প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
পাকিস্তানের বাণিজ্যিক রাজধানী করাচিতে বিদ্যুৎ বিভ্রাট এবং পানির সংকটের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষ বিক্ষোভে অংশগ্রহণ করছে। এই গণবিক্ষোভ গত কিছু দিন ধরে চলমান রয়েছে, যার ফলে শহরের প্রধান সড়কগুলোতে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।
শহরের বিভিন্ন স্থানে চরম অচলাবস্থা দেখা দিয়েছে। সোমবার নতুন করে অসন্তোষের ঘটনা ঘটেছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিক্ষোভের কারণে হাজার হাজার যাত্রী ঘণ্টার পর ঘণ্টা রাস্তায় আটকা পড়েছিলেন, এবং রাস্তা অবরোধের ফলে অ্যাম্বুলেন্সগুলোও আটকে যায়। এক্সপ্রেস ট্রিবিউন জানাচ্ছে, শহরের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে একাধিক বিক্ষোভ শুরু হয়েছে, যা নাগরিক সেবার ওপর ক্রমবর্ধমান অসন্তোষের ফলস্বরূপ।
দেশটির ট্রাফিক পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, বিদ্যুৎ বিভ্রাটের প্রতিবাদে গুড লাক ম্যারেজ হলের কাছে মাংঘোপির রোড অবরোধ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এর ফলে লিয়ারি এক্সপ্রেসওয়ে টোল প্লাজার দিকে যান চলাচল ব্যাপকভাবে ব্যাহত হয়েছে। তীব্র যানজট দেখা দিয়েছে।
এই অবরোধের কারণে লাসবেলা চক, নিস্তার রোড, গুরুমন্দির, তিন হাট্টি এবং নাজিমাবাদের আশেপাশে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়েছে।
এক্সপ্রেস ট্রিবিউন জানাচ্ছে, সোমবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে দারুল উলুম কোরাঙ্গির কাছে একটি কে-ইলেকট্রিক অফিসের সামনে আরেকটি বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে বিক্ষোভকারীরা কোরাঙ্গি এবং মুর্তাজা চৌরাঙ্গির মধ্যে ৮ হাজার রোডের উভয় দিক অবরোধ করেন।
এদিকে, কে-ইলেকট্রিক বিদ্যুৎ সংকটের জন্য ব্যাপক বিল খেলাপি এবং বিদ্যুৎ চুরিকে দায়ী করেছে।
কম্পানির একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন, শরাফি গোথ, গরীবাবাদ ও পাক কলোনিতে বকেয়া বিলের পরিমাণ লাখ লাখ টাকায় পৌঁছেছে। এই এলাকাগুলোতে বিদ্যুতে লোকসান ৮০ শতাংশেরও বেশি হয়ে গেছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন