প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
‘গদর’ ছিল অমীষার দ্বিতীয় ছবি। ছবির সেটে প্রথম দিন থেকেই তাঁকে কঠিন একটি দৃশ্যের মুখোমুখি হতে হয়েছিল। এ সময় থরথর করে কাঁপছিলেন তিনি।
‘গদর: এক প্রেম কথা’ সম্প্রতি মুক্তির ২৫ বছর পূর্ণ হয়েছে। ছবিতে মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করেছেন অমীষা পটেল। সম্প্রতি তিনি ছবির শুটিংয়ের স্মৃতি শেয়ার করেছেন। বিশেষ করে প্রয়াত প্রবীণ অভিনেতা অমরীশ পুরীর সঙ্গে একটি দৃশ্য আজও মনে আছে তাঁর। শুটিংয়ের সময় তিনি থরথর কাঁপছিলেন। কিন্তু কেন?
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে অমীষা বলেন, “আমার অমরীশজির কথা খুব মনে পড়ে। ওঁর জন্য ভয় পেয়েছিলেন, এমন নয়। তিনি অসাধারণ একজন মানুষ ও সহ-অভিনেতা ছিলেন। তাঁর রসবোধ ছিল দারুণ। খুব মজার মানুষ ছিলেন। তাঁর মধ্যে এমন এক ধরনের হাস্যরস ছিল, যা কেউ কখনও ভাবতে পারবে না।” তো, কেন সত্যিকার অর্থেই থরথর করে কাঁপছিলেন অভিনেত্রী?
‘গদর’ ছিল অমীষার দ্বিতীয় ছবি এবং ছবির সেটে প্রথম দিন থেকেই তাঁকে কঠিন একটি দৃশ্যের মুখোমুখি হতে হয়েছিল। প্রথমেই অমরীশ পুরীর সঙ্গে একটি আবেগঘন দৃশ্যে অভিনয় করতে বলা হয়েছিল তাঁকে। ছবিতে অমরীশ তাঁর বাবার চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন। সেই দৃশ্যের শুটিংয়ের অভিজ্ঞতা মনে করে অভিনেত্রী বলেন, “‘গদর’-এ আমার প্রথম দৃশ্যই ছিল অমরীশজির সঙ্গে। আমি ভয়ে থরথর করে কাঁপছিলাম। আমার সারা শরীর কাঁপছিল। কিন্তু তাঁর সঙ্গে কাজ করা এক অসাধারণ অভিজ্ঞতা ছিল। তিনি আমার কাজকে খুব সহজ করে দিয়েছিলেন। তিনি কখনও আমাকে বুঝতে দেননি যে, তিনি এত বড় একজন অভিনেতা এবং আমি একজন নতুন শিল্পী।”
এর আগেও ‘গদর’ নিয়ে কথা বলেছেন অমীষা। এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছিলেন, তাঁকে সানি দেওলের বিপরীতে অভিনয় না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল। কারণ, সানি তাঁর থেকে বয়সে অনেক বড় ছিলেন। অভিনেত্রীর মতে, অভিনেতাদের মধ্যে বয়সের ব্যবধান নিয়ে তাঁর কোনও সমস্যা নেই। তবে গল্পে সেই ব্যবধানের যুক্তি থাকা দরকার বলে তাঁর অভিমত। তাঁর মতে, ‘গদর’-এর গল্প বয়সের সেই ব্যবধানকে যথাযথ ভাবে তুলে ধরেছিল।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন