প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
রপ্তানির মাধ্যমে দেশের অর্থনীতি আরও সমৃদ্ধ ও শক্তিশালী হবে। পাশাপাশি দেশের উন্নয়নকে সামগ্রিকভাবে ত্বরান্বিত করবে বলে মন্তব্য করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। তিনি বলেছেন, দেশের অভ্যন্তরীণ চাহিদা পূরণ করে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রাণিসম্পদ খাতের পণ্য রপ্তানি করাই হচ্ছে সরকারের অন্যতম লক্ষ্য।
রবিবার (২৮ জুন) রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে বাংলাদেশ থেকে প্রথমবারের মতো নাইজেরিয়ায় হ্যাচিং এগ (ডিম ফুটিয়ে বাচ্চা উৎপাদনের উপযোগী ডিম) রপ্তানি কার্যক্রমের উদ্বোধনের উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী।
বাংলাদেশের প্রাণিসম্পদ খাত বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে জানিয়ে সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, প্রধানমন্ত্রী দেশের প্রতিটি খাতকে রপ্তানিমুখী হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছেন। প্রধানমন্ত্রীর দূরদর্শী নির্দেশনার মাধ্যমে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতও ধীরে ধীরে শক্তিশালী রপ্তানিমুখী খাতে পরিণত হবে। আজকের এই রপ্তানি কার্যক্রম সেই লক্ষ্য অর্জনের পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক এবং দেশের রপ্তানি বহুমুখীকরণে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে।
তিনি আরো বলেন, যখন বাংলাদেশ নিজস্ব চাহিদা পূরণ করে বিদেশে পণ্য রপ্তানি করতে সক্ষম হয়, তখন এটাই দেশের সক্ষমতার প্রতিফলন। এটি শুধুমাত্র একটি বাণিজ্যিক কার্যক্রম নয়, বরং বাংলাদেশের প্রাণিসম্পদ খাতের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জনের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। প্রতিমন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করেন, ভবিষ্যতে এই রপ্তানির পরিধি আরও বাড়বে।
এ সময় প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. শাহজামান খান বলেন, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনার অধীনে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর একটি রপ্তানিমুখী ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন প্রাণিসম্পদ খাত গড়ে তুলতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। অনুষ্ঠানে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের উপপরিচালক ডা. সাখাওয়াত হোসেন, উপপরিচালক ডা. শারমিন সামাদসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন