প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বিশ্বকাপে শেষ ষোলোতে বিদায় নেওয়ার পরে ব্রাজিল দলে পরিবর্তিত এক বাস্তবতার সৃষ্টি হয়েছে। নরওয়ের কাছে ২-১ গোলে পরাজিত হয়ে টুর্নামেন্ট শেষ করার পর সেলেসাওদের বহনকারী বিমান দেশে ফিরলেও, ২৬ সদস্যের স্কোয়াড থেকে দেশে ফেরা মাত্র একজন ফুটবলারই হলেন দানিলো লুইজ।
ব্রাজিলিয়ান সংবাদমাধ্যমের দেওয়া তথ্যমতে, ফ্লামেঙ্গোর ডিফেন্ডার দানিলো লুইজ একমাত্র খেলোয়াড় হিসেবে ব্রাজিলিয়ান ফুটবল কনফেডারেশনের (সিবিএফ) চার্টার্ড বিমানে দেশে ফিরে আসেন। দলের অন্যান্য সদস্যরা যুক্তরাষ্ট্র থেকে নিজেদের ক্লাব কিংবা ব্যক্তিগত ছুটির গন্তব্যে চলে যান।
রিও ডি জেনিরোতে বিমান অবতরণের প্রায় দুই ঘণ্টা পর প্রতিনিধিদলের সদস্যরা বিমানবন্দর ত্যাগ করলেন। দানিলোকে সাথে নিয়ে ছিলেন সিবিএফের নির্বাহী সমন্বয়ক রদ্রিগো কায়েতানো এবং টেকনিক্যাল কোঅর্ডিনেটর হুয়ান। তবে বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ের হতাশায় দানিলো গণমাধ্যমের সঙ্গে কোনো কথাই বলেননি।
এদিকে, দলের ব্যর্থতার পরও সিবিএফ কোচ কার্লো আনচেলত্তির প্রতি আস্থা রেখেছে। বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের সঙ্গে বক্তব্য রেখে কায়েতানো জানান, কোচিং স্টাফের ধারাবাহিকতা বজায় রেখেই নতুন বিশ্বকাপ চক্রের পরিকল্পনা শুরু করা হবে।
তিনি বলেন, 'আমাদের মূল লক্ষ্য হলো কাজের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা। ফলাফল অবশ্যই প্রত্যাশিত হয়নি, তবে অনেক তরুণ খেলোয়াড় এই টুর্নামেন্টে নিজেদের সক্ষমতার প্রমাণ দিয়েছে। সেই অভিজ্ঞতা সামনে রেখে আগামী সেপ্টেম্বরে ও অক্টোবরের প্রীতি ম্যাচগুলোর প্রস্তুতি শুরু করব।'
শেষ ষোলো থেকে বিদায় নেওয়াকে হতাশাজনক বললেও কায়েতানো মন্তব্য করেন, 'আমরা অবশ্যই আরও অনেক দূর যাওয়ার আশা করেছিলাম। তবে পুরো গত এক বছর চার মাসের কাজকে ইতিবাচক হিসেবে মূল্যায়ন করছি। যদি তা না হতো, তাহলে আনচেলত্তিকে দায়িত্বে রাখা হতো না।'
বিশ্বকাপ-পরবর্তী বিরতি শেষে ব্রাজিল আগামী সেপ্টেম্বরে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচ দিয়ে নতুন অধ্যায় শুরু করবে। সেই ম্যাচ থেকেই ২০৩০ বিশ্বকাপের প্রেক্ষিতে নতুন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন শুরু করবে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন