প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
নাটোরে সাক্ষরতার হার বর্তমানে ৭৪ শতাংশ। সরকার ২০৩০ সালের মধ্যে নাটোরসহ দেশের অন্যান্য স্থানে সাক্ষরতার হারকে শতভাগে উন্নীত করার লক্ষ্যে কাজ করছে, যা এসডিজি’র অভীষ্ট লক্ষ্য অর্জনের উদ্দেশ্যে।
আজ মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস উপলক্ষে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় এই তথ্য প্রকাশ করা হয়। সভার সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মোছা. সুমনী আক্তার।
সভায় জেলা প্রশাসক উল্লেখ করেন, "এসডিজি’র অভীষ্ট লক্ষ্য অর্জনে সাক্ষরতার হারকে শতভাগে উন্নীতকরণে আমরা কাজ করে যাবো। এ ব্যাপারে সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। তাই সকলের সহযোগিতা একান্ত কাম্য।"
সভায় উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো নাটোর জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. রনি আহম্মেদ স্বাগত বক্তব্যে জানান, ২০২২ সালের আদমশুমারী অনুযায়ী নাটোরে সাক্ষরতার হার ছিল ৭১ শতাংশ। ২০২৫ সালের অর্থনৈতিক শুমারী অনুযায়ী বর্তমানে তা ৭৪ শতাংশে উন্নীত হয়েছে। অর্থাৎ, ধাপে ধাপে জেলায় সাক্ষরতার হার বৃদ্ধি পাচ্ছে।
সহকারী পরিচালক আরও জানান, সাক্ষরতা বলতে বোঝায় লিখতে, পড়তে, হিসাব করতে পারার পাশাপাশি ব্যক্তির পেশা সম্পর্কে মৌলিক ধারণা থাকা। নাটোরে শতভাগ সাক্ষরতার অভীষ্ট লক্ষ্য অর্জনের জন্য বর্তমানে ‘কার্যকর সাক্ষরতা ও ব্যবহারিক কর্ম দক্ষতা প্রশিক্ষণ কর্মসূচি’ চলমান রয়েছে।
এই ছয় মাস মেয়াদী কর্মসূচিতে প্রশিক্ষণার্থীদের সাক্ষরতা জ্ঞান প্রদানের পাশাপাশি স্থানীয় চাহিদার ভিত্তিতে বিভিন্ন পেশাগত দক্ষতার প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।
আগামী বছরের শুরুতে জেলার গুরুদাসপুরে ‘অল্টারনেটিভ লার্নিং অপরট্যুনিটি’ নামে একটি বৃহৎ সাক্ষরতা ও প্রশিক্ষণ কর্মসূচি চালু হতে যাচ্ছে।
সভায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) জান্নাতআরা ফেরদৌস, জেলা শিক্ষা অফিসার মো. রোস্তম আলী হেলালী, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. আব্দুল হান্নান প্রমুখও বক্তব্য রাখেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন