প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন মন্তব্য করেছেন যে, সমাজে যে কোনো অর্জনের স্বীকৃতি প্রদান করলে অনেক সমস্যার সমাধান সহজ হয়ে যায়। তিনি উল্লেখ করেন, সমাজের সব ক্ষেত্রে ‘আমি’র পরিবর্তে আন্তরিকভাবে ‘আমরা’ শব্দটি ধারণ ও ব্যবহার করা গেলে সমাজ আরও সুন্দর ও অন্তর্ভুক্তিমূলক হয়ে উঠবে।
শনিবার রাজধানীর কাকরাইলে ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইডিইবি) মিলনায়তনে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব লেবার স্টাডিজের (বিলস) ১০ম দ্বিবার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে স্বাগত ও সূচনা বক্তব্য প্রদান করেন বিলসের প্রতিষ্ঠাতা ও মহাসচিব এবং প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা নজরুল ইসলাম খান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ড. মাহ্দী আমিন এবং অ্যাডভোকেট শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, এমপি।
মন্ত্রী আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অন্তর্ভুক্তিমূলক ও মানবিক বাংলাদেশ গঠনে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। সেখানে সমাজের সব শ্রেণি ও পেশার মানুষের প্রতি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। তিনি উল্লেখ করেন, সমাজে বসবাসকারী প্রতিটি মানুষই কোনো না কোনোভাবে শ্রমিক। তাদের শ্রমের ধরন ও ক্ষেত্র কেবল ভিন্ন।
তিনি বলেন, সরকার প্রান্তিক শ্রমিক, অসহায় ও দুস্থ মানুষের সামাজিক নিরাপত্তা ও কল্যাণ নিশ্চিত করার অঙ্গীকার থেকে দেশব্যাপী ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ড. মাহ্দী আমিন উল্লেখ করেন, ন্যায্য মজুরি কোনো করুণা নয়, বরং এটি শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার ও প্রাপ্য। তিনি বলেন, সাড়ে সাত কোটি শ্রমজীবী মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত আস্থায় নির্বাচিত বর্তমান সরকার তাদের সার্বিক কল্যাণ নিশ্চিত করতে অঙ্গীকারবদ্ধ।
তিনি আরও বলেন, টেকসই শিল্প ও সুষ্ঠু কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করতে শ্রমিক, মালিক ও সরকারের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা এবং নিয়মিত ত্রিপক্ষীয় সংলাপ অপরিহার্য।
অনুষ্ঠানে বক্তারা শ্রম আইনে প্রয়োজনীয় সংস্কার এনে সব শ্রমিকের আইনি স্বীকৃতি, প্রাতিষ্ঠানিক নিবন্ধন ও সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করার দাবি জানান। তারা ন্যায্য মজুরি নির্ধারণ, কর্মক্ষেত্রে সম-অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান। বক্তারা যেকোনো মূল্যে শিশুশ্রম সম্পূর্ণ বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানান।
অনুষ্ঠান শেষে প্রধান অতিথি ‘বীর মুক্তিযোদ্ধা নজরুল ইসলাম খান লাইব্রেরি ও বিলস তথ্যকেন্দ্র’ উদ্বোধন করেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন