প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
রাশেদা বেগম হীরা, যিনি জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য, কুমিল্লা-৪ দেবীদ্বার আসনের সংসদ সদস্য এবং জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) দক্ষিনাঞ্চলের মূখ্য সংগঠক মো. আবুল হাসনাত (হাসনাত আব্দুল্লাহ)’র আসন এবং কুমিল্লা-১১ চৌদ্দগ্রাম আসনের সংসদ সদস্য এ জামায়েত ইসলামীর নায়েবে আমির ডাঃ সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের এর আসনে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। এই বিষয়টি বুধবার (১০ জুন) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সারা দিন বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলে। কুমিল্লার ১৭ টি উপজেলার ১১টি সংসদীয় আসনে ৩০ জন প্রার্থী সংরক্ষিত মহিলা আসনের জন্য আবেদন করলেও একজনও মনোনীত হতে পারেননি। অন্য জেলা থেকে ধারকরা এমপি দিয়ে কাজ চালাতে হচ্ছে, এ কারণে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রার্থীদের যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। জাতীয়তাবাদী মহিলা দল কুমিল্লা উত্তর জেলার সভাপতি সুফিয়া বেগম এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি আরও বলেন, কুমিল্লা জেলার ১১টি আসনে ৩০ জন সংরক্ষিত মহিলা আসনে মনোনয়ন পেতে ফরম পূরণ করলেও ইন্টারভিউ বোর্ডে ২৯ জন অংশ নিলেও তিনি (সুফিয়া বেগম) সহ কেউই মনোনয়ন পাননি। এর আগে বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক রাশেদা বেগম হীরা চাঁদপুরের সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য পদে তৃতীয়বারের মতো মনোনীত হন। গত ২০ এপ্রিল ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য ৩৬ জন প্রার্থীর চূড়ান্ত তালিকা ঘোষণা করেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। ঘোষিত তালিকায় আবারও স্থান পেয়েছেন দুইবারের সাবেক মহিলা সাংসদ রাশেদা বেগম হীরা। এমপি রাশেদা বেগম হীরার পৈতৃক বাড়ি চাঁদপুর জেলায় সদর উপজেলার রামপুর ইউনিয়নের আলগী গ্রামে। তার স্বামী মরহুম মো. রফিকুল ইসলাম মজুমদার চট্টগ্রাম বিভাগীয় খাদ্য কর্মকর্তা ছিলেন। তার পিতার নাম অলিউল্লাহ। রাশেদা বেগম হীরা বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক। তাছাড়া তিনি দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য, কেন্দ্রীয় মহিলা দলের চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক, চাঁদপুর জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি এবং জাতীয়তাবাদী মহিলা দল চাঁদপুর জেলা শাখার সভানেত্রী ছিলেন। তিনি দীর্ঘকাল ধরে কারা নির্যাতিত নেত্রী ছিলেন। ১৯৮১ সালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমএ এবং ১৯৯০ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমফিল ডিগ্রি অর্জন করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালীন ১৯৭৯ সাল থেকে তিনি জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সামসুন্নাহার হলের ভি.পি. ও জি.এস. পদে তিনি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। ছাত্রনেত্রী হিসেবে, ১৯৮১ সালে প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং খালেদা জিয়ার সাথে রাষ্ট্রীয় সফরে নেপাল যান এবং টেলেন্ট স্টুডেন্ট হিসেবে তিনি হিজবুল বাহার সফর ও বঙ্গভবনে আমন্ত্রিত হন। ১৯৮৪ সাল থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থায় যেমন অল্ফাম, সেভ-দি-চিলড্রেন, ভিএসওতে জেন্ডার বিশেষজ্ঞ হিসেবে গুরুত্বপূর্ন পদে দায়িত্ব পালন করেন, পাশাপাশি রাজনীতিতেও সক্রিয় ছিলেন। ১৯৯০ সালে স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনসহ আজ পর্যন্ত দলের সকল রাজনৈতিক কর্মসূচিতে তিনি ছিলেন একজন লড়াকু সৈনিক। তিনি (২০০১ সালের) ৮ম এবং (২০০৮ সালের) ৯ম জাতীয় সংসদে দলের মনোনয়নে সংরক্ষিত আসনে সংসদ সদস্য ছিলেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন