প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অগ্নিনির্বাপক মহড়া অনুষ্ঠিত হয়েছে, যা বিমান দুর্ঘটনা বা অগ্নিকাণ্ডসহ যেকোনো জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত উদ্ধার ও অগ্নিনির্বাপণ কার্যক্রম পরিচালনার সক্ষমতা যাচাই করার উদ্দেশ্যে আয়োজন করা হয়।
এই মহড়া সোমবার (৫ অক্টোবর) বিমানবন্দরের নির্ধারিত এলাকায় অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী, মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাগণ, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স, বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক), ফায়ার সার্ভিস এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
মহড়ায় একটি জরুরি পরিস্থিতি তৈরি করে উড়োজাহাজে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা বাস্তবায়ন করা হয়, যেখানে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো তাদের উদ্ধার ও অগ্নিনির্বাপণ কার্যক্রম প্রদর্শন করে। আগুন লাগার খবর পাওয়ার পর দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছানো, আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা এবং প্রয়োজনে যাত্রী ও ক্রুদের নিরাপদে সরিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়া তুলে ধরা হয়।
এছাড়া, জরুরি মুহূর্তে বিভিন্ন সংস্থার তাৎক্ষণিক সাড়া, যোগাযোগব্যবস্থা ও পারস্পরিক সমন্বয়ের সক্ষমতা যাচাই করা হয়।
নিরাপত্তা ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে নিয়মিত এ ধরনের মহড়া আয়োজন করা হয় বিমানবন্দরে। এর মাধ্যমে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মীদের প্রস্তুতি যাচাই করা ছাড়াও উদ্ধার ও অগ্নিনির্বাপণ সরঞ্জাম, প্রযুক্তি এবং জরুরি যোগাযোগব্যবস্থার কার্যকারিতা পরীক্ষা করা হয়।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, মহড়ার মাধ্যমে জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় কোথাও কোনো ঘাটতি থাকলে তা চিহ্নিত করার সুযোগ সৃষ্টি হয়। পরবর্তীতে এসব ঘাটতি দূর করে প্রস্তুতি আরও জোরদার করা সম্ভব হয়।
শাহজালালে প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক যাত্রী ও বিভিন্ন এয়ারলাইন্সের উড়োজাহাজ চলাচল করে, তাই দুর্ঘটনা, অগ্নিকাণ্ড বা অন্য কোনো বড় ধরনের জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুততম সময়ে উদ্ধার ও অগ্নিনির্বাপণ কার্যক্রম পরিচালনার সক্ষমতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
মহড়ায় বিমানবন্দরের অগ্নিনির্বাপণ ও উদ্ধার কার্যক্রমের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট নিরাপত্তা ও জরুরি সেবাদানকারী সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয়ের বিষয়টিও পর্যবেক্ষণ করা হয়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন