প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
প্রকাশিত খবরের অনুযায়ী, পূর্ব উগান্ডায় শিক্ষাসফরে যাওয়া শিক্ষার্থীদের বহনকারী একটি বাস দুর্ঘটনায় অন্তত ২১ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে রয়েছে ২০ জন শিক্ষার্থী এবং একজন প্রাপ্তবয়স্ক।
এটি সাম্প্রতিক বছরগুলোর মধ্যে শিশুদের নিয়ে ঘটে যাওয়া সবচেয়ে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনাগুলোর একটি। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় কাপচোরওয়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। হাসপাতালে ভর্তি হওয়া আহতদের মধ্যে বাসের কর্মীসহ আরো কয়েক ডজন মানুষ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। স্থানীয় কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হয়েছে, বাসটিতে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেওয়ার পর চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন।
এর ফলে চেকওয়াটিট হিল সড়কে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে। এই সড়কে এর আগে একাধিক মারাত্মক দুর্ঘটনা ঘটেছে। নিহতদের মধ্যে ২০ জন শিক্ষার্থী এবং স্কুলটির প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক তাদেও সেকাডেও রয়েছেন। পুলিশ জানায়, চালক যখন বাসটির নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন, তখন সেটি রাস্তা থেকে ছিটকে গিয়ে পাশের একটি বড় পাথরে ধাক্কা খেয়ে উল্টে যায়।
দুর্ঘটনাটি বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে ঘটে। দুর্ঘটনাকবলিত বাসটি এনডেজ্জের কিং ডেভিড জুনিয়র স্কুলের শিক্ষার্থীদের নিয়ে যাচ্ছিল। তারা শিক্ষাসফর শেষে বাড়ি ফিরছিল। স্থানীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, শিক্ষার্থীরা পর্যটন এলাকা সিপি জলপ্রপাত পরিদর্শন করে ফিরছিল। দুর্ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত উদ্ধারকাজে অংশ নেন এবং আহত শিশুদের হাসপাতালে পাঠান।
প্রত্যক্ষদর্শীদের প্রকাশ করা ভিডিওতে বাসটিকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত অবস্থায় দেখা গেছে। ট্র্যাফিক কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, উগান্ডায় প্রতি বছর হাজার হাজার মানুষ সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান। এসব দুর্ঘটনার মূল কারণ হলো অতিরিক্ত গতি, ঠিকমতো রক্ষণাবেক্ষণ না করা যানবাহন এবং ঝুঁকিপূর্ণ সড়ক। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে দেশটিতে একাধিক বাস দুর্ঘটনা ঘটেছে। ফলে স্কুল পরিবহনের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। সর্বশেষ শিক্ষার্থীবাহী বাস দুর্ঘটনা সেই উদ্বেগকে আরো বাড়িয়ে দিয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন