প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলার গাঁওদিয়া এলাকায় পদ্মা নদীর তীর রক্ষা বাঁধের জিও ব্যাগ ধসের ঘটনা ঘটেছে। এই পরিস্থিতিতে নদীপাড়ের বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। ভাঙন থেকে রক্ষা পেতে বসতবাড়ি সরানোর উদ্যোগ নিচ্ছেন কিছু পরিবার। স্থানীয়রা আশঙ্কা করছেন, দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে তারা তাদের ভিটেমাটি হারাতে পারেন।
শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সকালে লৌহজং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারজানা ববি মিতু ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন করেন। তিনি জানান, পানি উন্নয়ন বোর্ডের সঙ্গে আলোচনা করেছেন এবং তারা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
সরেজমিনে দেখা যায়, পদ্মা নদীর তীব্র স্রোত ও ঘূর্ণিপাকের কারণে পশ্চিম গাঁওদিয়া ইদ্রিস বেপারীর বাড়ির সামনে নদীর তীর ভাঙছে। তীর রক্ষা বাঁধের বালুভর্তি জিও ব্যাগ ধসে পড়ার ফলে নদীপাড়ের বসতবাড়ি ও জমিজমা ঝুঁকির সম্মুখীন হয়েছে। ভাঙনের আশঙ্কায় স্থানীয় বাসিন্দারা তাদের ঘরবাড়ি নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিচ্ছেন। ইতোমধ্যে সুরুজ বেপারির ঘরও সরানো হচ্ছে।
স্থানীয়রা জানান, শুক্রবার সকাল থেকে নদীর তলদেশে ভাঙন শুরু হয়। এরপর তীর রক্ষা বাঁধের জিও ব্যাগ ধসতে শুরু করে। অল্প সময়ের মধ্যে নদীতীরবর্তী প্রায় ২০০ ফুট এলাকা ভেঙে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। এতে আশপাশের বসতবাড়ি ও জমিজমা নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।
পশ্চিম গাঁওদিয়া এলাকার বাসিন্দা সোরহাব ও আলাউদ্দিন বলেন, হঠাৎ করে পদ্মার তীব্র স্রোতে নদীর পাড়ের জিও ব্যাগ ধসতে শুরু করেছে। তারা চোখের সামনে জমি নদীতে তলিয়ে যেতে দেখছেন। দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে তাদের ভিটেমাটি হারানোর আশঙ্কা রয়েছে।
গাঁওদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের ১ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য তোবারক ঢালী জানান, নদীর তলদেশ দিয়ে ভাঙন শুরু হয়েছে। শুক্রবার সকাল থেকে জিও ব্যাগ ধসতে শুরু করেছে। দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হলে ভাঙন আরও তীব্র আকার ধারণ করতে পারে।
এ অবস্থায় নদীভাঙন রোধে ক্ষতিগ্রস্ত স্থানে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ঝুঁকিপূর্ণ বসতবাড়ি ও জমিজমা রক্ষায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন