প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
আজ উপমহাদেশের বিশিষ্ট আলেম, রাজনীতিক, সাংবাদিক ও সমাজসেবক মাওলানা শামছুল হুদা পাঁচবাগীর ৩৮তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত হচ্ছে। তিনি ১৯৮৮ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর ৯১ বছর বয়সে ময়মনসিংহ শহরের ব্রাহ্মপল্লীতে অবস্থিত নিজ বাসভবনে ইন্তেকাল করেন। এই উপলক্ষে গফরগাঁওয়ের পাঁচবাগ, ময়মনসিংহ এবং ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে কোরআনখানি ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, মাওলানা শামছুল হুদা পাঁচবাগী শোষিত ও বঞ্চিত মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় অত্যাচারী জমিদার ও সরকারের বিরুদ্ধে আপসহীনভাবে সংগ্রাম করেছেন। তিনি সাধারণ মানুষের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠায় ১ হাজার ২১টি মামলা পরিচালনা করেন এবং এসব মামলায় তিনি সাফল্য অর্জন করেন। তাঁর পক্ষে আইনজীবী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক, বিচারপতি আবদুস সাত্তার, অ্যাডভোকেট কফিল উদ্দিন চৌধুরীসহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিরা। তিনি আমৃত্যু ঐতিহাসিক শাহজাদি বেগম ওয়াকফ এস্টেটের মুতাওয়াল্লী ছিলেন। তাঁর সংগ্রামে অনুপ্রাণীত হয়ে টিপু সুলতানের বংশধর মোঘলকন্যা শাহজাদি বেগম মাওলানা শামছুল হুদা পাঁচবাগীর অজান্তেই তাঁকে বৃহত্তর ঢাকা ও ময়মনসিংহের তিনটি তৌজিভুক্ত বিশাল ওয়াকফ সম্পত্তির মুতাওয়াল্লী নিযুক্ত করেন। এই সম্পত্তি রক্ষার জন্য আইয়ুব সরকারের বিরুদ্ধে ৪৫০টি মোকদ্দমা লড়তে হয় এবং তিনি সবগুলোতেই জয়লাভ করেন।
বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়েছে, মাওলানা পাঁচবাগী ভাষা আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছিলেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি তাঁর ছয়টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও বাড়ির আঙিনায় মুক্তিযোদ্ধা এবং হিন্দু সম্প্রদায়ের বহু মানুষকে আশ্রয়, খাদ্য ও সহায়তা প্রদান করেন।
তিনি বাংলা, ইংরেজি, আরবি, উর্দু ও ফারসি ভাষায় বিভিন্ন গ্রন্থ রচনা করেছেন। সাংবাদিক হিসেবেও তাঁর অবদান ছিল উল্লেখযোগ্য। তিনি বাংলা, আরবি ও উর্দু ভাষায় যথাক্রমে ‘দ্বীন-দুনিয়া’, ‘হুজ্জাতুল ইসলাম’ ও ‘তর্জুমানে দ্বীন’ পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক ছিলেন।
মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে বিভিন্ন সংগঠন পৃথক স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন