প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
পবিত্র হজ পালন শেষে শুক্রবার পর্যন্ত মোট ১৮৮টি ফিরতি ফ্লাইটের মাধ্যমে সৌদি আরব থেকে ৬৮ হাজার ২৯৭ জন বাংলাদেশি হাজি দেশে ফিরে এসেছেন। ফেরত আসা হাজিদের মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ফিরেছেন ৪ হাজার ৪৫৯ জন, আর বেসরকারি ট্রাভেল এজেন্সির মাধ্যমে দেশে ফিরেছেন ৬৩ হাজার ৮৩৮ জন হাজি।
এ বছর হজ করতে গিয়ে মোট ৫৫ জন বাংলাদেশি নিজের প্রাণ হারিয়েছেন। তাদের মধ্যে মক্কায় ৩৭ জন, মদিনায় ১৭ জন এবং জেদ্দায় একজন মৃত্যুবরণ করে। তবে মিনা বা মুজদালিফায় কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি।
শনিবার (২৭ জুন) প্রকাশিত হজ বুলেটিনের তথ্য অনুসারে এয়ারলাইনসগুলো মোট ১৮৮টি ফিরতি ফ্লাইট পরিচালনা করেছে, যার মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস ১০২টি, সৌদিয়া এয়ারলাইনস ৬৩টি এবং ফ্লাইনাস এয়ারলাইনস ২৩টি ফ্লাইট পরিচালনা করেছে।
এয়ারলাইনস ভিত্তিক তথ্যে দেখা যায়, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ১০২টি ফ্লাইটে ৩১ হাজার ৯৮১ জন হাজি, সৌদিয়া এয়ারলাইনসের ৬৩টি ফ্লাইটে ২৩ হাজার ১৪৯ জন হাজি, ফ্লাইনাসের ২৩টি ফ্লাইটে ৮ হাজার ৯৬৭ জন হাজি এবং অন্যান্য এয়ারলাইনসের মাধ্যমে ৪ হাজার ২০০ জন হাজি দেশে ফিরেছেন।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বাকি বাংলাদেশের হাজিরা নির্ধারিত এয়ারলাইনসের মাধ্যমে পর্যায়ক্রমে দেশে ফিরবেন।
হজ বুলেটিন মেনে, ৪১৫ জন বাংলাদেশি হাজি সৌদি আরবের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন এবং ১১ জন সেখানে ভর্তি ছিলেন। সৌদি মেডিক্যাল সেন্টারগুলো ৬৭ হাজার ৮৬ জন হাজিকে স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করেছে এবং মক্কা ও মদিনার আইটি হেল্প ডেস্ক ২৮ হাজার ৪০৫ জন হাজিকে বিভিন্ন তথ্য ও সেবা দিয়ে সহায়তা করেছে।
গত ১৮ এপ্রিল চলতি বছরের হজ পরিবহন কার্যক্রম শুরু হয় প্রথম বহির্গামী ফ্লাইটের মাধ্যমে। ২১ মে প্রাক হজ ফ্লাইট সম্পন্ন হয়, এবং ২৬ মে পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হয়। হজের আনুষ্ঠানিকতা শেষে ৩০ মে থেকে ফিরতি ফ্লাইট শুরু হয়, যা আগামী ১ জুলাই পর্যন্ত চলবে।
হজ অফিসের তথ্যমতে, এবারের জন্য বাংলাদেশের সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪ হাজার ৫৬৫ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৭৩ হাজার ৯৩৫ জনসহ মোট ৭৮ হাজার ৫০০ জন হজযাত্রীর কোটা বরাদ্দ ছিল।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন