প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সুনামগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সদর হাসপাতালে আগুন লাগার গুজবে রোগী ও স্বজনদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তবে পরে ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে নিশ্চিত হয়, হাসপাতালে কোনো আগুন লাগেনি। একটি শিশুর হাত থেকে গ্যাসভর্তি বেলুন উড়ে গিয়ে বৈদ্যুতিক পাখার সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে বিকট শব্দ হওয়ার পরই এ আতঙ্কের সৃষ্টি হয়।
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টার দিকে হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডের ছয় তালায় ৬০৫ নম্বর কক্ষের ভিতর এ ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, একটি শিশুর হাত থেকে গ্যাসের বেলুন উড়ে গিয়ে বৈদ্যুতিক পাখার সঙ্গে লেগে বিকট শব্দ হয়। হঠাৎ এমন শব্দে সেখানে থাকা রোগী ও স্বজনরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। অনেকে ‘আগুন লেগেছে’ বলে চিৎকার করতে করতে ছোটাছুটি শুরু করেন এবং দ্রুত নিচতলায় নেমে যান। এ সময় হাসপাতালজুড়ে এক ধরনের আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়।
একপর্যায়ে হাসপাতালে আগুন লাগার খবর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। পরে বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন পোস্ট ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়।
খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে। তবে তারা হাসপাতালে আগুন লাগার কোনো আলামত পাননি। জানতে পারলো শিশুর গ্যাসের বেলুন উড়ে গিয়ে বিদ্যুতিক পাখার সাথে ফেটেছে।
এ বিষয়ে সুনামগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আহম্মদ হোসেন বলেন, হাসপাতালে আসলে কোনো আগুন লাগেনি। একটি শিশুর হাত থেকে বেলুন উড়ে গিয়ে বৈদ্যুতিক পাখার সঙ্গে লেগে বিকট শব্দ হয়। এতে অনেকেই আতঙ্কিত হয়ে আগুন লেগেছে মনে করে ছোটাছুটি করে নিচতলায় চলে যান। বর্তমানে হাসপাতালের পরিস্থিতি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক রয়েছে।
সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার (ওসি) রতন সেখ বলেন, হাসপাতালে আগুন লাগার খবর পেয়ে আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে যাই। ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরাও সেখানে উপস্থিত হন। গিয়ে আগুন লাগার কোনো ঘটনা দেখতে পাইনি। পরে জানতে পারি, একটি শিশুর হাত থেকে বেলুন উড়ে গিয়ে বৈদ্যুতিক পাখার সঙ্গে লেগে বিকট শব্দ হয়েছিল। বর্তমানে হাসপাতালের পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। গুজব না ছড়ানোর জন্য সবাইকে অনুরোধ করছি। হাসপাতালে কোনো আগুন লাগেনি।
ঘটনার পর কিছু সময়ের জন্য আতঙ্ক তৈরি হলেও বর্তমানে হাসপাতালের চিকিৎসা ও অন্যান্য কার্যক্রম স্বাভাবিক রয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন