প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে পুলিশের এবং বিজিবির যৌথ অভিযান পরিচালনার ফলে ৫৫টি ভারতীয় চোরাই মোবাইল ফোনসহ এনামুল হক অন্তর (২৬) নামের এক যুবককে আটক করা হয়েছে। পুলিশ জানায়, উদ্ধার করা মোবাইল ফোনগুলোর অবৈধ সিজার মূল্য আনুমানিক ১৩ লাখ টাকা।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) রাতে উপজেলার তিলাই ইউনিয়নের আসাদমোড় এলাকা থেকে এনামুল হক অন্তরকে আটক করা হয়।
স্থানীয়দের অভিযোগ, আসাদমোড় এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে একটি চক্র ভারতীয় চোরাই মোবাইল ফোনের কেনাবেচার সঙ্গে জড়িত। পুলিশ জানায়, ভূরুঙ্গামারী পুলিশ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন মুনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল এবং কুড়িগ্রাম-২২ বিজিবির ধলডাঙ্গা ক্যাম্প কমান্ডার সুবাদার মো. মতিউর রহমানের নেতৃত্বে বিজিবির একটি দল, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালায়। অভিযানের সময় উত্তর তিলাইয়ের বিএসসি পাড়া এলাকার মো. ময়েন আলীর ছেলে এনামুল হক অন্তরের বাড়িতে রহস্যজনকভাবে মোবাইল ফোনগুলি লুকিয়ে রাখা ছিল।
অভিযান চলাকালে তার বাড়ির হাঁস-মুরগির খোঁয়াড় থেকে ৫৫টি ভারতীয় মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। জব্দ করা ফোনগুলোর মধ্যে আইফোন, মটোরোলা, অপ্পো, রেডমি, রিয়েলমি ও ভিভোসহ বিভিন্ন ব্র্যান্ড অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
ভূরুঙ্গামারীর তিলাই ইউনিয়নের আসাদমোড় নামক স্থানে দীর্ঘদিন ধরে অবাধে ভারতীয় চোরাই মোবাইল বিক্রি হয়ে আসছিল। রংপুর, ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে মোবাইল ব্যবসায়ীরা এসে এসব মোবাইল ক্রয় করে নিয়ে যেত। সীমান্তবর্তী ভারতের বিভিন্ন স্থানে চুরি বা ছিনতাই হওয়া মোবাইল ফোন সীমান্ত অতিক্রম করে বাংলাদেশে ছড়িয়ে দিচ্ছিল একটি ভারতীয়-বাংলাদেশি চোরাচালান চক্র। এইভাবে দেশের অভ্যন্তরে অবৈধ ও রেজিষ্ট্রেশনবিহীন চোরাই মোবাইল ফোন ছড়িয়ে পড়ছিল।
বর্তমানে এসব ফোন ব্যবহার করে অপরাধী চক্র দেশে বিভিন্ন স্থানে বড় ধরনের অপরাধ করছে। সীমান্তপথে অবৈধভাবে আসা চোরাই মোবাইল দেশের বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি রয়েছে। বিশেষ করে নিবন্ধনহীন বা অবৈধ আইএমইআইযুক্ত মোবাইল অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে ব্যবহারের আশঙ্কা রয়েছে। এ বিষয়ে ভূরুঙ্গামারী পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন মুন বলেন, আসাদমোড় নামক স্থানটি দীর্ঘদিন ধরে মোবাইল চোরাকারবারিদের আখড়ায় পরিণত হয়েছিল। বিজিবির সহায়তায় সুচারুভাবে যৌথ অভিযান চালিয়ে এসব মোবাইল জব্দ করা হয়েছে। বিজিবির সঙ্গে সমন্বয় করে চোরাকারবারিদের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন