প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
এএফসি অনূর্ধ্ব-২০ এশিয়ান কাপ বাছাই পর্বে খারাপ পারফরম্যান্স, মাঠের বাইরের বিতর্ক এবং সমালোচনার কারণে দায়িত্ব হারান অনূর্ধ্ব-২০ দলের প্রধান কোচ জেরার্ড জোন্স। তবে বরখাস্ত হওয়ার চার দিন পর সাবেক এই কোচ বাংলাদেশ অধ্যায় নিয়ে বিস্ফোরক তথ্য প্রকাশ করেছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের কানসাস সিটি থেকে সদ্য বরখাস্ত হওয়া বাংলাদেশ বয়সভিত্তিক জাতীয় ফুটবল দলের কোচ এক ফেসবুক পোস্টে অভিযোগ করেছেন যে, বাংলাদেশে কাজ করার সময় তিনি সাইবার বুলিং, ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁস এবং এমনকি মেরে ফেলার হুমকিও পেয়েছেন।
তিনি ফুটবলের বাজে পারফরম্যান্স বা কৌশলের গঠনমূলক সমালোচনা একদম স্বাভাবিক এবং তা মেনে নিতে আমার কোনো আপত্তি নেই। কারণ এটিই পেশাদার ফুটবলের নিয়ম। কিন্তু আমাকে ব্যক্তিগত আক্রমণ করা হয়েছে, আমার ব্যক্তিগত তথ্য অনলাইনে ফাঁস করা হয়েছে এবং এমনকি আমাকে মেরে ফেলার হুমকি পর্যন্ত দেওয়া হয়েছে! প্রশ্ন হলো, কিসের জন্য? প্রতিটি ফুটবলার বা কোচের একটা ব্যক্তিগত জীবন আছে।দিনশেষে আমিও কারো স্বামী, কারো পিতা, কারো সন্তান।’
সাবেক এই কোচ কিছুটা ক্ষোভ ও কটাক্ষের সুরে বলেন, ‘মানুষের মনে কতটা ঘৃণা আর নেতিবাচকতা থাকলে তারা একজন মানুষের পেছনে এভাবে লেগে থাকতে পারে! তবে আমি মানসিকভাবে ভেঙে পড়িনি, বরং প্রতিদিন হেসেছি এবং এখনো হাসছি।’
তিনি জানান, বাংলাদেশ দলের সঙ্গে কাজ করার জন্য তার হাতে ছিল মাত্র ৯ সপ্তাহ। এরপর দলকে সরাসরি এএফসি অনূর্ধ্ব-২০ এশিয়ান কাপের বাছাই পর্বের মতো কঠিন ও তীব্র প্রতিযোগিতামূলক মঞ্চে নামতে হয়েছে।
স্বল্পমেয়াদি চিন্তাভাবনাকে কাঠগড়ায় তুলে জোনস বলেন, প্রস্তুতির সময় ও সুযোগ-সুবিধার দিক থেকে বাংলাদেশ এমন সব দলের বিরুদ্ধে লড়াই করতে নেমেছিল, যাদের ফুটবলার তৈরির ভিত ও একাডেমি কাঠামো অনেক বেশি প্রতিষ্ঠিত।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন