প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো হতাশায় বিশ্বকাপ শুরু করেছেন। তার দল পর্তুগাল ডিআর কঙ্গোর কাছে আটকে গিয়ে গেছে। হোয়াও নেভেসের গোলে লিড পেলেও, প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে সেলেকাওদের সেই লিড হাতছাড়া হয়ে যায়। ইতিহাসের প্রথমবারের মতো আফ্রিকান দেশটি পয়েন্ট পেতে সক্ষম হলো।
পিচে নামার আগেই রেকর্ড ঘোষণা হয়েছে। সবচেয়ে বেশি বয়সী আউটফিল্ড প্লেয়ার হিসেবে স্টার্টিং ইলেভেনে রোনালদো সর্বপ্রথম। এটি আরেকটি মাইলফলক হয়ে দাঁড়িয়েছে। তিনি মেসির পরে মাত্র দ্বিতীয় ফুটবলার হিসেবে নিজের ষষ্ঠ বিশ্বকাপে খেলছেন।
টেক্সাসে ঘুরেফিরে ক্যামেরার লেন্স বার বার ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর দিকে। তবে প্রথম লিডটি সিআর সেভেন নেননি, সেটি হোয়াও নেভেসের দারুণ হেডের মাধ্যমে এসেছে। আসিস্ট দিয়েছেন ইন ফর্ম পেদ্রো নেতো।
কঙ্গোর ফাইভ ম্যান লাইনের ডিফেন্সের সামনে খুব বেশি সুযোগ তৈরি করা সম্ভব নয়, এটি আগেই বোঝা গেছে। সেলেকাওরা তাই অ্যারিয়াল অ্যাটাককে বেছে নিয়েছে। ফুলব্যাকদের কাজে লাগিয়ে একের পর এক ক্রস গেলেও, সাফল্য মেলেনি সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে।
এদিন প্রয়াত দিয়াগো জোতা না থাকলেও, তার বাবা-মা স্ট্যান্ডে উপস্থিত ছিলেন। ম্যাচের পূর্বে তার প্রতি ট্রিবিউট প্রদান করা হয়েছে। ইনজুরি থেকে পুরোপুরি সেরে উঠতে না পারায় একাদশে ছিলেন না রুবেন দিয়াস। অভিজ্ঞ সেন্টার ব্যাকের অনুপস্থিতিতে পর্তুগালকে সমস্যা পোহাতে হয়েছে। নেভেসের লিড হারিয়ে যায় প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে।
আর্থার মাসুয়াকুর করা ক্রসে গোল করেন ইওয়ান উইসার। কঙ্গোর জন্য এটি প্রথম বিশ্বকাপ গোল। ফলে গোটা সেলেকাও শিবির স্তব্ধ হয়ে যায়।
পুরো ম্যাচে পর্তুগিজ সুপারস্টার ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো কোনো শট নিতে পারেননি। তার উপস্থিতি যেন মাঠে ছিল না।
ম্যাচে মোট ২৫ বার বলের টাচ পেয়েছেন, তবে ২১টি সহায়ক পাস দিয়েছেন রোনালদো। এর মধ্যে ১৬টি ছিল ব্যাক পাস। দুইবার ফুট শট নিয়েছেন, কিন্তু সেগুলো গোলবারের বাইরে যায়। ফলে রোনালদোর পারফরম্যান্সে হতাশ হয়ে পড়েন পর্তুগাল ভক্তরা।
তবে, বড় টুর্নামেন্টে টানা ১০ ম্যাচ গোলহীন পর্তুগালের মহাতারকা ক্রিশ্চিয়ানোর এমন বিবর্ণ পারফরম্যান্সের পরও ৪১ বছর বয়সী ফরোয়ার্ডের ওপর পূর্ণ আস্থা রাখছেন কোচ রবার্তো মার্তিনেজ।
কোচ তার দলের অধিনায়ককে সম্পূর্ণরূপে সমর্থন করে বলেছেন, 'যখন আপনার গোলের প্রয়োজন, তখন বিশ্ব ফুটবলের সেরা গোলদাতাকে মাঠ থেকে তুলে নেয়ার কোনো মানেই হয় না। আমাদের জন্য এই ধরনের মুহূর্তে ডি-বক্সে ক্রিশ্চিয়ানোর অভিজ্ঞতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সে যেভাবে প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারদের নিজের দিকে টেনে নিয়ে আসে এবং এর ফলস্বরূপ সৃষ্টি হওয়া ফাঁকা জায়গাগুলো আমরা কীভাবে ব্যবহার করতে পারি, তা দলের জন্য খুব দরকারি।'
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন