০৯:৩২ এম
রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ভুটানের রাজা জিগমে খেসার নামগে ওয়াংচুক-কে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে স্বাগত জানিয়েছেন।
বুধবার (২৬ আগস্ট) ভোরে, সিঙ্গাপুর থেকে ভুটান যাওয়ার পথে ঢাকায় যাত্রাবিরতি করে ভুটানের রাজাকে বহনকারী একটি বিশেষ বিমান। বিমানবন্দরে রাজা প্রায় এক ঘণ্টা অবস্থান করেন, যেখানে রাষ্ট্রপতি ভুটানের রাজার সঙ্গে ভিভিআইপি লাউঞ্জে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। তাদের মধ্যে পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে সৌহার্দ্যপূর্ণ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
রাষ্ট্রপতি ভুটানের রাজা এবং রাজপরিবারের সদস্যদের বাংলাদেশে রাষ্ট্রীয় সফরের জন্য সুবিধাজনক সময়ে আমন্ত্রণ জানান। ভুটানের রাজা বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীকে তাদের সুবিধাজনক সময়ে ভুটান সফরের আমন্ত্রণ জানান।
আরও পড়ুন: দুর্গাপূজার মূল দর্শন অন্যায়-অত্যাচারের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো: রাষ্ট্রপতি
ভুটানের রাজা জিগমে খেসার নামগে ওয়াংচুক রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভকামনা জানান। রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের জনগণ ও সরকারের পক্ষ থেকে ভুটানের রাজা এবং রাজপরিবারের সদস্যদের প্রতি উষ্ণ শুভেচ্ছা জানান। ভুটানের রাজাও বাংলাদেশের জনগণ ও সরকারের প্রতি শুভকামনা জ্ঞাপন করেন।
আলাপকালে রাষ্ট্রপতি উল্লেখ করেন যে, বাংলাদেশ ও ভুটানের মধ্যে একটি গভীর ও ঐতিহাসিক সম্পর্ক বিদ্যমান। তিনি বলেন, "ভুটান সবসময় আমাদের হৃদয়ে বিশেষ স্থান করে আছে।" কারণ, ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেওয়া বিশ্বের প্রথম দেশ ভুটান।
রাষ্ট্রপতি ভুটানের বর্তমান রাজার বাবা রাজা জিগমে সিংগে ওয়াংচুকের বাংলাদেশের প্রতি বিশেষ মমত্ববোধ ও শুভকামনাকে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন।
ভুটানের রাজা দুই দেশের অভিন্ন উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির আকাঙ্ক্ষার কথা তুলে ধরে শিক্ষা, বাণিজ্য ও বিনিয়োগসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা আরও বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন।
আরও পড়ুন: ময়লার ভাগাড় থেকে বাগান: প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসা ডিসি ফরিদার উদ্যোগে
রাজা তার দূরদর্শী ‘গেলেফু মাইন্ডফুলনেস সিটি’ প্রকল্প সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন এবং এ উদ্যোগে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ ও সহযোগিতা কামনা করেন। রাষ্ট্রপতি প্রকল্পটির প্রতি গভীর আগ্রহ প্রকাশ করেন এবং এর প্রশংসা করেন।
তিনি বলেন, "পারস্পরিক কল্যাণ, সমৃদ্ধি ও টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে এ অঞ্চলের রূপান্তরমূলক উদ্যোগগুলো এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ ভুটানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে প্রস্তুত।"
সৌজন্য সাক্ষাতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান, বাংলাদেশে নিযুক্ত ভুটানের রাষ্ট্রদূত এবং বাংলাদেশ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ভুটানের রাজাকে বহনকারী বিশেষ বিমানটি সকাল সাড়ে ৬টার দিকে ভুটানের উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করে।
আরও পড়ুন: স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ১১-২০তম গ্রেডে নিয়োগের অগ্রগতি জানতে চেয়েছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন