প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
কৃষিমন্ত্রী আমিন উর রশিদ ইয়াছিন জানিয়েছেন, কৃষি বাজেট গত বছরের তুলনায় ১০.৩৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। আমাদের প্রণোদনা বা উন্নয়ন বাজেটও রয়েছে। বাজেটের ভেতরেও বিভিন্ন ভাগ আছে। প্রণোদনা বাজেটে বৃদ্ধি পেয়েছে ৫৯ শতাংশ। যা সত্যিই অনেক বৃদ্ধি। এই যারা বলে কৃষিতে বাজেট কমেছে, তারা হিসাব করেননি। এবারের কৃষিতে বাজেট অতীতের তুলনায় বৃহত্তম বাজেট দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সকালে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন চত্বরে ‘জাতীয় ফল মেলা ২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কৃষিমন্ত্রী এসব মন্তব্য করেন।
তিনি উল্লেখ করেন, প্রতিবছর ফল মেলা অনুষ্ঠিত হয়। ফল উৎপাদনে বাংলাদেশ বিকাশ ও বিপ্লব ঘটিয়েছে। আমাদের কিছু ফল বিলুপ্তির পথে ছিল, সেগুলোকে এখানে উত্থাপন করা হয়েছে। বিদেশি যে ফলগুলো আমাদের দেশে উৎপাদন করা সম্ভব ছিল না, সেগুলো এখন উৎপাদিত হচ্ছে। আমাদের আমদানি কমেছে। আশা করছি, আগামী বছর আমাদের আর আমদানি করতে হবে না।
বিদেশে ড্রাগন ফল রফতানি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আগে আমরা ড্রাগন ফল আমদানি করতাম, কিন্তু এখন আমরা চিন্তা করছি, ড্রাগন ফল রফতানি করব। এটি বাইরের একটি ফল। আমরা আবহাওয়ার কারণে রফতানি করার সাহস পাচ্ছি। বিদেশি ফলের বিকল্প হিসেবে আমাদের সরকার কাজ করছে।
এছাড়া তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ আম ও কাঠাল রফতানি শুরু করেছে এবং এ বছর কাঠাল রফতানি বৃদ্ধি পাবে। আগামী দিনে ফল রফতানি একটি গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে পৌঁছাবে।
‘করব মোরা ফল চাষ, সংরক্ষণ করবো বারো মাস’ স্লোগানটিকে সামনে রেখে তিন দিনব্যাপী ‘জাতীয় ফল মেলা-২০২৬’-এর উদ্বোধন করা হয়েছে।
এ সময় কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. রফিকুল ই মোহামেদ ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের মহাপরিচালক (ডিজি) মো. আব্দুর রহিমও উপস্থিত ছিলেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন