প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
২০২৫-২৬ ইনসেনটিভ স্কিমের চার মাসে ফুটওয়্যার ব্র্যান্ড ওয়াকারু ৩১ লাখ ২৮ হাজার ৩০৪ জোড়া জুতা বিক্রি করেছে। এই সাফল্যের জন্য শীর্ষ ডিলার, পাইকারি ও খুচরা বিক্রেতাদের প্রতিষ্ঠানটি সম্মাননা প্রদান করেছে।
এই উপলক্ষে ঢাকার লে-মেরিডিয়ানে ওয়াকারু ইনসেনটিভ স্কিমের সমাপনী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। ২০১৯ সাল থেকে প্রতিবছর আয়োজন করা এই ইনসেনটিভ স্কিমের এবারের সময়কাল ছিল ২০২৫ সালের ৫ নভেম্বর থেকে ২০২৬ সালের ৪ মার্চ পর্যন্ত। এতে ওয়াকারুর ১০ হাজারের বেশি খুচরা বিক্রেতা এবং শীর্ষ পাইকার ও ডিলার অংশগ্রহণ করেন।
সমাপনী সম্মেলনে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ৩২০ জনের বেশি ডিলার, পাইকারি ও খুচরা বিক্রেতা উপস্থিত ছিলেন। বিতরণ চেইনের বিভিন্ন স্তরের পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে ছয়টি ক্যাটাগরিতে বিজয়ীদের নগদ পুরস্কার ও সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়। ক্যাটাগরিগুলো হলো—বেস্ট ডিলার, হোলসেলার, রিটেইল মেগা ডিসপ্লে, পিইউ, ইভিএ এবং বেস্ট ইমার্জিং ডিলার।
পুরস্কার বিতরণ করেন ওয়াকারু গ্রুপের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক ভি নৌশাদ, গ্রুপের পরিচালক ভি আব্দুল রশিদ এবং ওয়াকারু বাংলাদেশের পরিচালক ড. শামীম ইমাম ও রামেশ উম্মের। অনুষ্ঠানে ব্র্যান্ডটির ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর ও জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত অভিনেতা আফরান নিশোও উপস্থিত ছিলেন।
ভি নৌশাদ বলেন, "চার মাসে ৩১ লাখের বেশি জোড়া জুতা বিক্রির কৃতিত্ব তাঁদের, যাঁদের দোকানে ওয়াকারুর পণ্য জায়গা করে নিয়েছে।" তিনি এও উল্লেখ করেন যে, বাংলাদেশ এখন তাদের গ্রুপের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বাজার।
২০১২ সালে প্রতিষ্ঠা হওয়া ওয়াকারু ২০১৮ সালে বাংলাদেশের বাজারে প্রবেশ করে। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশেই পুরুষ, নারী, শিশু, স্পোর্টস, পিইউ ও ইভিএ ক্যাটাগরির জুতা তৈরি করছে। তাদের সংগ্রহে দেড় শতাধিক ডিজাইন রয়েছে।
অনুষ্ঠানে ওয়াকারুর বিভিন্ন ফুটওয়্যার সংগ্রহ প্রদর্শন করা হয়। পাশাপাশি ডিলারদের সামনে প্রথমবারের মতো ‘ফ্লিপফ্লপজ’ নামে ফ্লিপ-ফ্লপ ক্যাটাগরির নতুন পণ্য উন্মোচন করা হয়। এটি শিগগিরই বাজারে আসবে বলে জানানো হয়।
রামেশ উম্মের বলেন, "শুরু থেকেই তাদের লক্ষ্য সাধ্যের মধ্যে ভালো মানের পণ্য বাজারজাত করা।" তিনি দাবি করেন যে, এ কারণেই প্রতিবছর তাদের নেটওয়ার্ক বড় হচ্ছে।
ঢাকায় ওয়াকারুর দুটি উৎপাদন কারখানা ও দুটি গুদাম রয়েছে। এসব কারখানায় দৈনিক ৪০ হাজার জোড়া জুতা উৎপাদনের সক্ষমতা রয়েছে। নিজস্ব ডিজাইন স্টুডিও থেকে প্রতি মাসে গড়ে ১৫টি নতুন ডিজাইন বাজারে আনা হয়। প্রতিষ্ঠানটিতে সরাসরি এক হাজারের বেশি কর্মী কাজ করেন। পরোক্ষভাবে আরও প্রায় তিন হাজার মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে বলে জানানো হয়।
ম্যাজিক ও মিউজিক্যাল শো এবং নৈশভোজের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন