প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
খুলনা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মাওলানা আবুল কালাম আজাদ ও জেলা জামায়াতের আমিরের উপস্থিতিতে ঘটে ভুয়া ভুয়া স্লোগান এবং হট্টগোলের ঘটনা। এতে খুলনার পাইকগাছার রাড়ুলী ইউনিয়নের জামায়াতে ইসলামীর কর্মীসভা ভণ্ডুল হয়ে যায়।
শুক্রবার (১২ জুন) বিকেলে আর কে বি কে কলেজিয়েটের দোতলায় রাড়ুলী ইউনিয়ন জামায়াতের আমির হাফেজ মাওলানা তৌহিদুজ্জামান নুরের সভাপতিত্বে আয়োজিত এই কর্মীসভায় ঘটনাটি ঘটে।
কর্মীসভায় জেলা জামায়াতের ইউনিট সদস্য সহকারী অধ্যাপক মমিন উদ্দীন সানার পক্ষে আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে কাজ করার বিষয়টি তুলে ধরেন খুলনা জেলা জামায়াতে ইসলামী আমির মাওলানা ইমরান হোসেন। তার এই বক্তব্যের পরপরই একটি গ্রুপ সেখানে হট্টগোল শুরু করে এবং ভুয়া ভুয়া স্লোগান দিতে থাকে। পাশাপাশি তারা মমিন সানা সম্পর্কে আপত্তিকর নানা কথা বলা শুরু করে। এ সময় স্থানীয় এমপি মাওলানা আবুল কালাম আজাদ আছর নামাজের সময় চলে যাচ্ছে উল্লেখ করে সভাস্থল ত্যাগ করেন। তবে তিনি তার সঙ্গে কিছু দায়িত্বশীল নেতাকেও নিয়ে যান।
উল্লেখ্য, তারা নামাজ শেষে আবার কর্মী সভায় আসবেন বলে মন্তব্য করেছিল। কিন্তু নামাজ শেষে তারা আর ফিরে আসেননি, চলে যান বলে দলের নেতা-কর্মীরা স্কুল মাঠের কাছে এই বিষয়ে বলছিলেন।
এই পরিস্থিতিতে জামায়াতের স্থানীয় আমিরসহ অন্য দায়িত্বশীলরা মন্তব্য করতে রাজি হননি। তারা শুধু বলেন, এখানে তেমন কিছু ঘটেনি।
জামায়াতের খুলনা জেলা আমির এমরান হুসাইনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সেখানে তো তেমন কিছু হয়নি। আওয়ামী লীগের কিছু লোক এসে সেখানে হট্টগোল সৃষ্টি করেছে।
জামায়াতের কর্মী সভায় আওয়ামী লীগের লোকেরা কীভাবে আসলেন এই প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এটি খোলা মেলা সভা ছিল, স্থানীয়রা এখানে এসেছেন। তিনি উল্লেখ করেন, নামাজ পড়ে পুনরায় সেখানে যাওয়ার কোনো কথা হয়নি। অনুষ্ঠানের শেষে আমরা চলে আসবো বলে উল্লেখ করেন।
এক নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জামায়াতের এক নেতা জানান, বিতর্কিত মোমিন সানাকে রাড়ুলি ইউনিয়নে ইউপি প্রার্থী হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে, এবং শেখ মহিবুল্লা জামায়াতের রুকন ছিলেন। দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের সম্পর্কে আপত্তিকর কথাবলার কারণে তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়। তার পক্ষের লোকজন এই সভায় হট্টগোল পাকাতে গিয়ে কর্মীসভা ভণ্ডুল করেছেন। অনুষ্ঠানের জন্য নিয়ে আসা সিংগাড়া সহ খাদ্য-খাবারগুলো শেষ মুহূর্তে এলোমেলোভাবে বিতরণ করতে দেখা যায়।
অন্যদিকে, স্থানীয় এমপি মাওলানা আবুল কালাম আজাদের মুঠোফোনে কল করেও নাম্বারটি বন্ধ পাওয়ার কারণে তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন