প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বগুড়ায় দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় নিয়োজিত টহল পুলিশের ওপর হামলা চালানোর ঘটনা ঘটেছে, যার ফলে ২৮ মামলার এক আসামিকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়। এ ঘটনায় পুলিশের এক উপ-পরিদর্শক (এএসআই) আহত হয়েছেন। পরে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে রতন ব্যাপারী নামের ওই আসামিকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে যায়।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) দুপুরে শহরের উত্তর চেলোপাড়া এলাকার দত্তবাড়ি সিএনজি স্ট্যান্ডে এই ঘটনা ঘটে। গ্রেপ্তার হওয়া রতন ব্যাপারী বগুড়া সদর উপজেলার উত্তর চেলোপাড়া এলাকার বাদল ব্যাপারীর ছেলে।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, রতনের বিরুদ্ধে চুরি, মাদক এবং ডাকাতির প্রস্তুতি সহ দেশের বিভিন্ন থানায় ২৮টি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে বগুড়া সদর থানায় তার বিরুদ্ধে তিনটি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা (ওয়ারেন্ট) পেন্ডিং রয়েছে। আহত এএসআই উজ্জ্বল বর্তমানে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছেন।
জানা গেছে, সারা দেশের মতো বগুড়াতেও দুর্গোৎসব উপলক্ষে রাস্তাঘাটের যানজট নিরসন, দর্শনার্থীদের ভিড় সামলানো এবং মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জেলা পুলিশ টহল পুলিশের ব্যবস্থা করে। যাতে মানুষ নিরাপদে চলাফেরা করতে পারে এবং পকেটমারদের খপ্পরে না পড়ে। মঙ্গলবার দুপুরে পুলিশের টহল দল দত্তবাড়ি সিএনজি স্ট্যান্ডে অবস্থান করার সময় চার-পাঁচজন পকেটমার অপরাধের প্রস্তুতি নিচ্ছিল। পুলিশ তাদের মধ্যে থেকে রতনকে ধরে ফেললে তার সঙ্গে থাকা লোকজন ও আশপাশের আত্মীয়-স্বজনরা পুলিশের ওপর চড়াও হন এবং তাকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। এসময় পুলিশ সদস্য উজ্জ্বল আহত হন।
বগুড়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইব্রাহীম আলী বলেন, "পুলিশ কঠোর অবস্থানে রয়েছে এবং থাকবে। চলতি ও গত মাস মিলিয়ে আমরা ৩০-৩৫ জন পকেটমারকে গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করেছি, যারা এখনো কারাগারে আছেন। পকেটমারদের বিরুদ্ধে আমাদের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।"
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন