ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

যুক্তরাষ্ট্রের কলেজ ক্রীড়ায় নতুন নিয়ম, সিনেটে পাস 'প্রটেক্ট কলেজ স্পোর্টস অ্যাক্ট' বিল


যুক্তরাষ্ট্রের কলেজ ক্রীড়ায় নতুন নিয়ম, সিনেটে পাস

যুক্তরাষ্ট্রের কলেজ ক্রীড়াঙ্গনে বড় ধরনের পরিবর্তনের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হলো। কলেজ ক্রীড়ার জন্য নতুন নিয়ম তৈরির উদ্দেশ্যে আনা ‘প্রটেক্ট কলেজ স্পোর্টস অ্যাক্ট’ নামের দ্বিদলীয় বিলটি দেশটির সিনেটে পাস করেছে। ২৮ সেপ্টেম্বর ৭৭-২২ ভোটে বিলটি পাস হয়েছে। পরবর্তী পদক্ষেপ হিসেবে এটি প্রতিনিধি পরিষদে যাবে।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম দ্য ইউএসএ টুডের এই বিষয়টি নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।

বিলটির অন্যতম প্রধান উদ্যোক্তা রিপাবলিকান সিনেটর টেড ক্রুজ। ডেমোক্র্যাট সিনেটর মারিয়া ক্যান্টওয়েলও এর অন্যতম প্রধান রচয়িতা। ক্রুজের মতে, কলেজ ক্রীড়ায় বর্তমানে যে বিশৃঙ্খলা বিদ্যমান, নতুন আইন সেটিকে শৃঙ্খলায় আনতে সক্ষম হবে।

আরও পড়ুন: কোনো দল সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পেলে পেলে কতদিন ক্ষমতায় থাকবেন নেতানিয়াহু?

তবে বিলটি সম্পর্কে ডেমোক্র্যাটদের মধ্যে মতবিরোধ দেখা দিয়েছে। নাগরিক অধিকার ও শ্রমিক সংগঠনের কিছু নেতাও এর বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন। তাদের উদ্বেগ, নতুন নিয়ম শিক্ষার্থী খেলোয়াড়দের অধিকার এবং দর-কষাকষির ক্ষমতা হ্রাস করতে পারে।

খেলোয়াড়দের আয় ও দলবদলে নতুন সীমা

বর্তমানে কলেজ পর্যায়ের খেলোয়াড়রা নিজেদের নাম, ছবি ও পরিচিতি ব্যবহার করে আয় করার সুযোগ পান। নতুন বিলেও এই অধিকারকে ফেডারেল আইনে স্বীকৃতি দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

কিন্তু একই সঙ্গে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে খেলোয়াড়দের দেওয়া অর্থের ওপর সীমাবদ্ধতা আরোপ করা হবে। বিল অনুযায়ী, খেলোয়াড়দের আয় ভাগাভাগির পরিমাণ বছরে প্রায় ৪ কোটি ৩০ লাখ থেকে ৪ কোটি ৫০ লাখ ডলারের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে। নারী ও অলাভজনক অলিম্পিক ক্রীড়াগুলোর জন্য অতিরিক্ত ৫০ লাখ ডলার ব্যয়ের সুযোগ রাখা হয়েছে।

আরও পড়ুন: ‘নেতানিয়াহু সরকারের প্রতি আস্থার অভাব’, বুথফেরত জরিপে মন্তব্য আইজেনকোটের

এছাড়া খেলোয়াড়দের বারবার দলবদলের ওপর নতুন সীমা আরোপ করা হবে। কলেজগুলোর ক্রীড়া সম্মেলন বা দলগত কাঠামো পরিবর্তনের ক্ষেত্রেও সাময়িক বিধিনিষেধ থাকবে।

এক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে ফুটবল বা বাস্কেটবলের কোচ নিয়োগের ক্ষেত্রেও কিছু নিয়ম চালুর কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

বিরোধীদের আপত্তি কোথায়

বিলটির বিরোধিতাকারীদের মধ্যে ডেমোক্র্যাট সিনেটর কোরি বুকার ও ক্রিস মারফি রয়েছেন। তারা বলেন, বিলটি শিক্ষার্থী খেলোয়াড়দের দেওয়া অর্থের ওপর সীমা নির্ধারণ করলেও কোচদের কোটি কোটি ডলারের বেতন ও চুক্তি বাতিলের ক্ষতিপূরণ নিয়ে কিছু করছে না।

আরও পড়ুন: বোম্বে হাইকোর্ট ইমরান খানের ভারত ছাড়ার নোটিশ স্থগিত করেছে

তারা আরও উল্লেখ করেন, খেলোয়াড়দের সম্মিলিতভাবে দর-কষাকষির অধিকার এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মী হিসেবে তাদের স্বীকৃতির বিষয়ও বিলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।

সিনেটের ভোটের আগে কোরি বুকার বলেন, এই আইন তরুণ খেলোয়াড়দের অধিকার ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। তিনি বিলটির বিরুদ্ধে নিজের হতাশা প্রকাশ করেন।

অন্যদিকে, বিলটির সমর্থকদের মতে, কলেজ ক্রীড়ায় দীর্ঘদিন ধরে চলা আইনি জটিলতা, খেলোয়াড়দের ঘন ঘন দলবদল এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মধ্যে আর্থিক বৈষম্য কমাতে জাতীয় পর্যায়ে অভিন্ন নিয়ম প্রয়োজন।

খেলোয়াড়দের চিকিৎসা সুরক্ষাতেও পরিবর্তন আনা হয়েছে।

আরও পড়ুন: সুদানে স্বর্ণের খোঁজে শ্রমিকেরা জীবন ঝুঁকিতে, খনিতে প্রাণ হারাচ্ছেন

সিনেটে চূড়ান্ত অনুমোদনের আগে বিলে বেশ কিছু পরিবর্তন আনা হয়। এর মধ্যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো আইন মেনে চলছে কি না, তা পর্যবেক্ষণে জাতীয় কলেজ ক্রীড়া সংস্থার তদারকির ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

এছাড়া খেলোয়াড়দের চিকিৎসা ব্যয়ের জন্য ন্যূনতম সুরক্ষা নিশ্চিত করার বিধান যুক্ত করা হয়েছে। আগের খসড়ায় প্রতিষ্ঠানের আর্থিক দায়ের সীমা নির্ধারণের যে ভাষা ছিল, সংশোধিত বিলে সেটি বাদ দেওয়া হয়েছে।

অতিরিক্ত অর্থ ভাগাভাগির সুযোগকে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার অগ্রগতির সঙ্গেও যুক্ত করা হয়েছে। অর্থাৎ স্নাতক সম্পন্ন করার হার ও শিক্ষাগত অগ্রগতির মতো বিষয় বিবেচনায় রেখে কিছু অর্থ ধরে রাখার ব্যবস্থা থাকবে।

সম্মেলন পরিবর্তনে তিন বছরের বিধিনিষেধ

আরও পড়ুন: জার্মান ভাইস মিনিস্টার ড. বারবেল কোফলারের আবুল খায়ের স্টীল মেল্টিং লিমিটেড পরিদর্শন

বিলের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন হলো কলেজগুলোর ক্রীড়া সম্মেলন পরিবর্তনের ক্ষেত্রে বিধিনিষেধের মেয়াদ কমানো। আগে পাঁচ বছরের যে সীমার কথা ছিল, তা কমিয়ে তিন বছর করা হয়েছে।

এর উদ্দেশ্য হলো ভবিষ্যতে বড় ক্রীড়া সম্মেলনগুলোর পরিবর্তনের কারণে অপেক্ষাকৃত ছোট প্রতিষ্ঠানগুলো যাতে পিছিয়ে না পড়ে, তা নিশ্চিত করা।

এবার কী হবে?

সিনেটে পাস হওয়ার পর বিলটি এখন প্রতিনিধি পরিষদে যাবে। সেখানে সাধারণ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলে তা প্রেসিডেন্টের কাছে পাঠানো হবে।

আরও পড়ুন: হলুদ বিন্দু দেখে খননে ২ কোটি টাকার স্বর্ণের খণ্ড উদ্ধার

তবে প্রতিনিধি পরিষদ নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে অধিবেশনে ফিরবে না। ফলে বিলটির পরবর্তী অগ্রগতি নির্বাচনের পর হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

বিলটি সিনেটের বাণিজ্য কমিটিতে প্রথম ১৮ জুন ১৯-৯ ভোটে অনুমোদন পায়। এরপর এটি পূর্ণ সিনেটে আসে। সেপ্টেম্বরে বিভিন্ন সংশোধনী যুক্ত হওয়ার পর ২৮ সেপ্টেম্বর চূড়ান্ত ভোটে ৭৭-২২ ব্যবধানে পাস হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ট্রাম্পের ঘোষণা, যুক্তরাষ্ট্রে হচ্ছে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ইস্পাত কারখানা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:৪৩ এম


ট্রাম্পের ঘোষণা, যুক্তরাষ্ট্রে হচ্ছে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ইস্পাত কারখানা

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের আইওয়া অঙ্গরাজ্যে ১৫ বিলিয়ন ডলার ব্যয়ে দেশের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ইস্পাত কারখানা নির্মাণের পরিকল্পনার ঘোষণা দিয়েছেন। মিনেসোটা-ভিত্তিক প্রতিষ্ঠান মেসাবি মেটালিকস আগামী কয়েক বছরের মধ্যে এই কারখানা নির্মাণ করবে। ২০৩০ সালের মধ্যে কারখানাটির উৎপাদন শুরু করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম সিবিএস নিউজের এর প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) হোয়াইট হাউসে ট্রাম্প এবং মেসাবি মেটালিকসের কর্মকর্তারা প্রকল্পটির ঘোষণা দেন। ট্রাম্প বলেন, "আইওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ইস্পাত কারখানা তৈরি হতে যাচ্ছে।"

এই কারখানা চালু হলে বছরে ৭৫ লাখ টন বা তার বেশি ইস্পাত উৎপাদনের প্রত্যাশা করা হচ্ছে। হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, এতে আইওয়ায় প্রায় ১ হাজার ৭৫০টি স্থায়ী কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে।

মেসাবি মেটালিকস এখনও জানায়নি আইওয়ার কোন এলাকায় কারখানাটি নির্মাণ করা হবে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি মন্ত্রী ক্রিস রাইট জানিয়েছেন, এটি অঙ্গরাজ্যটির দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে নির্মিত হবে।

হোয়াইট হাউসের তথ্য অনুযায়ী, ১৯৬০-এর দশকের পর যুক্তরাষ্ট্রে নির্মিত এটিই প্রথম এত বড় ইস্পাত কারখানা হতে পারে। ভবিষ্যতে দেশের প্রতিরক্ষা খাতের বিভিন্ন প্রকল্পে এই কারখানার উৎপাদিত ইস্পাত ব্যবহার করা হতে পারে।

কারখানাটির জন্য প্রয়োজনীয় লৌহ আকরিক মিনেসোটা থেকে আসবে। মেসাবি মেটালিকস সেখানে ২৫০ কোটি ডলার ব্যয়ে একটি নতুন লৌহ আকরিক খনি ও প্রক্রিয়াজাতকরণ প্রকল্প শুরু করছে।

যদিও কারখানাটি আইওয়ায় নির্মাণ করা হচ্ছে, কিন্তু লৌহ আকরিকের উৎস মিনেসোটায় হওয়ায় প্রকল্পটি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে—কেন খনির কাছাকাছি মিনেসোটায় না করে আইওয়ায় কারখানা নির্মাণ করা হচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যমন্ত্রী হাওয়ার্ড লাটনিক জানিয়েছেন, ইস্পাত কারখানাটি সরাসরি কেন্দ্রীয় সরকারের অর্থ সহায়তা পাবে না। তবে সরকারের রপ্তানি-আমদানি ব্যাংক মেসাবি মেটালিকসের মিনেসোটার লৌহ আকরিক প্রকল্পে অর্থায়ন করেছে।

গত ২৪ সেপ্টেম্বর ব্যাংকটির পরিচালনা পর্ষদ মেসাবি মেটালিকসের লৌহ আকরিক প্রকল্পের জন্য ৭৭ কোটি ডলারের সরাসরি ঋণ অনুমোদন করে। এর আগে প্রকল্পটিতে সর্বোচ্চ ১০ বিলিয়ন ডলার পর্যন্ত সহায়তার বিষয়টি বিবেচনা করা হয়েছিল।

আইওয়া অঙ্গরাজ্য থেকেও কর ছাড় দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এ জন্য রাজ্যের আইনপ্রণেতাদের বিশেষ অধিবেশনে ফিরতে হতে পারে বলে স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

মেসাবি মেটালিকসের মালিক ভারতের প্রতিষ্ঠান এসার গ্রুপ। প্রতিষ্ঠানটির মিনেসোটা প্রকল্পের ইতিহাস বেশ জটিল। ২০০৮ সালে এসার গ্রুপের এসার স্টিল মিনেসোটা এলএলসি সেখানে বড় একটি লৌহ আকরিক খনি ও প্রক্রিয়াজাতকরণ কেন্দ্র নির্মাণ শুরু করে। দীর্ঘদিনের বিলম্ব, নির্ধারিত সময়সীমা পূরণে ব্যর্থতা ও আর্থিক সংকটের পর ২০১৬ সালে প্রতিষ্ঠানটি দেউলিয়া হওয়ার আবেদন করে।

পরবর্তী সময়ে প্রতিষ্ঠানটি অন্য মালিকানায় যায়। তবে ২০১৯ সাল থেকে এসার গ্রুপ আবার এর নিয়ন্ত্রণ নেয়।

দেশের অভ্যন্তরীণ ইস্পাত উৎপাদন বাড়ানোর উদ্যোগ ট্রাম্প প্রশাসনের বাণিজ্যনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। বিদেশি ইস্পাতের সঙ্গে প্রতিযোগিতার প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্রে উৎপাদন বাড়ানোর ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।

২০২৫ সালে ট্রাম্প আমদানি করা ইস্পাতের ওপর শুল্ক বাড়িয়ে ৫০ শতাংশ করেন। একই সঙ্গে জাপানের নিপ্পন স্টিলকে যুক্তরাষ্ট্রের ইউএস স্টিল কেনার অনুমোদনও দেন।

আইওয়ায় নতুন এই প্রকল্পের ঘোষণা এমন সময়ে এসেছে, যখন নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে অঙ্গরাজ্যটির কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা চলছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আসল জামদানি শাড়ি চিনবেন কীভাবে? জেনে নিন সহজ উপায়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:৪৪ এম


আসল জামদানি শাড়ি চিনবেন কীভাবে? জেনে নিন সহজ উপায়

দুর্গাপূজার শপিংয়ের তালিকায় ঢাকাই জামদানি শাড়ি থাকা আবশ্যক। বেনারসির সঙ্গে আভিজাত্যে পাল্লা দেয় ঢাকাই জামদানি। পূজা ছাড়াও, যে কোনো উৎসবে ঢাকাই জামদানি শাড়ি নজর কাড়ে। প্যাস্টেল শেড কিংবা গাঢ় রঙ— মানানসই ব্লাউজের সঙ্গে পরলে আর কিছু প্রয়োজন হয় না। সোনা বা অক্সিডাইজড গহনা পরলে সাজ সম্পূর্ণ হয়ে যায়। ঢাকাই জামদানি স্টাইল করার জন্য খুব বেশি চিন্তা করতে হয় না। তবে আপনি যে জামদানি পরছেন, সেটি আসল কি না, সেটি নিশ্চিত হওয়া জরুরি। এ নিয়ে চিন্তা করার কোনো প্রয়োজন নেই।

বাজারে বিভিন্ন ধরনের ঢাকাই জামদানি পাওয়া যায়। কিছু জামদানি খুব নরম, আবার কিছু শাড়িতে রয়েছে আয়না ও স্টোনের কারুকাজ। তবে, আপনি যে জামদানি কিনছেন, সেটি আসল হওয়া প্রয়োজন। কিন্তু আসল এবং নকলের মধ্যে পার্থক্য কীভাবে বুঝবেন? আসুন, জেনে নেওয়া যাক— আসল জামদানি এবং নকল জামদানি চেনার উপায়।

শাড়ি কেনার সময় অনেকের কাছে আসল-নকল যাচাই করার সুযোগ থাকে না। তখন রঙের কাজ নিয়েই চিন্তা করতে হয়। তবে মাত্র ১ সেকেন্ডে বুঝে নেওয়া সম্ভব যে ঢাকাই জামদানি আসল না নকল। সাধারণত, ঢাকাই জামদানির বুনন মিহি সুতা দিয়ে তৈরি হয়। এ শাড়ির বুনন খুব সূক্ষ্ম।

যখনই জামদানি কিনবেন, শাড়িটি উল্টে দেখুন। যদি দেখেন জামদানি শাড়ির উল্টো দিকে সুতা কাটা রয়েছে, তাহলে বুঝবেন এটি মেশিনে বোনা। ছাঁটা সুতা দেখলেই বুঝবেন, এই শাড়ি হাতে বোনা নয়। এ ধরনের শাড়ির দামও খুব কম হয়ে থাকে।

আসল জামদানি দুদিকে সমান হয়। তাঁতিরা এক একটি সুতা হাতে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে বুনে থাকেন। তাই কোনো ছাঁটা সুতা থাকে না। আসল ঢাকাই জামদানি হাতে নিলে কোন দিকটা সামনে এবং কোনটা পেছনে, তা দ্রুত বুঝতে পারবেন। তখনই নিশ্চিত হবেন এটি আসল জামদানি।

অন্যদিকে, আসল ঢাকাই জামদানির নকশা অত্যন্ত সূক্ষ্ম ও নিখুঁত হয়। ঢাকাই জামদানি খুবই মসৃণ। এতে কোনো খসখসে ভাব থাকে না। কিন্তু মেশিনে বোনা জামদানি তুলনায় ভারি এবং খসখসে হয়। কারণ, এ শাড়ি বুনতে নাইলনের সুতা ব্যবহার করা হয়। সুতরাং, এবারের পূজায় ঢাকাই জামদানি কিনতে গেলে শাড়িটি উল্টে দেখে নিন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিশ্বকাপের বাকি ১ বছর, ১ অক্টোবর সূচি প্রকাশ করতে চলেছে আইসিসি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:৪৪ এম


বিশ্বকাপের বাকি ১ বছর, ১ অক্টোবর সূচি প্রকাশ করতে চলেছে আইসিসি

২০২৭ ক্রিকেট বিশ্বকাপের সূচি ১ অক্টোবর, বৃহস্পতিবার প্রকাশিত হবে। এই অনুষ্ঠানটি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) এবং ক্রিকেট সাউথ আফ্রিকা (সিএসএ) কেপটাউনে আয়োজন করবে। টুর্নামেন্ট শুরুর এক বছর আগে এই আয়োজন করা হচ্ছে। একই দিনে ম্যাচের টিকিটও মুক্তি দেওয়া হবে।

ক্রিকবাজের পূর্ববর্তী প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছিল, বিশ্বকাপ শুরু হবে ২ অক্টোবর। এই দিনটি গান্ধী জয়ন্তী হিসেবে পরিচিত। টুর্নামেন্টটি ২০২৭ সালের ২১ নভেম্বর শেষ হবে।

বিশ্বকাপে মোট ১৪টি দল অংশগ্রহণ করবে। এর মধ্যে ১০টি দল ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে নিশ্চিত হবে। এই তারিখটি বাছাইয়ের শেষ সময়। এই ১০ দলের মধ্যে দুটি দল হবে আয়োজক দক্ষিণ আফ্রিকা ও জিম্বাবুয়ে। বাকি আটটি দল আইসিসি ওয়ানডে র‍্যাঙ্কিং থেকে আসবে। বাছাইপর্ব থেকে আসবে বাকি চারটি দল, যাদের সূচিতে কোয়ালিফায়ার ১, ২, ৩ ও ৪ নামে উল্লেখ করা হবে। দক্ষিণ আফ্রিকা ও জিম্বাবুয়ের পাশাপাশি নামিবিয়াও একটি আয়োজক দেশ, তবে তাদের বিশ্বকাপে খেলার বিষয়টি এখনও নিশ্চিত নয়।

র‍্যাঙ্কিংয়ের মাধ্যমে সুযোগ পাওয়ার তালিকায় বর্তমানে ভারত (এক নম্বর), নিউজিল্যান্ড (দুই নম্বর), পাকিস্তান (চার নম্বর), অস্ট্রেলিয়া (পাঁচ নম্বর), ইংল্যান্ড (ছয় নম্বর), শ্রীলঙ্কা (সাত নম্বর), আফগানিস্তান (আট নম্বর) ও বাংলাদেশ (নয় নম্বর) রয়েছে। বাংলাদেশ র‍্যাঙ্কিংয়ে নয় নম্বরে থাকলেও সুযোগ পাচ্ছে, কারণ তিন নম্বরে থাকা দক্ষিণ আফ্রিকা আয়োজক হিসেবে জায়গা পেয়ে গেছে। ওয়েস্ট ইন্ডিজ বর্তমানে ভারতের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ খেলছে। তাদের বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করতে হলে বাছাইপর্ব পার হতে হবে, যা আগামী বছরের শুরুর দিকে অনুষ্ঠিত হবে।

বৃহস্পতিবার আইসিসি বিশ্বকাপের টিকিটের জন্য নিবন্ধন প্রক্রিয়া শুরু করবে। তবে এখনই টিকিট কেনা সম্ভব নয়। ১ অক্টোবর থেকে সমর্থকরা টিকিটের জন্য নাম নিবন্ধন করতে পারবেন।

আইসিসির এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, ২০২৭ বিশ্বকাপকে সেমিফাইনাল ও ফাইনালের আগে তিনটি ধাপে ভাগ করা হয়েছে। প্রথম ধাপের নাম সুপার সিরিজ। এই ধাপে ১৪টি বাছাই দলের মধ্যে র‍্যাঙ্কিংয়ে সবচেয়ে নিচের তিনটি দল রাউন্ড রবিন পদ্ধতিতে খেলবে। এই তিন দলের মধ্যে শীর্ষে থাকা দল পরের ধাপে যাবে।

দ্বিতীয় ধাপে থাকবে ১২টি দল, যারা দুটি গ্রুপে ভাগ হয়ে রাউন্ড রবিন পদ্ধতিতে খেলবে। প্রতি গ্রুপে ছয়টি করে দল থাকবে। এই ধাপে মোট ৩০টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিটি গ্রুপ থেকে শীর্ষ তিনটি দল এবং দুই গ্রুপ মিলিয়ে পরের সেরা একটি দল সুপার সেভেন ধাপে উঠবে।

সুপার সেভেন ধাপে ২১টি রাউন্ড রবিন ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। এই ধাপ থেকে শীর্ষ চারটি দল সেমিফাইনালে যাবে। সেমিফাইনালে সুপার সেভেনের পয়েন্ট তালিকায় প্রথম স্থানে থাকা দল খেলবে চতুর্থ স্থানে থাকা দলের বিপক্ষে। দ্বিতীয় স্থানের দল খেলবে তৃতীয় স্থানের দলের বিপক্ষে। দুই সেমিফাইনালের বিজয়ী দল ফাইনালে মুখোমুখি হবে শিরোপার জন্য।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাবির জুলাই-৩৬ হলে ৪৬ নারী শিক্ষার্থীকে কৃতি সংবর্ধনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:৪৫ এম


রাবির জুলাই-৩৬ হলে ৪৬ নারী শিক্ষার্থীকে কৃতি সংবর্ধনা

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) জুলাই-৩৬ হলে ৪৬ জন কৃতি শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে। একই সঙ্গে হলটির অন্তঃকক্ষ ক্রীড়া প্রতিযোগিতা-২০২৬-এর পুরস্কার বিতরণ করা হয়েছে।

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৭টায় হলরুমে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন বিভাগের পরীক্ষায় ভালো ফলাফল অর্জনকারী ৪৬ জন কৃতি শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। পাশাপাশি অন্তঃকক্ষ ক্রীড়া প্রতিযোগিতা-২০২৬-এ বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠানে অনুভূতি প্রকাশ করে জুলাই-৩৬ হলের অ্যাগ্রোনমি অ্যান্ড এগ্রিকালচারাল এক্সটেনশন বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী তাজনুর বর্ণ বলেন, "এত সুন্দর একটি আয়োজন করার জন্য হল কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানাই। আমাদের দীর্ঘদিনের পরিশ্রমের ফল হিসেবে এই সাফল্য অর্জন করতে পেরেছি। এই সাফল্যের জন্য আমাদের যে সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে, তা ভবিষ্যতে আরও ভালো কিছু করার অনুপ্রেরণা জোগাবে।"

একই হলের ফার্মেসি বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী নিশাত আনজুমান মিতা বলেন, "এত সুন্দর একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করার জন্য হল কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই। বিভাগে প্রথম হতে পেরে আমি সত্যিই আনন্দিত ও গর্বিত। তবে এই অর্জন শুধু আমার একার নয়—আমার শিক্ষক, পরিবার ও সহপাঠীদের সহযোগিতা এবং অনুপ্রেরণারও ফল। এই স্বীকৃতি আমাকে ভবিষ্যতে আরও ভালো করার অনুপ্রেরণা দিচ্ছে।"

অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মামুনুর রশীদ বলেন, "প্রতিটি বিভাগেই নারী শিক্ষার্থীরা ভালো করছে। বেশিরভাগ বিভাগে প্রথম দিকের সিরিয়ালে মেয়েদের উপস্থিতি বেশি। এটি নারীদের জন্য খুবই ইতিবাচক একটি দিক। একসময় নারীদের শিক্ষা থেকে বঞ্চিত করা হতো। এখন সেখানেই তারা ভালো করছে। এটি অত্যন্ত গর্বের বিষয়। আজ যারা পুরস্কৃত হলেন, তাদের জন্য শুভকামনা রইল।"

তিনি আরও বলেন, "আমি আশা করি, আপনারা জুলাই-৩৬ হলকে আরও ভালো জায়গায় নিয়ে যাবেন এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়কে বিশ্বের সামনে তুলে ধরবেন। পাশাপাশি সমাজের প্রতিটি ক্ষেত্রে সমানভাবে অবদান রাখবেন।"

উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল আলীম বলেন, "আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের নারী শিক্ষার্থীরা খুব ভালো করছে। এটি আমাদের জন্য গর্বের বিষয়। তারা বিভাগের নাম, হলের নাম এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম উজ্জ্বল করছে। ভবিষ্যতেও এই ধারা অব্যাহত থাকবে বলে আশা করি। সবার জন্য শুভকামনা রইল।"

জুলাই-৩৬ হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. লাভলী নাহার বলেন, "আমাদের কৃতি শিক্ষার্থীদের এই সাফল্যে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত ও গর্বিত। তাদের দীর্ঘদিনের পরিশ্রম ও অধ্যবসায়ের স্বীকৃতি হিসেবে আজকের এই সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়েছে। এই স্বীকৃতি তাদের ভবিষ্যতে আরও ভালো ফলাফল অর্জন এবং নিজ নিজ ক্ষেত্রে সাফল্য লাভে অনুপ্রেরণা জোগাবে। আমরা আশা করি, তারা রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ও জুলাই-৩৬ হলের সুনাম আরও উজ্জ্বল করবে এবং ভবিষ্যতে সমাজ ও দেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।"

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন-বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তরের প্রশাসক অধ্যাপক ড. এস এম কামরুজ্জামান, প্রক্টর অধ্যাপক ড. মাহবুবর রহমান, প্রাধ্যক্ষ পরিষদের আহবায়ক অধ্যাপক ড. শরিফুল ইসলাম, শাহ মাখদুম হলের প্রাধ্যক্ষ ড. সারওয়ার জাহান, বেগম খালেদা জিয়া হলের প্রভোস্ট ড. শরমিন হামিদ, মন্নুজান হলের প্রাধ্যক্ষ ড. আশিয়ারা খাতুন, রহমাতুন্নেসা হলের প্রাধ্যক্ষ ড. মোসা. ইসমত আরা বেগম, রোকেয়া হলের প্রাধ্যক্ষ ড. সাবিনা সুলতানা, তাপসী রাবেয়া হলের প্রাধ্যক্ষ ড. তারান্নুম নাজসহ জুলাই-৩৬ হলের শিক্ষার্থী ও আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%