প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
দারুণ রোমাঞ্চ দিয়ে শুরু হওয়া এই ম্যাচে নাটকীয়তার পর আর্জেন্টিনা অস্ট্রিয়াকে ২-০ গোলে হারিয়েছে। এই ম্যাচেই লিওনেল মেসি রেকর্ড গড়ে ইতিহাসের পাতায় নিজের নাম লিখেছেন। দলের জয়সূচক দুইটি গোলই করেছেন মেসি নিজে।
ম্যাচের শুরুটা হয়েছিল মাত্র ৮ মিনিটে পেনাল্টি মিসের হতাশা নিয়ে। খোদ মেসিই সেই পেনাল্টি মিস করেছিলেন। এরপর ৩৯ মিনিটে গোল করে সেই মেসিই আবার দলকে এগিয়ে নেন। তারপর আবার খেলার শেষ মুহূর্তের যোগ করা সময়ে আরো একটি গোল করে দলের চূড়ান্ত বিজয় নিশ্চিত করেন বিস্ময়কর মেসি।
লিওনেল মেসির জাদুকরী পারফরম্যান্সে আবারও ফুটবলের ইতিহাস নতুন করে লেখা হলো। আজকের ম্যাচে অস্ট্রিয়ার বিরুদ্ধে গোল করে বিশ্বকাপের মঞ্চে নিজের ১৭তম গোলটি আদায় করে নিয়েছেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা। এই গোলের মাধ্যমে তিনি টপকে গেলেন জার্মানির কিংবদন্তি মিরোস্লাভ ক্লোসাকে, যার ফলে বিশ্বকাপের ইতিহাসের এককভাবে সর্বোচ্চ গোলদাতার সিংহাসনে বসলেন এলএম টেন। এখন বিশ্বকাপে তার গোল সংখ্যা ১৮, মানে ক্লোসার চেয়েও দুটো গোল বেশি মেসির ঝুলিতে।
ম্যাচের শুরুটা অবশ্য মোটেও সুখকর ছিল না আর্জেন্টিনার। ম্যাচের অষ্টম মিনিটে পেনাল্টি থেকে গোল করার দারুণ সুযোগ পেয়েও কাজে লাগাতে পারেননি মেসি। বলটি পোস্টের বাইরে দিয়ে মারা হলে স্তব্ধ হয়ে যায় গ্যালারি। এরপর ২১ ও ৩৩ মিনিটেও মেসি এবং তার সতীর্থরা বেশ কিছু সুযোগ তৈরি করেন, কিন্তু অস্ট্রিয়ার রক্ষণভাগ এবং গোলরক্ষকের তৎপরতায় গোলবঞ্চিত হতে হয় আলবিসেলেস্তেদের।
সব হতাশা পেছনে ফেলে ৩৯ মিনিটে আসে সেই কাঙ্ক্ষিত মুহূর্ত। বাম প্রান্ত থেকে আক্রমণ শুরু করেন মেসি নিজেই। পেনাল্টি বক্সের ঠিক প্রান্ত থেকে তার নেওয়া নিপুণ ও নিখুঁত শটটি অস্ট্রিয়ার গোলরক্ষককে পরাস্ত করে গোলের জালে জড়ায়। গোলটি হতেই উল্লাসে ফেটে পড়ে স্টেডিয়াম। এটি কেবল আর্জেন্টিনাকে এগিয়ে দেওয়া নয়, বরং বিশ্বকাপের ইতিহাসে নতুন একটি অধ্যায় উন্মোচন করল। আর পরের গোল করে সে অধ্যায়কে আরও শক্তিশালী করলেন মেসি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন