প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
নড়াইলে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে অংশগ্রহণকারীদের প্রতি ‘মারতে’ ১ থেকে ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত পুরস্কার ঘোষণা করার অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় ১১ জনের বিরুদ্ধে নড়াইল সদর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে।
গতকাল সোমবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে এই অভিযোগটি দলের জেলা কমিটির সদস্যসচিব আমিরুল ইসলাম, যিনি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রতিনিধি, করেছেন। অভিযোগে বলা হয়, অভিযুক্তরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে উসকানিমূলক লেখা, ভুয়া ভিডিও পোস্ট এবং আন্দোলনের নেতাদের মারার জন্য ৫০ হাজার টাকা, ১ লাখ টাকা, ২ লাখ টাকা, ৫ লাখ টাকার মতো পুরস্কার ঘোষণা করেছেন। এই বিষয়টি আমাদের ব্যক্তিগত জীবনের নিরাপত্তার জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।
অভিযুক্তদের মধ্যে আছেন মো. মিজানুর রহমান নয়ন (৩৮), সৌরভ কর্মকার (২৬), ইসলাম হৃদয় (২৬), একই এলাকার শাহাদাত হোসেন রায়হান (২৫), ইমন শিকদার (২৪), মিলন জমাদ্দার (২৯), মো. ইস্রাফিল (২৫), মো. সজীব চৌধুরী (২৬), এস কে আসলাম (২৫), মো. আব্দুল্লাহ আল জাবের লোটাস (৪০) এবং মো. জুবায়ের শেখ (২০)।
নড়াইল জেলা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সদস্যসচিব আমিরুল ইসলাম মন্তব্য করেছেন, ‘জুলাই আসায় আওয়ামী লীগ পাগল হয়ে গেছে। বিদেশে বা বিভিন্ন অজ্ঞাত স্থানে পালিয়ে থেকে তারা এ ধরনের হুমকি দিচ্ছে। তাদের আইনের আওতায় আনা খুবই জরুরি। আমরা আইনগত ব্যবস্থা নিতে প্রস্তুত আছি।
উনি বলেন, ‘প্রতিকার চাই, তবে প্রতিকার না পেলে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করব।’
অভিযোগের মধ্যে অভিযুক্ত আব্দুল্লাহ আল জাবের জানান, তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ ভিত্তিহীন, মিথ্যা এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তিনি আরও বলেছেন, অভিযোগে যাদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে তাদের তিনি ব্যক্তিগতভাবে চেনেন না। তিনি জানান, অভিযোগকারী ব্যক্তিকে নিয়েও তিনি কিছু জানেন না।
নড়াইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অজয় কুমার কুণ্ডু এই অভিযোগের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘অভিযোগের তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন