প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ফুটবল বিশ্বকাপ শুরু হওয়ার মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে, উয়েফার সাবেক সভাপতি ও ফরাসি ফুটবল কিংবদন্তি মিশেল প্লাতিনি, ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর বিরুদ্ধে ফৌজদারি ও দেওয়ানি মামলা দায়ের করেছেন। এই মামলা ফ্রান্সের আদালতে দায়ের করা হয়েছে, যেখানে তিনি অভিযোগ করেছেন যে, ২০১৬ সালে তাকে অনৈতিকভাবে ফিফা সভাপতির পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে বাধা দেওয়া হয়েছিল।
প্লাতিনির অভিযোগ ইনফান্তিনোর দিকে এককভাবে না হয়ে, তার সঙ্গে আরও পাঁচজন ফুটবল কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। একসময় প্লাতিনীকে সাবেক ফিফা সভাপতি সেপ ব্লাটারের উত্তরসূরির জন্য সবচেয়ে শক্তিশালী প্রার্থী হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছিল। কিন্তু ব্লাটারের সঙ্গে একটি আর্থিক লেনদেনের ঘটনায় তার নাম জড়িয়ে পড়লে পরিস্থিতি বদলে যায়।
এরপর ২০১৫ সালে ফিফার এথিক্স কমিটি প্লাতিনিকে আট বছরের জন্য নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। এই নিষেধাজ্ঞার কারণে তিনি ফিফা সভাপতির নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ হারান। পরবর্তীকালে কোর্ট অফ আরবিট্রেশন সেই নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ কমিয়ে চার বছর করে। তবে পরবর্তী সময়ে সুইজারল্যান্ডের আদালত প্লাতিনি ও ব্লাটার উভয়কেই অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেয়।
সাম্প্রতিক এই মামলার মাধ্যমে প্লাতিনি বলেছেন, যেসব ব্যক্তি তার ফিফা সভাপতি হওয়ার পথ রুদ্ধ করেছিলেন, তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে। তার আইনজীবী অলিভিয়ের বালেতোলি জানিয়েছেন, পরিকল্পিতভাবে প্লাতিনিকে নেতৃত্বের প্রতিযোগিতা থেকে সরিয়ে দেওয়ার ষড়যন্ত্র হয়েছিল।
বালেতোলি আরও অভিযোগ করেছেন, এই প্রক্রিয়ায় বর্তমান ফিফা সভাপতি ইনফান্তিনো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। তার দাবি, যদি ওই বাধা না আসত, তাহলে প্লাতিনির ফিফা সভাপতি নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনা ছিল অত্যন্ত বেশি।
তবে এই অভিযোগের বিষয়ে ইনফান্তিনোর পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। বিশ্বকাপ শুরুর প্রাক্কালে দায়ের হওয়া এই মামলা আন্তর্জাতিক ফুটবল অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা সৃষ্টি করেছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন