প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
লেবানন ও সিরিয়ায় ইসরাইলের সামরিক হামলা ও আগ্রাসনের নিন্দা জানানোর পর ইসরাইলের যুদ্ধবাজ প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ানের ব্যাপক সমালোচনা করেছেন। তিনি তুর্কি প্রেসিডেন্টের বক্তব্যের জবাবে তাকে ‘ইহুদিবিদ্বেষী স্বৈরশাসক’ আখ্যা দিয়ে কড়া প্রতিক্রিয়া জানান।
বুধবার (১০ জুন) তুরস্কের প্রেসিডেন্ট বলেন, সিরিয়া ও লেবাননে ইসরাইলের হামলা এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে তা এখন তুরস্কের জন্যও হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। তিনি আরও মন্তব্য করেন, ইসরাইলের ‘আগ্রাসন’ পুরো বিশ্বের জন্য ঝুঁকি সৃষ্টি করছে এবং এটি অবশ্যই বন্ধ করতে হবে।
এরদোয়ানের এই বক্তব্যের কয়েক ঘণ্টা পরই নেতানিয়াহু কড়া প্রতিক্রিয়া জানান। তিনি হিব্রু ভাষায় এক বিবৃতিতে বলেন, ‘ইহুদিবিদ্বেষী স্বৈরশাসক এরদোয়ান, কুর্দিদের বিরুদ্ধে গণহত্যা চালাচ্ছেন, হামাসকে সমর্থন করছেন, নিজ দেশের জনগণকে দমন করছেন এবং রাজনৈতিক প্রতিপক্ষদের কারাগারে বন্দি করছেন—তিনি ইসরাইলকে নৈতিকতার পাঠ দেয়ার শেষ ব্যক্তি।’
এছাড়া তিনি আরও বলেন, ‘ইসরাইল এবং বিশ্বের সবচেয়ে নৈতিক সেনাবাহিনী আইডিএফ ইরান ও তার মিত্র গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে দৃঢ় পদক্ষেপ নিতে থাকবে। এসব গোষ্ঠী মধ্যপ্রাচ্য ও পুরো বিশ্বের জন্য হুমকি সৃষ্টি করছে।’
দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন ও পশ্চিমা দেশের অভিযোগ অনুযায়ী, তুরস্কের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক বিরোধীদের দমনের অভিযোগ উঠে আসছে। এছাড়া, তুরস্কের কুর্দি গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে দেশটির সামরিক অভিযানের বিষয়েও সমালোচনা রয়েছে। তবে আঙ্কারা এসব অভিযোগ, বিশেষ করে গণহত্যার অভিযোগ, বরাবরই অস্বীকার করে এসেছে।
ইসরাইল এর আগে এরদোয়ানের বিরুদ্ধে হামাসকে সমর্থনের অভিযোগ করেছে। বলা হচ্ছে, হামাসের বেশ কয়েকজন শীর্ষ নেতা তুরস্কে অবস্থান করছেন।
এরদোয়ান অতীতে হামাস সদস্যদের ‘স্বাধীনতা সংগ্রামী’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি ইসরাইলের সমালোচনা করতে গিয়ে দেশটিকে নাৎসি জার্মানির সঙ্গে তুলনা করেছেন এবং নেতানিয়াহুকে অ্যাডলফ হিটলারের সঙ্গে তুলনা করার কথাও বলেছেন।
তথ্যসূত্র: টাইমস অব ইসরাইল
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন