ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ইনসাফের কথা বলা অপকর্মকারীদের জনগণ বিশ্বাস করে না: পানিসম্পদমন্ত্রী


ইনসাফের কথা বলা অপকর্মকারীদের জনগণ বিশ্বাস করে না: পানিসম্পদমন্ত্রী

লক্ষ্মীপুর, ২৬ জুলাই, ২০২৬ : পানিসম্পদমন্ত্রী ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, যারা ইনসাফের কথা বলে, তাদের অপকর্মের শেষ নেই। জনগণ তাদের বিশ্বাস করে না। জামায়াত ও এনসিপির রাজনীতি দেশের মানুষের প্রত্যাশা পূরণে সক্ষম নয় বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

আজ রোববার সন্ধ্যায় লক্ষ্মীপুর শহরের একটি চাইনিজ রেস্টুরেন্টে জেলা আইনজীবী ফোরামের উদ্যোগে আয়োজিত নবীন আইনজীবীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

পানিসম্পদমন্ত্রী বলেন, ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগ যেভাবে ক্ষমতা থেকে বিদায় নিয়েছে, সেই অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিতে হবে। চাকরি, সামাজিক কর্মকাণ্ড কিংবা রাষ্ট্র পরিচালনায় অতীতের অন্যায় ও বৈষম্যমূলক চর্চার পুনরাবৃত্তি হলে জনগণ কোনো রাজনৈতিক দলকেই আস্থার জায়গায় রাখবে না। জবাবদিহিতা নিশ্চিত করেই রাষ্ট্র পরিচালনা করতে হবে।

আরও পড়ুন: বাংলাদেশ-জাপান চুক্তি: ২০২৭ সালের এপ্রিল থেকে শুরু হবে পাঁচ বছর মেয়াদি কর্মসংস্থান চুক্তি

তিনি বলেন, স্বাধীনতার পর থেকে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির রাজনীতির মধ্যে মৌলিক পার্থক্য রয়েছে। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে বিশ্বাস করে এবং দেশের অন্যান্য রাজনৈতিক দলের সহাবস্থানে আস্থা রাখে।

শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি আরও বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছর আওয়ামী লীগের শাসনামলে দেশের মানুষ যে বাস্তবতার মুখোমুখি হয়েছে, তা সবারই জানা। তাই আওয়ামী লীগকে নিয়ে আলাদা করে কিছু বলার প্রয়োজন পড়ে না। তিনি দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, এমন কোনো বক্তব্য বা আচরণ করা উচিত নয়, যাতে কেউ আহত হন বা কষ্ট পান।

লক্ষ্মীপুর জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সভাপতি হাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক আহমেদ ফেরদাউস মানিকের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন লক্ষ্মীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য আবুল খায়ের ভূঁইয়া, জাতীয় সংসদের হুইপ ও লক্ষ্মীপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য এ বি এম আশরাফ উদ্দিন নিজান, জেলা পরিষদের প্রশাসক সাহাব উদ্দিন সাবু এবং জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হাছিবুর রহমান।

আরও পড়ুন: হাসনাত আবদুল্লাহর অভিযোগ, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ব্যর্থতার শিকার প্রতিমন্ত্রী ইশরাক

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
জঙ্গল সলিমপুর

যৌথবাহিনীর ক্যাম্পের পানির লাইনে বিষ মেশানোর অভিযোগ, তদন্তে পুলিশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৭শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:১৯ এম


যৌথবাহিনীর ক্যাম্পের পানির লাইনে বিষ মেশানোর অভিযোগ, তদন্তে পুলিশ

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার জঙ্গল সলিমপুরে যৌথবাহিনীর অস্থায়ী ক্যাম্পের পানির সরবরাহ লাইনে বিষ মেশানোর অভিযোগ উঠেছে। পুলিশ প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে যে, ঘটনাটি পরিকল্পিত ও অন্তর্ঘাতমূলক কর্মকাণ্ড হতে পারে। বিষয়টি নিশ্চিত করতে, পানির নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য ল্যাবরেটরিতে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ সূত্র জানায়, রবিবার (২৬ জুলাই) সকালে ক্যাম্পে দায়িত্ব পালনরত পুলিশ সদস্যরা পানি পান করতে গিয়ে দুর্গন্ধ ও পানিতে সাদা ফেনা দেখতে পান। তাদের সন্দেহ হওয়ায় তারা তাৎক্ষণিকভাবে পানি পান করা থেকে বিরত থাকেন। পরে পানির সরবরাহ লাইনের ট্যাংক খুলে সেখানেও ফেনা দেখা যায়।

এ ঘটনা জানার পর জেলা পুলিশের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে পানির নমুনা সংগ্রহ করেন। পুলিশের একটি সূত্রের বরাত দিয়ে জানা যায়, পানির সরবরাহ লাইনের কাছাকাছি এলাকা থেকে বিষের একটি খালি কৌটাও উদ্ধার করা হয়েছে।

চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম) মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, তীব্র দুর্গন্ধ লক্ষ্য করে ধারণা করা হচ্ছে, সম্ভবত ফসলের ক্ষেতে ব্যবহৃত কোনো কীটনাশক পানিতে মেশানো হতে পারে। সব জায়গায় দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়েছিল। বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে এবং প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি পরিকল্পিত ও অন্তর্ঘাতমূলক বলেই মনে হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, সময়মতো বিষয়টি শনাক্ত হওয়ায় ক্যাম্পের কোনো পুলিশ সদস্য ওই পানিটি পান করেননি।

উল্লেখ্য, জঙ্গল সলিমপুরের দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে একাধিক সন্ত্রাসী বাহিনীর কার্যক্রমের অভিযোগ রয়েছে। পাহাড় কেটে সরকারি জমি দখল ও বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগে এই এলাকা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারিতে রয়েছে।

এর আগে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের ওপর হামলার ঘটনা ওই এলাকায় ঘটেছে। সন্ত্রাসীদের হামলায় র‌্যাবের এক কর্মকর্তার মৃত্যুর পর সেখানে যৌথবাহিনীর অস্থায়ী ক্যাম্প স্থাপন করা হয় এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কাঠমান্ডুতে বাংলাদেশের বিভিন্ন জাতের আম ও আমজাত পণ্যের উৎসব প্রদর্শনী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ২৭শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:২৩ এম


কাঠমান্ডুতে বাংলাদেশের বিভিন্ন জাতের আম ও আমজাত পণ্যের উৎসব প্রদর্শনী

বাংলাদেশ দূতাবাস, কাঠমান্ডু; রবিবার কাঠমান্ডুস্থ দূতাবাস-সংলগ্ন উৎসব কুঞ্জ (Utsav Kunja) ব্যাংকুয়েট হলে ‘বাংলাদেশ ম্যাঙ্গো ডেলিকেসি’ শীর্ষক এক বিশেষ আম উৎসবের আয়োজন করা হয়। এ উৎসবের মাধ্যমে বাংলাদেশের সমৃদ্ধ আমের ঐতিহ্য, অনন্য গুণগত মান এবং বৈচিত্র্যময় স্বাদের পরিচয় তুলে ধরা হয় এবং তাজা ফল ও মূল্য সংযোজিত প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্যের রপ্তানিতে বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান সম্ভাবনা তুলে ধরা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন সার্ক সচিবালয়ের মহাসচিব রাষ্ট্রদূত মো. গোলাম সারওয়ার। বিশেষ অতিথি হিসাবে নেপালের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দক্ষিণ এশিয়া বিভাগের যুগ্মসচিব জনাব গহেন্দ্র রাজভাণ্ডারী নেপালের পররাষ্ট্র সচিবের পক্ষে অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন। এছাড়া বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক, নেপাল সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, ব্যবসায়ী প্রতিনিধি, শীর্ষস্থানীয় আমদানিকারক, গণমাধ্যমকর্মী, এবং অন্যান্য আমন্ত্রিত অতিথিরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

স্বাগত বক্তব্যে বাংলাদেশ দূতাবাসের রাষ্ট্রদূত মো. শফিকুর রহমান কৃষি ও কৃষিপণ্যভিত্তিক শিল্পে বাংলাদেশের সাম্প্রতিক অগ্রগতির কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশে আম কেবল একটি ফল নয়; এটি আমাদের সংস্কৃতি, ঐতিহ্য, কৃষি এবং জীবনযাত্রার অবিচ্ছেদ্য অংশ। মুঘল আমলের ইতিহাসের নানা প্রসঙ্গ উল্লেখ করে তিনি বলেন, উর্বর পলিমাটি ও অনুকূল জলবায়ুর কারণে বাংলাদেশ বিশ্বের উৎকৃষ্টতম আম উৎপাদনকারী দেশগুলোর অন্যতম। তিনি উল্লেখ করেন খিরসাপাত (হিমসাগর), হাঁড়িভাঙা, ল্যাংড়া, ফজলি, গোপালভোগ, আম্রপালি, আশ্বিনা, বানানা ম্যাঙ্গো, কাটিমন, গৌরমতি এবং বারি আমসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন জাতের আম তাদের অতুলনীয় মিষ্টতা, অনন্য সুবাস, উচ্চমান এবং পুষ্টিগুণের জন্য বিশ্বব্যাপী সমাদৃত।

রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, বাংলাদেশের বিজ্ঞানী ও গবেষকেরা মৌসুমের পরে দেরিতে ফলনশীল বিভিন্ন নতুন জাতের বারি আম উদ্ভাবন এবং বিদেশি কিছু জাতের সফল অভিযোজনের মাধ্যমে আম গবেষণায় উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছেন। তিনি দেশের বেসরকারি খাতের প্রশংসা করে বলেন, বাংলাদেশের আমভিত্তিক প্রক্রিয়াজাত শিল্প ইতোমধ্যে আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন আমের জুস, নেকটার, পাল্প, জ্যাম, আচার, চাটনি, শুকনো আম, ক্যান্ডি, ফ্রুট বার, ডেজার্টসহ নানা ধরনের মূল্য সংযোজিত পণ্য উৎপাদনে সফলতা অর্জন করেছে।

দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশের আমের ঐতিহ্য ও স্বাদের প্রসঙ্গ তুলে ধরে সার্ক মহাসচিব রাষ্ট্রদূত মো. গোলাম সারওয়ার বলেন, বিপুল সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও এ অঞ্চলের আম ও আমজাত পণ্যের রপ্তানি এখনও প্রত্যাশিত পর্যায়ে পৌঁছায়নি। তিনি এ ধরনের উদ্যোগ গ্রহণের জন্য বাংলাদেশ দূতাবাসকে অভিনন্দন জানান এবং কৃষি খাতে সার্কভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে সহযোগিতা আরও জোরদারের আহ্বান জানান।

বিশেষ অতিথি নেপালের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব জনাব গহেন্দ্র রাজভাণ্ডারী বাংলাদেশ দূতাবাসকে এ ধরনের ব্যতিক্রমী আয়োজনের জন্য ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, এ উদ্যোগ শুধু বাংলাদেশের আন্তরিকতা ও আতিথেয়তার পরিচয় বহন করে না; বরং দুই বন্ধুত্বপূর্ণ দেশের জনগণের মধ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সেতুবন্ধন গড়ে তুলতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তিনি রাষ্ট্রদূত মো. শফিকুর রহমানের ‘ম্যাঙ্গো ডিপ্লোমেসি’ উদ্যোগের প্রশংসা করেন এবং বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে পারস্পরিক সম্প্রীতি ও বন্ধুত্ব আরও জোরদারের লক্ষ্যে এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

প্রদর্শনীতে বাংলাদেশের বিভিন্ন জাতের তাজা আমের পাশাপাশি আমভিত্তিক প্রক্রিয়াজাত নানাবিধ পণ্যের একটি সমৃদ্ধ সংগ্রহ প্রদর্শন করা হয়। অতিথিরা বাংলাদেশের আমের স্বাদ, বৈচিত্র্য ও রন্ধনশৈলীর সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগ পান। সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার দর্শনার্থীরা বাংলাদেশের আধুনিক উদ্যানতত্ত্ব, টেকসই কৃষি এবং খাদ্য প্রক্রিয়াজাত প্রযুক্তির অগ্রগতি সম্পর্কে নতুন ধারণা লাভ করেন।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের সফল আমচাষি রফিকুল ইসলাম তার গত ১৫ বছরের আম চাষের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। তিনি বাংলাদেশ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে গুড অ্যাগ্রিকালচারাল প্র্যাকটিসেস (GAP) অনুসরণ করে নিরাপদ ও মানসম্মত আম উৎপাদনের বিভিন্ন পদ্ধতি এবং নিজের বাস্তব অভিজ্ঞতা অতিথিদের সামনে উপস্থাপন করেন।

এই উৎসব শুধু বাংলাদেশের কৃষি সাফল্যের উদযাপনই নয়; বরং বাংলাদেশ ও নেপালের মধ্যে অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোরদারের একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ। এর মাধ্যমে নেপালের ভোক্তাদের মধ্যে বাংলাদেশের আম ও আমজাত পণ্যের প্রতি নতুন করে আগ্রহ সৃষ্টি হয়েছে এবং দুই দেশের রপ্তানিকারক ও আমদানিকারকদের মধ্যে ব্যবসায়িক অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার মাধ্যমে দ্বিপাক্ষিক কৃষি ও খাদ্যপণ্যের বাণিজ্য সম্প্রসারণের পথ সুগম করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। উপস্থিত অতিথিরা বাংলাদেশের আমের অসাধারণ স্বাদ, গুণগত মান ও বৈচিত্র্যের ভূয়সী প্রশংসা করেন।

বাংলাদেশ দূতাবাস বাংলাদেশ ও নেপালের মধ্যে বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও সাংস্কৃতিক বিনিময় সম্প্রসারণে তার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে এবং আশা প্রকাশ করে, ‘বাংলাদেশ ম্যাঙ্গো ডেলিকেসি’-এর মতো উদ্যোগ দুই দেশের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব ও পারস্পরিক লাভজনক অংশীদারিত্বকে আরও সুদৃঢ় করবে।

উৎসবে বাংলাদেশের রাজশাহীর মৌসুমের পরে দেরিতে উৎপাদিত বিভিন্ন জাতের আম, যেমন—ফজলি, আম্রপালি, বারি-৪, কাটিমন, গৌরমতি, আশ্বিনা প্রভৃতি প্রদর্শন করা হয়। পাশাপাশি বাংলাদেশের বিভিন্ন ব্র্যান্ডের আমের জুস, আচার, ফ্রুট বার, শুকনো আম, চাটনি, জ্যাম ও জেলিসহ নানা ধরনের প্রক্রিয়াজাত আমপণ্যও প্রদর্শিত হয়। অতিথিদের জন্য আমের কেক, ম্যাঙ্গো স্টিকি রাইস, ম্যাঙ্গো পুডিংসহ বিভিন্ন ধরনের আমের ডেজার্ট পরিবেশন করা হয়। এছাড়া বাংলাদেশে আম চাষ, দেশের সংস্কৃতি, পর্যটন এবং Beautiful Bangladesh-এর ওপর নির্মিত প্রামাণ্যচিত্রও প্রদর্শন করা হয়।

অনুষ্ঠানে ফল ব্যবসায়ী, আমদানিকারক, ব্যবসায়ী সংগঠনের প্রতিনিধি, চেম্বার নেতৃবৃন্দসহ প্রায় ২৫০ জন অতিথি ছাড়াও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানের শেষে অতিথিদের জন্য ঐতিহ্যবাহী বাংলাদেশি খাবারের আপ্যায়নের ব্যবস্থা করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বার্লিন প্রাইড হামলার সন্দেহভাজন পুলিশের গুলিতে নিহত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ২৭শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:২৭ এম


বার্লিন প্রাইড হামলার সন্দেহভাজন পুলিশের গুলিতে নিহত

জার্মানির রাজধানী বার্লিনে প্রাইড উদযাপনের কাছে জনতার ওপর গাড়ি চালিয়ে দেওয়ার ঘটনায় সন্দেহভাজন পুলিশের গুলিতে নিহত হয়েছেন। এ বিষয়ে জার্মান সংবাদমাধ্যম আরবিবি জানিয়েছে, নিহত সন্দেহভাজন ২১ বছর বয়সী আব্দুল বাল্লুত।

ইন্ডিয়া টুডের এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানা যায়। রিপোর্টে বলা হয়, শনিবার (২৫ জুলাই) রাতে দেশজুড়ে অভিযান চালিয়ে আবদুল বাল্লুতকে খোঁজা হচ্ছিল। এরপর বার্লিনের স্পানডাউ জেলার একটি অ্যালটমেন্ট গার্ডেন কমপ্লেক্সে পুলিশের অভিযানে নিহত হন তিনি। তবে এবিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি বার্লিন পুলিশ।

এর আগে, শনিবার সন্ধ্যায় বার্লিনের ব্র্যান্ডেনবার্গ গেটের কাছে টিয়ারগার্টেন পার্কসংলগ্ন এলাকায় প্রাইড উদযাপনের কাছে জনতার ওপর গাড়ি চালিয়ে দেওয়ার ঘটনায় ১ জন মানুষ নিহত ও ২৯ জন আহত হন।

ইউরোপের অন্যতম বৃহত্তম এলজিবিটিকিউ আয়োজন ‘ক্রিস্টোফার স্ট্রিট ডে’ উপলক্ষে লাখ লাখ মানুষ বার্লিনে সমবেত হন। তবে এ ঘটনার পর উৎসবস্থল জুড়ে আতঙ্ক ও শোকের ছায়া নেমে আসে।

উল্লেখ্য, ১৯৬৯ সালের নিউ ইয়র্কের ঐতিহাসিক স্টোনওয়াল আন্দোলনের স্মরণে ১৯৭৯ সাল থেকে প্রতি বছর বার্লিনে সমতা ও বৈষম্যবিরোধী এই প্রাইড প্যারেড আয়োজন করা হচ্ছে।

তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জার্মানিতে ভিড়ের ওপর গাড়ি চালিয়ে দেওয়ার একাধিক ঘটনা ঘটেছে। এর আগে লাইপজিগ, ম্যানহাইম ও ম্যাগডেবার্গের ক্রিসমাস মার্কেটেও গাড়ি হামলায় বেশ কয়েকজন প্রাণ হারিয়েছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রতিটি বাজার পরিচ্ছন্ন রাখতে কেসিসি প্রশাসকের কঠোর নির্দেশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৭শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:৩৭ এম


প্রতিটি বাজার পরিচ্ছন্ন রাখতে কেসিসি প্রশাসকের কঠোর নির্দেশ

খুলনা সিটি কর্পোরেশনের (কেসিসি) প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু নগরীতে ডেঙ্গু সংক্রমণ প্রতিরোধের জন্য বাজারসমূহ পরিচ্ছন্ন রাখা এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম আরও জোরদার করার নির্দেশ দিয়েছেন। এ লক্ষ্যে দায়িত্ব পালনে কোনো ধরনের অবহেলা বা দুর্নীতি তিনি সহ্য করবেন না বলে সতর্ক করেন।

আজ রোববার নগরীর দৌলতপুরের ৫ নম্বর ওয়ার্ড অফিস মিলনায়তনে ১ থেকে ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের মাঠপর্যায়ের পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের সঙ্গে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার বিষয়ক মতবিনিময় সভায় তিনি এ নির্দেশনা প্রদান করেন। সভাটির সভাপতিত্ব করেন কেসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাজিব আহমেদ। সভায় ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।

প্রশাসক বলেন, নগরীর ১ থেকে ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের সব বাজার নিয়মিত পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। দুপুরের পর বর্জ্য অপসারণ শুরুর পর রাতের মধ্যেই সম্পন্ন করতে হবে। পাশাপাশি প্রতিদিন সকাল ও বিকেলে দুই দফায় সড়ক পরিষ্কার করা প্রয়োজন।

ওয়ার্ড সুপারভাইজারদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে কোনো ধরনের অবহেলা গ্রহণযোগ্য হবে না। যদি কেউ দায়িত্ব পালনে দুর্নীতির আশ্রয় নেন, তাহলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, নগরবাসীর করের অর্থের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। বিনা অনুমতিতে অনুপস্থিত কর্মীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তার ক্ষেত্রেও সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে।

সভায় বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম প্রতিদিন সকালে ৭টা থেকে ১০টা এবং বিকেল ৩টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত দুই শিফটে পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এছাড়াও পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের ডিউটি পোশাক, পরিচয়পত্র ও সুরক্ষা সামগ্রী প্রদান, সড়ক ও ড্রেনে ময়লা না ফেলার ব্যাপারে সচেতনতামূলক র‌্যালি আয়োজন এবং যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনা ফেললে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার মাধ্যমে জরিমানার আওতায় আনার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। শারীরিকভাবে অক্ষম বয়োবৃদ্ধ শ্রমিকদের পরিবর্তে তাঁদের পরিবারের যোগ্য সদস্যদের নিয়োগের বিষয়েও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

পরে, বিকেলে নগর ভবনের শহীদ আলতাফ মিলনায়তনে ১৬ থেকে ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের মাঠপর্যায়ের পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের সঙ্গে পৃথক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে একই নির্দেশনা দিয়েছেন কেসিসি প্রশাসক।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫১
মাগরিব ০৫:২৮
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%