প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
অধিনায়ক হিসেবে ইতালিকে বিশ্বকাপ জেতানো ফাবিও কান্নাভারো এবার কোচ হিসেবে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের ডাগআউটে দাঁড়িয়ে টুর্নামেন্টের কঠিন বাস্তবতা প্রত্যক্ষ করলেন। উজবেকিস্তান টানা তিনটি ম্যাচে হেরে নিজেদের অভিষেক বিশ্বকাপ অভিযানটি হতাশার মধ্য দিয়ে শেষ করেছে। তবে বিদায়ের পরে কান্নাভারোর মুখে ছিল হাসি। তিনি তার আগেই উল্লেখ করা সেই কথাটি মনে করিয়ে দিলেন, 'বিশ্বকাপ খুবই নির্মম।'
গ্রুপ পর্বের প্রথম ম্যাচে কলম্বিয়ার কাছে পরাজয়ের পর দ্বিতীয় ম্যাচে পর্তুগালের বিপক্ষে ৫-০ গোলের বড় ব্যবধানে হেরেছে উজবেকিস্তান। তাদের শেষ ম্যাচে ডিআর কঙ্গোর বিপক্ষে দীর্ঘ সময় এগিয়ে থাকার পরও ৩-১ গোলে পরাজিত হয়ে টুর্নামেন্ট শেষ করে দলটি।
পর্তুগালের বিপক্ষে বড় ব্যবধানে হারের পর কান্নাভারোকে হাসতে দেখা গিয়েছিল, তেমনি ডিআর কঙ্গোর বিপক্ষে পরাজয়ের পরও তার মুখে হাসি ছিল। ম্যাচ শেষে এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে ইতালির সাবেক বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক জানান, তার হাসির পেছনে যদিও হতাশা ছিল না, বরং বাস্তবতাকে গ্রহণ করার চেষ্টা করছিলেন।
কান্নাভারো বললেন, 'আপনাদের কি মনে হয় আমি নার্ভাস নই বা ক্ষুব্ধ নই? আমিও ভালো অনুভব করছি না, কারণ আমি হারতে পছন্দ করি না। আমরা অবশ্যই কিছু ভুল করেছি। কিন্তু আমি কখনোই আমার খেলোয়াড়দের দোষ দেব না। ড্র হওয়ার পর প্রথম সংবাদ সম্মেলনেই বলেছিলাম, বিশ্বকাপ খুবই নির্মম।'
তিনি আরো উল্লেখ করেন, 'খেলোয়াড়রা নিজেদের সর্বোচ্চটা দিয়েছে। তারা এখন ড্রেসিংরুমে খুব হতাশ। বিশ্বাস করুন, উজবেকিস্তানের আর কোনো তুলনায় তারা এই হার সবচেয়ে বেশি অনুভব করছে।'
অভিষেক বিশ্বকাপেই গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নিলেও কান্নাভারো দেশের ফুটবলের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে আশাবাদী। তিনি বলেন, 'উজবেকিস্তানের ফুটবল উন্নয়নে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। আমাদের একাডেমিগুলোতে আরও বিনিয়োগ করতে হবে। তরুণ ফুটবলারদের উন্নয়নে অর্থ ব্যয় করতে হবে। আগামী ২০ থেকে ৩০ বছরে উজবেকিস্তানকে নিয়মিত বিশ্বকাপে দেখতে চাইলে এটাই একমাত্র পথ।'
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন