প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের কেন্দ্রীয় বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে, যার উদ্দেশ্য সনাতন ধর্মাবলম্বীদের আসন্ন সর্ববৃহৎ ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা আনন্দমুখর, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে উদযাপন করা। ২৫ সেপ্টেম্বর (শুক্রবার) ঐতিহ্যবাহী ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির প্রাঙ্গণে পরিষদের সভাপতি বাসুদেব ধরের সভাপতিত্বে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সূচনা বক্তব্য রাখেন পরিষদের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক সন্তোষ শর্মা। দেশের ৬৪টি জেলা থেকে আগত নেতৃবৃন্দ সভায় অংশগ্রহণ করে নিজ নিজ এলাকার সাংগঠনিক তৎপরতা ও আসন্ন দুর্গাপূজা আয়োজনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। "ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার" এই চেতনাকে সামনে রেখে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সর্বস্তরের মানুষের সম্প্রীতি ও সহযোগিতায় উৎসব সফল করার দীপ্ত প্রত্যয় ব্যক্ত করেন কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ।
উৎসবের নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য কেন্দ্রীয় কমিটির পক্ষ থেকে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে বিশেষ দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। খুব শিগগিরই এই নির্দেশনার আলোকে প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় বর্ধিত সভা আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। কেন্দ্রীয় বর্ধিত সভায় চাঁদপুর জেলার প্রতিনিধিত্ব করেন জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক তমাল কুমার ঘোষ এবং যুগ্ম সম্পাদক গোপাল চন্দ্র সাহা। তারা জেলার সার্বিক প্রস্তুতি ও স্থানীয় পরিস্থিতি সভার সামনে তুলে ধরেন।
এ বছর চাঁদপুর জেলার ৮টি উপজেলায় মোট ২৩২টি মণ্ডপে সাড়ম্বরে শারদীয় দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে বলে জানা গেছে। উৎসবকে ঘিরে মণ্ডপগুলোতে বর্তমানে মৃৎশিল্পীদের নিপুণ হাতে দেবী প্রতিমা গড়ার কাজ চলছে দ্রুত গতিতে। সেই সাথে আলোকসজ্জা ও মণ্ডপ সজ্জার প্রস্তুতিও জমে উঠেছে।
পঞ্জিকা অনুযায়ী, আগামী ১৫ অক্টোবর ষষ্ঠী পূজার মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হবে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ৬ দিনব্যাপী এই প্রাণের উৎসব। পরবর্তীতে ২১ অক্টোবর প্রতিমা বিসর্জন ও বিজয়া দশমীর মধ্য দিয়ে উৎসবের সমাপ্তি ঘটবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন