুলোর সমন্বিত উদ্যোগে একটি সুষম, কর্মবান্ধব ও শোষণমুক্ত শ্রমনীতি ও পরিবেশ গড়ে তোলা সম্ভব হবে।
সভায় শ্রম ও কর্মসংস্থান সচিব মো. আব্দুর রউফ তালুকদার, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক মোহাম্মদ কুদ্দুছ আলী সরকার, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি এবং শ্রমিক ও মালিক পক্ষের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ