প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
লিওনেল মেসির আগমনের পর শিরোপা জেতা শুরু হয় ইন্টার মিয়ামির। তিন বছরে তাদের শোকেসে উঠল চতুর্থ ট্রফি। ক্লাবটির জার্সিতে আর্জেন্টাইন মহাতারকার ১০০তম গোলের দিনে মায়ামি ২-০ ব্যবধানে ক্রুজ আজুলকে হারিয়েছে। মেক্সিকোর লিগা এমএক্স-জয়ী ক্লাবটিকে হারিয়ে আমেরিকার মেজর লিগ সকারজয়ী (এমএলএস) মিয়ামি জিতল ক্যাম্পেওনেস কাপ।
যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকোর দুই লিগজয়ীদের এই ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয়েছে ইন্টার মিয়ামির ঘরের মাঠ নু স্টেডিয়ামে। যেখানে তারা পজেশনে কিছুটা এগিয়ে থাকলেও, আক্রমণে স্বাগতিকদের তটস্থ রেখেছিল ক্রুজ আজুল। তবে তাদের ফিনিশিং ব্যর্থতার বিপরীতে মেসি ও ক্যাসেমিরোর একটি করে গোলের সুবাদে ইন্টার মিয়ামি জিতেছে।
ম্যাচের ২৪তম মিনিটে লুইস সুয়ারেজের ক্রস থেকে হেডে গোল করেন মেসি। ইন্টার মিয়ামির হয়ে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ১১৫ ম্যাচে এটি ছিল তার ১০০তম গোল। কাকতালীয়ভাবে মায়ামিতে যোগ দেওয়ার পর মেসির প্রথম গোলও এসেছিল এই ক্রুজ আজুলের বিপক্ষেই। ২০২৩ সালের জুলাইয়ে ক্লাবটির অভিষেক ম্যাচে যোগ করা সময়ে ফ্রি-কিক থেকে গোল করে মেক্সিকান দলটিকে ২-১ ব্যবধানে হারিয়েছিলেন তিনি।
এদিকে, ক্যাম্পেওনেস কাপের ম্যাচে ৮১তম মিনিটে মেসির নেওয়া কর্নার থেকে হেড করে মিয়ামির ব্যবধান ২-০ করেন ক্যাসেমিরো। ব্রাজিলিয়ান এই মিডফিল্ডারের শেষ পাঁচ ম্যাচে এটি চতুর্থ গোল। তার চারটি গোলই এসেছে হেডে। এর আগে সিএফ মন্ট্রিয়েল, আটলান্টা ইউনাইটেড ও শিকাগোর বিপক্ষে টানা তিন ম্যাচে গোল করেছিলেন তিনি। তবে শনিবার ন্যাশভিলের বিপক্ষে ম্যাচে গোল পাননি।
মেসির ইন্টার মিয়ামিতে যোগ দেওয়ার তিন বছর পর ক্লাবটি আরও একটি ট্রফি জিতল। ২০২৩ সালে লিগস কাপ জেতার পর ২০২৪ সালে সাপোর্টার্স শিল্ড এবং ২০২৫ সালে এমএলএস কাপ জিতেছিল মিয়ামি। এবার সেই ট্রফির তালিকায় যুক্ত হলো ক্যাম্পেওনেস কাপ।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন