প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ইরানের সঙ্গে চলমান দীর্ঘমেয়াদি সামরিক সংঘাতে মার্কিন প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বর্তমানে তীব্র চাপের মুখে পড়েছে। মার্কিন ইউরোপীয় কমান্ডের প্রধান জেনারেল আলেক্সাস গ্রিনকেউইচ পেন্টাগনে পাঠানো এক গোপন বার্তায় সতর্ক করেছেন। তিনি অত্যন্ত উদ্বেগ সহকারে বলেছেন যে, সরকারি এই চলমান যুদ্ধের কারণে মার্কিন সমরাস্ত্র ও সরঞ্জাম মারাত্মকভাবে ফুরিয়ে আসছে।
একাদশ পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, মার্কিন মূল ভূখণ্ডের নিরাপত্তা রক্ষা করা এবং ইসরায়েলকে সামরিক সহায়তা প্রদান; উভয় দিক পাশাপাশি বজায় রাখা অতীব কঠিন হয়ে পড়েছে। ওয়াশিংটন পোস্টের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে, মার্কিন যুদ্ধজাহাজ এবং ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ওপর অতিরিক্ত চাপের কথা তুলে ধরে পেন্টাগন কর্তৃপক্ষকে একটি চিঠি দিয়েছেন ওই শীর্ষ জেনারেল। বর্তমান সময়ের অসুবিধা সত্ত্বেও অতিরিক্ত যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন করা না হলে, মার্কিন মূল ভূখণ্ডের সুরক্ষাকেই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে বাধ্য হয়ে যেতে পারেন তারা। এর ফলে ইসরায়েলের দিকে তেহরানের ছোঁড়া ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধে মার্কিন সহায়তা ব্যাহত হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল হয়ে উঠেছে।
ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন সামরিক অভিযান ইতোমধ্যে পঞ্চম মাসে গড়িয়েছে। গত হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর থেকে মার্কিন নৌবাহিনী ইরান বিরুদ্ধে অবরোধ বজায় রাখে এবং পূর্ব ভূমধ্যসাগরে থাকা মার্কিন রণতরীগুলো ইসরায়েলে নিক্ষিপ্ত ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার ক্ষেত্রে মুখ্য ভূমিকা পালন করে আসছে। তবে এসব লাগাতার সামরিক অভিযানের ফলে মার্কিন নৌবাহিনীর রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে এবং সাগরে যুদ্ধজাহাজের প্রাপ্যতা আশঙ্কাজনকভাবে কমে গেছে।
পেন্টাগনের অভ্যন্তরীণ সূত্রের বরাত দিয়ে জানা গেছে যে, সীমিত সামরিক সম্পদের কারণে অপারেশনাল ঝুঁকি বেড়ে গেলে কমব্যাট কমান্ডাররা শীর্ষ নেতৃত্বকে এভাবেই সতর্ক করে থাকেন। তবে এই বিষয়ে পেন্টাগন বা ইউরোপীয় কমান্ডের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন