প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সংগ্রহ ১৮২ রানের। প্রতিপক্ষ দলটি হল টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের টানা দুবারের চ্যাম্পিয়ন ভারত। এই দলে আবার রয়েছে দুনিয়ার সেরা টি-২০ ব্যাটার অভিষেক শর্মা। এছাড়া আছেন সাঞ্জু স্যামসন, ইশান কিশান, শ্রেয়াস আইয়ারদের মতো উড়ন্ত ফর্মের ব্যাটার। যদিও সবাই জয়ের জন্য খেলছে, আয়ারল্যান্ড কি সত্যিই জিততে পারবে বলে আত্মবিশ্বাসী ছিল?
আগের ১১ দেখায় আয়ারল্যান্ড কখনও ভারতকে হারাতে পারেনি। এবার হারাবে কীভাবে, কারণ দলের প্রথম সারির ৬ ক্রিকেটারই নেই! তবুও, এই অবস্থায়ই দলটি ইতিহাস গড়লো। এটি ছিল প্রথমবার ভারতকে হারানোর ঘটনা।
আয়ারল্যান্ডের জয় ৩৪ রানে এসেছে। ভারতকে ১৪৮ রানের মধ্যে গুটিয়ে দিতে সক্ষম হয়েছে তারা, তখনও ইনিংসের বল বাকি ৭টি ছিল। নিজেদের ১৮২ রান করেছিল ৯ উইকেটের বিনিময়ে। অধিনায়ক হিসেবে শ্রেয়াস আইয়ারের শুরুটা হলো হার দিয়ে। সূর্যকুমার যাদবকে সরিয়ে ভারত টি-২০ দলের অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব নেন তিনি।
বেলফাস্টে ১৮২ রান তুললেও আয়ারল্যান্ড ইতিমধ্যে ৫১ রানেই ৪ উইকেট হারিয়ে ফেলেছিল। এরপর লর্কান টাকার ৫০ ও গ্যারেথ ডেলানির ৪৯ রানের ভর করে ১৮৩ রানের লক্ষ্য দাঁড় করায় তারা। ভারতের হয়ে ৩ উইকেট নেন হার্শিত রানা। ২টি করে উইকেট পান আর্শদীপ সিং ও অক্ষর প্যাটেল।
বোলিংয়ে আয়ারল্যান্ডকে জয়ের দৌড়ে রাখতে সাহায্য করেন ম্যাথু হওয়ার্ড (অভিষেক ম্যাচ খেলতে নেমে হয়েছেন ম্যাচসেরা) ও ম্যাথু হাম্ফ্রেস। দুই জনই ৬টি উইকেট সমানভাবে ভাগাভাগি করেন। এতে অভিষেক শর্মা বাদে বাকিদের কারো রান ২৫-এর ওপরে যেতে পারে না। অভিষেকের ইনিংস ছিল ৪৯ রান।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন