প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপ মাঠে মাত্র ৫ দিন আগে গড়িয়েছে। এর মধ্যেই ফুটবলারদের কথা বলার বিষয়ে নিয়ম পরিবর্তনে বাধ্য হলো বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা (ফিফা)।
যখন কোন ফুটবলার স্প্যানিশ ভাষায় কথা বলছেন, তখন মুহূর্তের মধ্যে তাকে থামিয়ে ইংলিশ ভাষায় কথা বলার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে। আশরাফ হাকিমি, ভিনিসিয়ুস জুনিয়র এবং ফ্রেঙ্কি ডি ইয়ংয়ের ক্ষেত্রে বিশ্বকাপে এমন দৃশ্য দেখা যায়।
যখনই কোনো সাংবাদিক স্প্যানিশ ভাষায় প্রশ্ন করেছেন এবং খেলোয়াড়রা সেই ভাষায় দ্বিধা ছাড়াই উত্তর দিতে চেয়েছেন, তখনই দায়িত্বে থাকা কেউ না কেউ এসে স্প্যানিশে কথা বলা বন্ধ করতে বাধ্য করেছেন।
বিশ্বকাপের এই নিয়ম নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে কয়েক দিনে তীব্র সমালোচনা ও বিতর্কের ঝড় উঠেছে। শেষ পর্যন্ত ফিফাকে এই সমস্যার বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিতেই হলো।
ব্রাজিলিয়ান সংবাদমাধ্যম ‘গ্লোবো’র প্রতিবেদন অনুসারে, ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা সাংবাদিক, খেলোয়াড় এবং কোচদের স্প্যানিশ ভাষায় কথা বলার অনুমতি দেবে। এর পাশাপাশি, সব গণমাধ্যমের কাজ সহজ করতে ইতিমধ্যে প্রতি সংবাদ সম্মেলনে একজন করে স্প্যানিশ অনুবাদক (ট্রান্সলেটর) রাখবে ফিফা। এছাড়া, ফিফার নিজস্ব অ্যাপেও স্প্যানিশ থেকে অনুবাদের ফিচারটি চালু হবে।
মেক্সিকোর প্রতি সম্মান ও সৌজন্য প্রদর্শন করেই ফিফা এখন থেকে সব সংবাদ সম্মেলনে স্প্যানিশ ভাষার ব্যবহার নিশ্চিত করবে।
এর আগে নিয়মটি কেবল তখনই প্রযোজ্য ছিল, যখন ম্যাচ সংশ্লিষ্ট কোনো দলের মূল ভাষা ছিল স্প্যানিশ। উদাহরণস্বরূপ, ব্রাজিল বনাম মরক্কো ম্যাচে পর্তুগিজ, আরবি, ফ্রেঞ্চ ও ইতালিয়ান (কোচ আনচেলত্তির কারণে) ভাষায় কথা বলার সুযোগ ছিল।
এই নিয়মটি হয়তো তাৎক্ষণিকভাবে পুরোপুরি কার্যকর করা সম্ভব হবে না এবং পুরোপুরি চালু হতে দুই-একটি ম্যাচ লাগতে পারে। তবে এটা স্পষ্ট যে তীব্র সমালোচনার মুখে ফিফা ইতিমধ্যেই নিজেদের সিদ্ধান্ত থেকে পিছু হটেছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন