প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
দিনাজপুরের হিলিতে প্রথমবারের মতো বাড়ির আঙিনায় আঙুর চাষ করে পলাশ হোসেন নামের এক যুবক রীতিমতো তাক লাগিয়ে দিয়েছেন। তার এই সাফল্য স্থানীয়দের মাঝে ব্যাপক আগ্রহ সৃষ্টি করেছে।
দিনাজপুরের হিলির চন্ডিপুর গ্রামের যুবক পলাশ হোসেন ইউটিউব দেখে আঙুর চাষের প্রতি আগ্রহী হন। সে মোতাবেক নার্সারি থেকে দুটি চারা নিয়ে তিনি বাড়ির আঙিনায় রোপণ করেন। কিছুদিন পর থেকে গাছ বড় হতে শুরু করে। এরপর মাচা করে তিনি গাছগুলোকে দুই টিনের চালার মাঝে তুলে দেন। নয় মাস পর গাছে ফল ধরতে শুরু করে।
আঙুর চাষি পলাশ বলেন, গাছে বিপুল পরিমাণ আঙুর দেখে তিনিসহ পরিবারের সব সদস্য দারুণভাবে খুশি। যদিও প্রথমে অনেকেই তাকে তিরস্কার করেছিলেন এই গাছ লাগানোর জন্য। তিনি প্রথমবার ১৩ কেজি আঙুর পান, যা তিনি ২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করেছেন। এবারের গাছে বিপুল পরিমাণে আঙুর ধরেছে। আশা করা যায়, প্রায় ২০ কেজির মতো ফল পাওয়া যাবে।
তিনি আরও জানান, ভবিষ্যতে আরো বড় পরিসরে চাষের ইচ্ছা রয়েছে তার।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, এতদিন বিদেশে আঙুর চাষের কথা শুনলেও, বাড়ির কাছে প্রথমবারের মতো আঙুর চাষ হতে দেখে তারা অনেকেই তার বাড়িতে যাচ্ছেন। গাছে থোকায় থোকায় আঙুর ঝুলতে দেখে তারা আগ্রহ নিয়ে পরামর্শ নিচ্ছেন চাষের বিষয়ে।
হাকিমপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আরজেনা বেগম জানান, বাংলাদেশের মাটিতে আঙুর চাষ সম্ভব, যা এই উদাহরণে প্রমাণিত হয়েছে। তবে বাড়ির আঙিনায় প্রথমবারের মতো আঙুর চাষ করেছেন পলাশ নামের এক যুবক।
তিনি জানালেন, আঙুর চাষে সব ধরনের সহযোগিতা করা হচ্ছে। রপ্তানিযোগ্য একটি ফল চাষে স্বাবলম্বী হতে পারলে আমদানি নির্ভরতা যেমন কমবে, তেমনি লাভবান হবে কৃষকরাও। সেই সঙ্গে এই ফল রপ্তানি করে বৈদেশিক মুদ্রা আয় করাও সম্ভব হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন