প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ভারতের বর্তমান ক্ষমতাসীন সরকারের পতন চাওয়ার কথা বললেও, অভিনেতা ও অধিকারকর্মী প্রকাশ রাজ উল্লেখ করেছেন যে, এটি বাংলাদেশ বা নেপালের মতো পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে হওয়া উচিত নয়, বরং নির্বাচন ও সাংবিধানিক উপায়ে এটি ঘটতে হবে।
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) তিনি মন্তব্য করেন যে, তারা উত্তর প্রদেশের নির্বাচন থেকে শুরু করে ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচন পর্যন্ত গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে সরকারের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাবেন।
প্রকাশ রাজ বলেন, "আমরা এই সরকারের পতন চাই, এবং আমরা গণতান্ত্রিক উপায়েই তা ঘটাব।"
তিনি অভিযোগ করেন যে, কেন্দ্রীয় সরকার আলোচনা বন্ধ করে বিক্ষোভকারীদের দমনে বলপ্রয়োগ করছে। এর ফলে সরকারের অপসারণের দাবি আরও জোরালো হচ্ছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকে ‘নৈরাজ্য’ হিসেবে আখ্যা দেওয়ার অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে প্রকাশ রাজ বলেন, নাগরিকরা তাদের সাংবিধানিক অধিকার প্রয়োগ করে সরকারের কাছে প্রশ্ন তুলছেন, বিক্ষোভ করছেন এবং নির্বাচনে ভোট দেবেন। তিনি বলেন, "আমরা কোনো অস্ত্র বহন করছি না। আমাদের অস্ত্র হলো সংবিধান ও প্রতিবাদের অধিকার।"
শুক্রবার তেরঙ্গা পদযাত্রার আগে নেতাকর্মীদের আটকের ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন এই অভিনেতা। এ সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ‘হর ঘর তেরঙ্গা’ কর্মসূচির প্রসঙ্গ তুলে তিনি প্রশ্ন করেন, "মোদির সেই ‘হর ঘর তেরঙ্গা’ স্লোগানের কী হলো? দেশের তরুণরা আজ জাতীয় পতাকা নিয়ে হাঁটতে চায়।"
বিক্ষোভকারীদের, বিশেষ করে নারীদের ওপর পুলিশি সহিংসতার অভিযোগও তোলেন প্রকাশ রাজ। আসন্ন শীতকালীন অধিবেশনে সংসদে এ বিষয়ে সরব হতে বিরোধী দলগুলোর প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
কৃষক সংগঠন সংযুক্ত কিষান মোর্চাসহ নাগরিক সমাজের বিভিন্ন অংশের সমর্থনের কথা উল্লেখ করে প্রকাশ রাজ বলেন, আন্দোলনের পরবর্তী ধাপে আরও বিপুলসংখ্যক মানুষ রাজপথে নামবেন।
তার বক্তব্যে সরকারের পরিবর্তনের দাবি স্পষ্ট হলেও সেই পরিবর্তন গণতান্ত্রিক ও সাংবিধানিক কাঠামোর মধ্যেই অর্জনের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন